প্রচ্ছদ বাংলাদেশ জাতীয় আহমদ শফীকে হত্যার অভিযোগ, বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

আহমদ শফীকে হত্যার অভিযোগ, বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

472
আহমদ শফীকে হত্যার অভিযোগ, বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

হেফাজত ইসলাম বাংলাদেশের আমির শাহ আহমদ শফীর অস্বাভাবিক মৃত্যুর অভিযোগ করেছেন চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলা ওলামা পরিষদ ও তৌহিদী জনতা। এই নিয়ে রাঙ্গুনিয়া জুড়ে হেফাজত নেতৃবৃন্দের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তার মৃত্যুর জন্য জুনায়েদ বাবু নগরী গং দায়ী বলে জানান নেতৃবৃন্দ। তাই আল্লামা শফীর মৃত্যুর পূর্বেই এই জোনায়েদ বাবু নগরী গংদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানানো হয়। এছাড়া তার নামাজের জানাজাও রাঙ্গুনিয়ায় করার দাবী জানিয়ে লাশের দাফনও রাঙ্গুনিয়ায় করার দাবী জানান তৌহিদী নেতৃবৃন্দ। এসব দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ উপজেলার চন্দ্রঘোনা লিচুবাগানে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ মিছিলটি চন্দ্রঘোনা লিচুবাগান এলাকার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ওলামা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আজিমের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন মাওলানা নাজমুল হক, মাওলানা মো. দিলদার, মাওলানা আহামদ উল্লাহ, মাওলানা মো. সিরাজ, মাওলানা মুহাম্মদ মুবিন, মাওলানা নুরুল আমিন, মাওলানা আবু ছৈয়দ, মাওলানা আব্দুল আজিজ, মাওলানা মো. মামুন, মাওলানা ফয়জুর রহমান প্রমুখ।
চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পাখিয়ারটিলা গ্রামে ১৯১৬ সালে জন্মগ্রহণকারী শাহ আহমদ শফী মৃত্যুকালে দুই ছেলে ও তিন মেয়ে ও অনেক গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন শাহ আহমদ শফী।

হেফাজত আমির আহমদ শফীর অস্বাভাবিক মৃত্যুর অভিযোগ
হেফাজত ইসলামের আমির, চট্টগ্রামের হাটহাজারী বড় মাদ্রাসার দীর্ঘদিনের মহাপরিচালক শাহ আহমদ শফী আজ সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে পুরান ঢাকার আজগর আলী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। তবে তার মৃত্যু স্বাভাবিক মৃত্যু নয় বলে দাবী তার সর্মথকদের।
তাকে কৌশলে খুন করা হয়েছে বলে দাবী তার পরিবার ও অনুসারীদের। আল্লামা আহমদ শফির সাবেক খাদেম মুসলিম উদ্দিন ‘দাবী করেন উপমহাদেশের এই প্রখ্যাত আলেমেদ্বীন হেফাজতের আমীর আল্লামা আহমদ শফিকে জামায়াত শিবিরের ক্যাডারের মাধ্যমে হত্যা করা হয়েছে। জামায়াত শিবিরের ক্যাডারদেরকে জুব্বা– পাগড়ী পরিয়ে তার রুমে ঢোকায় দেয় জুনাইদ বাবু নগরী ও মামুনুল হকের অনুসারীরা। তার খাদেমদেরকে বের করে দিয়ে তাকে গলা টিপে ধরে জামায়াত শিবিরের ক্যাডাররা। পরে হুজুরের নাকে থাকা অক্সিজেন ছিড়ে ফেলে। আরো অভিযোগ উঠেছে, তাকে দু’তলা থেকে টেনে-হিছড়ে নিচে নামিয়ে ফেলে। পরে টানা ৪৮ ঘন্টা অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় দুঘন্টা এ্যাম্বুলেন্স আটকিয়ে রাখে যেন তাকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে না পারে। খুনীদের কঠোর শাস্তি দাবি করেন পরিবারের সদস্য ও পুরো বাংলাদেশে থাকা উনার হাজার হাজার ভক্ত অনুসারী।