*অনলাইন জুয়ার গ্রাসে শহর-গ্রামের হাজারো তরুণ। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে, সর্বোচ্চ ব্যবহার করা হচ্ছে প্রযুক্তির। এমন সর্বনাশা নেশায় সর্বস্ব খোয়াচ্ছেন অনেকে।*
*অনলাইন জুয়া চক্রের ৩ জনকে সম্প্রতি গ্রেফতার করেছে কাউন্টার টেররজিম ইউনিটের সাইবার ক্রাইম বিভাগ। তার জানান, চক্রটির গত তিন মাসের লেনদেন প্রায় চার কোটি টাকা।*
*অনলাইন জুয়ার আসর নাইন উইকেটস ডট কম। ইমেইল দিয়ে রেজেস্ট্রশনই বেটিং দুনিয়ার প্রবেশদ্বার। তারপরই শুরু হয় টাকার খেলা।*
*টাকা দিয়ে দিয়ে পয়েন্ট কেনা। তা দিয়েই বাজি। নেশায় পড়েই লাখ টাকা খোয়াচ্ছেন ব্যবহারকারীরা। আর কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে, একটি চক্র।*






*এমন একটি চক্রের তিনজনকে গ্রেফতার করেছে কাউন্টার টেররিজেম ইউনিটের সাইবার ক্রাইম বিভাগ।জুয়ার রাজ্যে যাদের পরিচয় মাস্টার এজেন্ট, সুপার এজেন্ট, লোকাল এজেন্ট।*
*এখানে জুয়া খেলতে লাগে পিবিইউ বা পার বেটিং ইউনিট। যার এক ইউনিটের দাম একশ টাকা। ব্যবহারকারী মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে টাকা দেয় লোকাল এজেন্টকে। তার কাছ থেকে পায় মাস্টার এজেন্ট। তারপর সুপার এজেন্টের হাত হয়ে টাকা পাচার হয় দেশের বাইরের থাকা সুপার অ্যাডমিনের কাছে। ফিরতি পথে পিবিইউ পৌঁছায় ব্যবহারকারী হাতে। শুরু হয় জুয়া।*
*যোগাযোগ চলে বিদেশি নাম্বারের হোয়াটস্যাপে। ব্যবহারকারীদের অধিকাংশই তরুণ। ছড়িয়ে গেছে মফস্বলেও। ধরা পড়া চক্রটির ব্যবহারকারী হাজারের ওপরে। আর তাদের সুপার অ্যাডমিনের মালিকানায় আছে এমন একাধিক ওয়েবসাইট।*
*পুলিশ বলছে, অনলাইন জুয়ায় নেশায় পড়ে সর্বস্ব খোয়াচ্ছেন অনেকেই। তাই আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সচেতন হতে হবে ব্যবহারকারীদেরও।*














