প্রচ্ছদ রাজনীতি তারেক ইসরাইলের সাথে বন্ধুত্ব করতে চায় কেনো?

তারেক ইসরাইলের সাথে বন্ধুত্ব করতে চায় কেনো?

63
তারেক ইসরাইলের সাথে বন্ধুত্ব করতে চায় কেনো?

ক্রমেই মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে ইহুদি রাষ্ট্র ইসরাইল। সম্প্রতি কাতার আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিয়ে দেশটির সাথে বিমান যোগাযোগ স্থাপন করায় নড়চড়ে বসেছে মুসলিম বিশ্ব। এদিকে জানা গেছে, বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি না পেলেও রাজনৈতিক দল হিসেবে ইসরাইলের সাথে গোপনে সুসম্পর্ক গড়ে তুলতে চায় বিএনপি। ইসরাইলের সাথে যোগাযোগ স্থাপন ও স্বীকৃতি দেয়া নিয়ে বিএনপিতে চলছে গোপন আলোচনা। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই বিএনপি ইসরাইলের সাথে হাত মেলাতে চায় বলেও গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে।
বিএনপি ঘনিষ্ঠ একাধিক সূত্র বলছে, বৈশ্বিক রাজনৈতিক পট দ্রুত পরিবর্তন হওয়ায় বিএনপিও সেই পরিবর্তনের সাথী হতে চায়। ফিলিস্তিন প্রসঙ্গে ইসরাইলের সাথে কোন ধরনের যোগাযোগ নেই বেশিরভাগ মুসলিম দেশের। কিন্তু ধীরে ধীরে সেই অবস্থার পরিবর্তন হচ্ছে। কাতার সর্বশেষ ইসরাইলের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করেছে।

ধীরে ধীরে মধ্যপ্রাচ্যসহ সারাবিশ্বেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে ইসরাইল। তাই এসব বিবেচনা করেই রাজনৈতিক দল হিসেবে ইসরাইলের সাথে সখ্যতা গড়তে চায় বিএনপি। ইসরাইলের সহায়তায় দেশীয় ও আঞ্চলিক রাজনীতিতে সরূপে ফিরতে চায় বিএনপি। এছাড়া ইসরাইলের সাথে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ভারত ও চীনের মতো শক্তিশালী রাষ্ট্রের ভালো বন্ধুত্ব রয়েছে। তাই ইসরাইলের সাথে বন্ধুত্ব করে মুখ ফিরিয়ে নেয়া শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলোর পুনরায় বন্ধুর তালিকায় স্থান করে নিতে চায় বিএনপি। তাই ইসরাইলের সাথে গোপন বন্ধুত্ব স্থাপনের যৌক্তিকতা তুলে ধরে চলতি মাসের শেষে তারেক রহমানকে জানাবেন বিএনপির কয়েকজন শীর্ষ নেতা। বিএনপি নেতারা ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের আঞ্চলিক এজেন্টদের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করবেন বলেও জানা গেছে।

প্রয়োজনে বিএনপির দু-একজন শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতা বাংলাদেশে গোপনে ইসরাইলের বিজনেস ও পলিটিক্যাল ফ্রন্টম্যান হিসেবেও কাজ করতে ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। তবে যেহেতু বাংলাদেশের বড় একটি অংশ ফিলিস্তিন প্রসঙ্গে ইসরাইল বিরোধী, তাই ইসরাইলের সাথে বন্ধুত্বের বিষয়টি নিয়ে অত্যন্ত গোপনে কাজ করতে চান বিএনপি নেতারা।
গোপন একটি সূত্র বলছে, ইসরাইলকে নিয়ে বাংলাদেশে মুসলমানদের নেতিবাচক মনোভাব রয়েছে। তাই বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ইসরাইলের সাথে বন্ধুত্ব করতে গেলে আগুন নিয়ে খেলা করা হবে বলেও বিএনপিতে গুঞ্জন উঠেছে। বিষয়টি জানাজানি হয়ে গেলে, দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের চোখে ভিলেনে পরিণত হবে বিএনপি, জনবিচ্ছিন্ন হওয়ার শঙ্কা রয়েছে বলে মনে করছে বিএনপির বুদ্ধিজীবীদের একটি অংশ। তাই বিষয়টি নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ প্রয়োজন বলেও মনে করছেন তারা।