প্রচ্ছদ বাংলাদেশ জাতীয় ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর শপথ, অবশেষে আজই মন্ত্রিসভার রদবদল

ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর শপথ, অবশেষে আজই মন্ত্রিসভার রদবদল

89
ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর শপথ, অবশেষে আজই মন্ত্রিসভার রদবদল

অবশেষে আজ মঙ্গলবার (২৪ নভেম্বর) মন্ত্রিসভার রদবদল হচ্ছে। আজ বঙ্গভবনে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে পারেন জামালপুরের সাংসদ সদস্য ফরিদুল হক খান। এ ব্যাপারে বঙ্গভবন সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
দীর্ঘদিন ধরে মন্ত্রিসভা রদবদলের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিলো। নতুন একজন প্রতিমন্ত্রী শপথ নিলেও মন্ত্রিসভায় বড় ধরনের রদবদল হবে কিনা তা স্পষ্ট নয়।
সরকারের একটি দায়িত্বশীল সূত্র বলছে যে, আজ বোঝা যাবে শুধুমাত্র একজন প্রতিমন্ত্রী নিয়োগ দেয়া হচ্ছে নাকি মন্ত্রিসভার বড় ধরনের রদবদল হচ্ছে।
উল্লেখ্য, গত ১৪ জুন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ আবদুল্লাহ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তিনি টেকনোক্র্যাট (সাংসদ নন) কোটায় প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। এরপর থেকে ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর পদ শূন্য ছিল। আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সাংসদের নাম ধর্ম প্রতিমন্ত্রী হিসেবে এত দিন আলোচনায় ছিল।

আওয়ামী লীগের কোন্দল থামছে না কেন?
খবরের কাগজ কিংবা টেলিভিশনের খবরে দেখা যাচ্ছে কোথাও না কোথাও আওয়ামী লীগের দলীয় কোন্দলের কারণে সংঘর্ষ হচ্ছে। দলীয় কোন্দল ঠেকাতে এতো ব্যবস্থা নেয়ার পরেও দলীয় কোন্দল থামছে না কেন তা নিয়ে নানা মহলে আলোচনা চলছে।
দলীয় কোন্দলের বিষয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলেছেন, দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার কারণে আওয়ামী লীগে এতো বেশি অনুপ্রবেশকারী ঢুকে পড়েছে যে এদেরকে নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে। আর এই অনুপ্রবেশকারীদের কারণে অনেক সময় দেখা যাচ্ছে আওয়ামী লীগের দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত নেতাকর্মীরাও কোণঠাসা হয়ে পড়ছে। এই কারণে দলীয় কর্মী এবং অনুপ্রবেশকারীদের মধ্যে এক ধরনের ক্ষমতার পার্থক্য তৈরি হয়। এক পর্যায়ে গিয়ে সংঘর্ষ-সহিংষতা হচ্ছে এবং এসব ঘটনার কারণে আওয়ামী লীগের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলে মনে করছেন অনেকে।

আওয়ামী লীগের একজ শীর্ষ নেতা বলেছেন, দলীয় কোন্দলের বিষয়টা নিয়ে দলের মধ্যে অস্বস্তি রয়েছে। এসব অনুপ্রবেশকারীদের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যে কঠোর হুশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন, তবুও স্থানীয় পর্যায়ে অনুপ্রবেশকারীদের দৌড়াত্বের কারণে বাড়ছে দলীয় কোন্দল। বিশেষ করে অনুপ্রবেশকারীদের কারণে অনেক ক্ষেত্রে দলীয় কর্মীরাই দলীয় কর্মসূচিতে একপেশে হয়ে পড়ছে।
এতোদিন অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কেউ কথা বলতো না। কিন্তু অনুপ্রবেশকারীদের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর শক্ত অবস্থানের কারণে এখন অনেকেই প্রকাশ্যে কথা বলা শুরু করেছে। এতে করে একদিকে অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে দলের দীর্ঘ দিনের পরীক্ষিত নেতাকর্মীর কথা বলছে অন্যদিকে অনুপ্রবেশকারীরা নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে আরো বেশি সোচ্চার হচ্ছে ফলে বাড়ছে দলীয় কোন্দল বাড়ছে।