প্রচ্ছদ রাজনীতি কে বেশি দামে কিনবে হেফাজতকে, আওয়ামী লীগ না বিএনপি?

কে বেশি দামে কিনবে হেফাজতকে, আওয়ামী লীগ না বিএনপি?

53
কে বেশি দামে কিনবে হেফাজতকে, আওয়ামী লীগ না বিএনপি?

সাম্প্রতিক সময়ে দেশের রাজনীতিতে নতুন করে হেফাজতে ইসলামের নাম আলোচনায় এসেছে। হেফাজতে ইসলাম নিয়ে আওয়ামী লীগ কিএনপির আগ্রাহের কারণে হেফাজতের মূল্য বেড়ে গেছে অনেকগুণ। হেফাজত এখন বিএনপির এবং আওয়ামী লীগের দরকষাকষির পর্যায়ে রয়েছে। যে দল বেশি টাকা দেবে সেই দিকে হেফাজত ঝুঁকবে বলে গুঞ্জন ছড়িয়েছে।
শুরুতেই বাংলাদেশের রাজনীতিতে ধর্মভিত্তিক দলগুলো সেভাব অবস্থান করতে পারেনি। জামায়াতে ইসলাম তাদের আদর্শগত কারণে বাংলাদেশের মানুষের মনে জায়গা করতে পারেনি। সর্বশেষ জ্বালাও পোড়াও, সহিংষতার রাজনীতি করায় নিজেদের বৈধতাও হারিয়েছে। এই অবস্থায় হঠাৎ করে ২০১৩ সালের ৫মে হেফাজতে ইসলাম ঢাকায় বড় ধরনের সমাবেশ করে নিজেদের অবস্থান জানান দেয়। এরপর থেকে রাজনীতিতে হেফাজতে ইসলাম নিয়ে নতুন করে জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়।

আর এরই ধারাবাহিকতায় আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি তখন হেফাজতকে নিজের দিকে টানার চেষ্টা করে এবং শেষ পর্যন্ত হেফাজতের তখনকার আমীর আল্লামা শাহ আহমেদ শফী আওয়ামী লীগের সাথে সমন্বয় করে। এরপর সকরার হেফাজতের প্রতি বিশেষ দৃষ্টি দিয়ে তাদের অনেক দাবি দাওয়া মেনে নেয় এবং সর্বশেষ শোকরানা মাহফিলের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কওমী জননী হিসেবে সম্মাননা দেয়া হয়। তখন পর্যন্ত আওয়ামী লীগের সাথে হেফাজতের সম্পর্ক ভালোই চলছিলো কিন্তু হেফাজতের আমীর আল্লামা শফী মৃত্যুর পর হেফাজতে ভাঙন শুরু হয় এবং একটা অংশ বিএনপি-জামায়াতের দিকে ঝুকে পড়ে। এই অবস্থায় রাজনৈতিক মহলে আবার হেফাজত নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।
এরপর হেফাজতে ইসলামের নতুন আমীর হয়েছেন জুনায়েদ বাবুনগরী আর নতুন মহাসচিব হয়েছেন নূর হোসেন কাসেমীকে। তবে এই কমিটিকে প্রত্যাখ্যান করেছেন হেফাজতে ইসলামের প্রয়াত আমির আল্লামা শফীর ছেলে আনাস মাদানী ও তাঁর অনুসারীরা। এখন ভাগ করার ফলে অখণ্ড হেফাজতের শক্তি কমে যাচ্ছে।

বিএনপি-জামায়াত বাবুনগরী আর নূর হোসেন কাসেমীকে মহাসচিব বানিয়েছে নিজেদের স্বার্থের জন্য। তবে হেফাজতের এই বিভক্তিতেতে বিএনপি কতোটা সুবিধা করতে পারবে সেটাই দেখার বিষয়।
অন্যদিকে আল্লামা শফী ছিলেন হেফাজতের অবিসংবাদিত নেতা। কাজেই আল্লামা শফীর অনুসারীদের একটা বড় অংশই তার ছেলে এবং পরিবারের সদস্যদের দিকে ঝুকছে। আর এই অংশটা আওয়ামী লীগের সাথে সম্পর্ক রেখে চলছে বলে বিভিন্ন মহল থেকে শোনা যাচ্ছে। আর এই অংশটাকে নিয়ে আওয়ামী লীগ দক্ষিণপন্থী রাজনৈতিক দলগুলোকে কাছে রাখতে পারবে। আর সে কারণে আওয়ামী লীগও চাইছে যেকোনো মূল্যে হেফাজতে ইসলামকে নিজেদের পক্ষে সামিল করতে। তবে হেফাজত শেষ পর্যন্ত কোন দিকে যাবে সেটাই দেখার বিষয়।

ম্যারাডোনার মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী যা বললেন
কিংবদন্তি ফুটবলার দিয়েগো ম্যারাডোনার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী এই ফুটবল মহানায়কের আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।
গকাল বুধবার (২৫ নভেম্বর) রাতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক শোকবার্তায় শেখ হাসিনা বলেন, ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা এই আর্জেন্টাইন খেলোয়াড় বিশ্বের ফুটবলপ্রেমীদের হৃদয়ে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন এবং যুগে যুগে তার ক্রীড়া নৈপুণ্য ভবিষ্যৎ ফুটবল খেলোয়াড়দের অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে।
এর আগে বুধবার বাংলাদেশ সময় রাত পৌনে ১১টার দিকে আর্জেন্টিনার ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন এক বিবৃতিতে ম্যারাডোনার মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করে। সংস্থাটির প্রধান ক্লাওদিও তাপিয়া শোকবার্তায় বলেন, ‘আমাদের কিংবদন্তির মৃত্যুতে আমরা গভীর শোকাহত। দিয়েগো আরমান্দো ম্যারাডোনা। সবসময় তুমি আমাদের হৃদয়ে থাকবে।