প্রচ্ছদ আইন-আদালত *স্বতঃপ্রণোদিত মাম’লা হলো মা-মেয়েকে রশিতে বেঁ’ধে নি’র্যাতনের*

*স্বতঃপ্রণোদিত মাম’লা হলো মা-মেয়েকে রশিতে বেঁ’ধে নি’র্যাতনের*

48
*স্বতঃপ্রণোদিত মামলা হলো মা-মেয়েকে রশিতে বেঁধে নির্যাতনের*

*চকরিয়ায় গরু চুরি সন্দেহে দুই মেয়ে, এক ছেলে ও মাসহ ৫ জনকে রশি দিয়ে বেঁধে নির্যাতনের ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে মামলা দায়ের করেছেন চকরিয়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।
মামলাটি চকরিয়া সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপারকে ৭ কার্য দিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন বিচারক রাজিব কুমার দেব।*
*একই ঘটনায় কক্সবাজার জেলা প্রশাসক ও চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় হতে পৃথক দুইটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের কমিটিতে স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক (উপ-সচিব) শ্রাবস্তী রায়কে প্রধান করা হয়েছে।*
*এদিকে, গতকাল বেলা ১টায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার সৈয়দ শামসুল তাবরীজ সনেট, চকরিয়া সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার কাজী মো. মতিউল ইসলাম ও চকরিয়া থানার ওসি মো. হাবিবুর রহমান। এ সময় তারা ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা শোনেন।*

*চকরিয়া সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার কাজী মো. মতিউল ইসলাম বলেন, চকরিয়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত স্বপ্রণোদিত হয়ে হারাবাংয়ের ভাইরাল হওয়া ঘটনায় জনস্বার্থে একটি মামলা নিয়েছেন। মামলাটি তাকে (চকরিয়া সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার) ৭ কার্য দিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন। আদালতের উক্ত নির্দেশনাপত্রটি হাতে পেয়েছেন বলে জানান তিনি।*
*শাশুড়ির পর্নোগ্রাফি মামলায় গ্রেফতার হলেন জামাই!*
*লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় শাশুড়ির করা পর্নোগ্রাফি মামলায় মেয়ের জামাইকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রবিবার বিকেলে আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গ্রেফতার ইকবাল হোসেন মান্না ওই উপজেলার টংভাঙ্গা ইউপির বাড়াইপাড়া গ্রামের মানিক মিয়ার ছেলে। শনিবার রাত ১ টার দিকে নীলফামারীর জলঢাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।*

*হাতীবান্ধা থানার ওসি ওমর ফারুক জানান, একই উপজেলার সির্ন্দুনা ইউপির এক মেয়ের সঙ্গে প্রথমে প্রেম পরে বিয়ে হয় ইকবাল হোসেন মান্নার। কয়েকদিন সংসার করার পর তাদের মধ্যে কলহ শুরু হয়। তিন মাস ধরে ওই মেয়ে বাবার বাড়িতে অবস্থান করছে। এই সুযোগে ইকবাল হোসেন মান্না স্ত্রীর সঙ্গে তোলা বেশ কিছু অন্তরঙ্গ ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে দেন। ওই ঘটনায় মামলা করেন ওই মেয়ের মা।*
*ওসি আরো জানান, মামলার পর ইকবাল হোসেন মান্নাকে গ্রেফতারে অভিযান চালানো হয়। কিন্তু তিনি গা ঢাকা দেন। শনিবার রাত ১ টার দিকে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে নীলফামারী জলঢাকা উপজেলা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। রবিবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে ইকবাল হোসেন মান্নাকে।*
*এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্ত্রীর অশালিন ছবি ছড়িয়ে দেওয়ায় পুরো জেলা জুড়ে নিন্দার ঝড় উঠেছে। ওই মেয়েটি নিজের আত্মসম্মান ক্ষুণ্ণ হওয়ায় রবিবার রাতে আত্মহত্যারও চেষ্টা চালান বলে বাংলাদেশ প্রতিদিনকে জানান ওসি ফারুক।*