প্রচ্ছদ রাজনীতি খালেদার সৌন্দর্য শেষ, বিএনপিরও শক্তি শেষ: জাফরুল্লাহ চৌধুরী

খালেদার সৌন্দর্য শেষ, বিএনপিরও শক্তি শেষ: জাফরুল্লাহ চৌধুরী

147
খালেদার সৌন্দর্য শেষ, বিএনপিরও শক্তি শেষ: জাফরুল্লাহ চৌধুরী

বিএনপির রাজনীতিতে বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের দিন শেষ। তাদের কথা এখন মানতে চায় না দলটির নেতা-কর্মীরা। দুজনই বিভিন্ন মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি। যার কারণে নেতা-কর্মী ও দেশবাসীর কাছে তাদের কদর কমে গেছে। তাই বিএনপিকে পুনরায় চাঙ্গা করে রাজনীতিতে ফেরাতে হলে খালেদা-তারেককে বাদ দিয়ে বিকল্প নেতা খুঁজে বের করতে হবে। সেক্ষেত্রে তারেককন্যা জাইমা রহমান বেস্ট অপশন। জাইমার সৌন্দর্যে তরুণ সমাজ তাড়িত হবে কারণ খালেদার সৌন্দর্য দেখেই মানুষ বিএনপি করতো। বিএনপির রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করে সুন্দরীরা। যার কারণে পুরুষের নেতৃত্বে বিএনপি অচল। বিএনপির নেতৃত্ব পরিবর্তন নিয়ে এমনটাই ভাবনা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর।
পত্রিকার সাথে একান্ত আলাপকালে এসব কথা বলেন বিএনপিপন্থী বুদ্ধিজীবী ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

জাফরুল্লাহ বলেন, বেগম জিয়া সুন্দরী ছিলেন বলেই তার স্বামীর মৃত্যুর পর দলের হাল ধরতে পেরেছিলেন। তার সৌন্দর্যের মোহে পাগল হয়ে তৎকালীন যুবক, মধ্যবয়সী এমনকি কিশোররাও বিএনপির রাজনীতি করতো। বিএনপির রাজনীতি সৌন্দর্য নির্ভর। খালেদা যতোদিন সুন্দর, তেজি ছিলেন, ততোদিন বিএনপি শক্তিশালী ছিলো। বেগম জিয়ার বয়স বাড়ার সাথে সাথে সৌন্দর্য কমে যাওয়ায় বিএনপির সাংগঠনিক শক্তিও কমে গেছে। বেগম জিয়া এখন অশীতিপর নারী। তার রূপ, সৌন্দর্য সব নষ্ট হয়ে গিয়েছে। এছাড়া তিনি দাগি আসামি। তারেকও সাজাপ্রাপ্ত আসামি ও কার্যত পলাতক। বিদেশে বসে বিএনপির রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ হয়েছেন তারেক। সুতরাং খালেদা-তারেকের জয়োধ্বনী তোলা বন্ধ করে জাইমাকে স্বাগত জানাতে হবে বিএনপিকে।

তিনি আরো বলেন, বিএনপির রাজনীতিতে নারী নেতৃত্ব বেশি শক্তিশালী ও গ্রহণযোগ্য। বেগম জিয়ার রূপের মোহে আচ্ছন্ন হয়ে স্বৈরশাসক এরশাদও তার সাথে কঠিন ব্যবহার করতে পারেননি। তাই বিএনপিকে রক্ষা করতে হলে তারেকের সুদর্শন ও সুশ্রী কন্যা জাইমাকেই হাল ধরতে হবে। বেগম জিয়ার মতো জাইমা যুব সমাজকে রূপ, গুণ দ্বারা আকৃষ্ট করতে পারবে। তাই তারেক-জোবায়দাকে বলব, আপাতত জাইমার বিয়ে না দিয়ে তাকে দেশে বিএনপির রাজনীতি করতে পাঠান। তার রূপে বিএনপির মরা গাঙ্গেও ঢেউ সৃষ্টি হতে পারে। জাইমার সৌন্দর্য ও মেধাই পারে বিএনপির ডুবন্ত তরীকে রক্ষা করতে।