প্রচ্ছদ রাজনীতি জামায়াত শিয়াদের মধ্যে প্রচলিত মুতআ বিয়ে চালু করছে

জামায়াত শিয়াদের মধ্যে প্রচলিত মুতআ বিয়ে চালু করছে

299
জামায়াত শিয়াদের মধ্যে প্রচলিত মুতআ বিয়ে চালু করছে

দেশে ধর্ষণ হত না, তা নয়। স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, গির্জা, পাড়া মহল্লা সবখানেই কম বেশী ধর্ষণ বা গণ ধর্ষণের খবর ছিল। কিন্তু হঠাৎ করেই সারা দেশে ধর্ষণ বেড়ে গেছে। রাস্তায় নেমেছে বিতর্কিত বাম, ডান আর জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মী মানে রোকন, সমর্থক আর জামায়াত সমর্থিত ছাত্রীদের সংগঠন ইসলামী ছাত্রী সংস্থার মেয়েরা। তারা রাস্তায় নেমে নিজেদের ইজ্জতের বিনিময়ে শেখ হাসিনার পদত্যাগ দাবি করেছে। তারা বলেছে, আগে শেখ হাসিনার পদত্যাগ পরে ধর্ষকের বিচার। নিত্যনতুন ইসলামী ছাত্রী সংস্থার যুবতী মেয়েদের পেয়ে বিতর্কিত বাম ও ডানেরা আন্দোলনের নামে রাস্তায় মাস্তি করছেন বলে গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। তার সাথে সুর মিলাচ্ছে গাড়ির ভিতর অপকর্মের ভিডিও ভাইরাল হওয়া বুদ্ধিজীবীদের দলবল।

একটি গোপন সূত্রে পাওয়া খবরে জানা যায় যে, গত ৫ অক্টোবর ২০২০ তারিখে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কমিটির সেক্রেটারি ডা. শফিকুর রহমান সাক্ষরিত অঞ্চল পরিচালক, জেলা ও মহানগর আমীরগণের উদ্দেশ্যে একটা চিঠি পাঠিয়েছেন। চিঠির একটি কপি আমাদের হাতে এসেছে।
চিঠিতে বলা হয় যে, গত ০৫/১০/২০২০ তারিখে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের এক সভায় নিম্নোক্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে:
১। সারা দেশে ধর্ষণ ও বলাৎকার নিয়ে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা চলছে। তাই সকলের সংযম কামনা করা হয়েছে।
২। আগামী ২০/১০/২০২০ পর্যন্ত জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী ছাত্র শিবির ও ওলামা জনশক্তির কেউ যেন ধর্ষণ ও বলাৎকারে জড়িত না হয় এই মর্মে আদেশ প্রদান করা হয়।

৩। প্রয়োজনের তাগিদে মুতআ বিবাহের জন্য ইসলামী ছাত্রী সংস্থার বোনদের নিকট দ্বীনী ভাইদের খেদমতের আঞ্জাম দেওয়ার নির্দেশ দিয়ে অনুরোধ জানানো হয়।
৪। কোন বিতর্কে না জড়িয়ে নিজেদের জনশক্তিকে হেফাজত কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে বলা হয়।
এজন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখা যায় যে, জনৈক হিজাবী সুন্দরী যুবতী একটা প্লাকাট হাতে নিজের সম্ভ্রমের বিনিময়ে সরকারের পদত্যাগ দাবি করেন। এতে করে দেশে ধর্ষণ বেড়ে যাওয়া, তা নিয়ে আন্দোলনের পটভূমি সম্পর্কে একটা পরিষ্কার ধারণা পাওয়া গেছে।
তাই গণমানুষের প্রাণের দাবির পক্ষে সরকার ধর্ষণের শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ডের আইন প্রণয়নের কথা বললে অনেকেই এখন মৃত্যুদণ্ডের বিরোধিতা করে বক্তৃতা বিবৃতি দিচ্ছেন।