প্রচ্ছদ অর্থ-বাণিজ্য চীনে শুল্কমুক্ত সুবিধা: ৮,৫৪৯ পণ্যের তালিকা প্রকাশ

চীনে শুল্কমুক্ত সুবিধা: ৮,৫৪৯ পণ্যের তালিকা প্রকাশ

21
চীনে শুল্কমুক্ত সুবিধা: ৮,৫৪৯ পণ্যের তালিকা প্রকাশ

বর্তমানে চীনে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাচ্ছে ৮ হাজার ৫৪৯টি বাংলাদেশি পণ্য। এসব পণ্যের তালিকা প্রকাশ করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
চীনের দেওয়া এই সুবিধা কাজে লাগাতে পারলে বৈশ্বিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের জন্য নতুন দুয়ার উন্মোচিত হবে, পাশাপাশি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভিত আরও মজবুত হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
রবিবার ১২৭৯ পৃষ্ঠার তালিকা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাসের কারণে রফতানি পণ্যের বাজার যখন সংকুচিত হয়ে আসছিল, ঠিক তখনই চীনের বাজারে আরও পাঁচ হাজার ১৬১টি পণ্যে ৯৭ শতাংশ শুল্কমুক্ত সুবিধা পায় বাংলাদেশ। নতুন সুবিধা পাওয়া পণ্য নিয়ে গত ১৬ জুন মোট আট হাজার ২৫৬টি পণ্যের ক্ষেত্রে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার দেওয়ার ঘোষণা দেয় চীন সরকার। গত ১ জুলাই থেকে এ সুবিধা কার্যকরও হয়েছে। কিন্তু সেগুলো চীনা ভাষায় হওয়ায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয় তখন ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে পারেনি। দেরিতে হলেও অবশেষে সেই পণ্যের তালিকা ইংরেজি ভাষায় প্রকাশ করল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) সূত্রে জানা গেছে, চীন সরকার শুল্কমুক্ত সুবিধা ঘোষণা দেওয়ার পর গত ২৪ জুন বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ব্যবসায়ীদের সংগঠন এফবিসিসিআই, বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ-কে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি দেয়।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ‘দীর্ঘ আলোচনার পর গত ১৬ জুন চীন বাংলাদেশকে ৯৭ শতাংশ পণ্যে অর্থাৎ আট হাজার ২৫৬টি পণ্যে শুল্ক ও কোটামুক্ত প্রবেশাধিকার সুবিধা প্রদান করেছে। যা ২০২০ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে। চীন প্রদত্ত শুল্কমুক্ত ও কোটামুক্ত পণ্যের তালিকা ‘Import and Export Tariff of People’s Republic of China, 2020’ -এর http://gss.mof.gov.cn ওয়েব লিংকে পাওয়া যাবে। চীনের বাজারে ৯৭ শতাংশ বাংলাদেশি পণ্য রফতানিতে শুল্ক ও কোটামুক্ত প্রবেশাধিকার সুবিধা প্রদানের বিষয়টি আপনার সংগঠনের সকল সদস্যকে অবহিত করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হল। ’

৮ বছর পর বাংলাদেশকে কালো তালিকামুক্ত করল ইতালি
দীর্ঘ আট বছর পর বাংলাদেশকে কালোতালিকামুক্ত করেছে ইতালি সরকার। এতে করে দেশটিতে সিজনাল ও ননসিজনাল ভিসায় প্রবেশের সুযোগ পাবেন বাংলাদেশিরা।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, আমাদের অনুরোধে ইতালীয় সরকার শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশকে মৌসুমি ও অমৌসুমি শ্রমিক কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করতে রাজি হয়েছে।

এর আগে এ কর্মসূচির শর্ত লঙ্ঘন করায় বাংলাদেশি খামার শ্রমিকদের এই সুবিধা থেকে প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছিল।
সোমবার ইতালির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে এ সংক্রান্ত একটি নোটিশ প্রকাশ করা হয়। সিজনাল ভিসায় কৃষি, হোটেল ও পর্যটন খাতে ছয় মাসের জন্য বিদেশি শ্রমিক নিয়োগ দেয় ইতালি সরকার।
যেসব দেশ থেকে শ্রমিক আসতে পারবে, তার মধ্যে রয়েছে– আলবেনিয়া, আলজেরিয়া, বাংলাদেশ, বসনিয়া-হার্জেগোভিনা, দক্ষিণ কোরিয়া, আইভরিকোস্ট, মিসর, এল সালভাদর, ইথিওপিয়া, ফিলিপাইন, গাম্বিয়া, ঘানা, জাপান, ভারত, কসোভো, মালি, মরক্কো, মরিশাস, মলডোভা, মন্টিনিগ্রো, নাইজার, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান, উত্তর মেসিডোনিয়া প্রজাতন্ত্র, সেনেগাল, সার্বিয়া, শ্রীলংকা, সুদান, তিউনিশিয়া ও ইউক্রেন।