প্রচ্ছদ আইন-আদালত *সিনহা হ’ত্যা; সব আ’সামী পুলিশ হেফা’জতে*

*সিনহা হ’ত্যা; সব আ’সামী পুলিশ হেফা’জতে*

96
*সিনহা হত্যা; সব আসামী পুলিশ হেফাজতে*

*সাবেক সে’না কর্মকর্তা সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হ’ত্যা মামলায় কক্সবাজারের টেকনাফ থানার প্রত্যাহারকৃত ওসি প্রদীপ কুমার দাস পুলিশের কাছে আত্মসমার্পন করেছে।*
*জানা যায়, প্রদীপ কুমার অসুস্থতাজনিত কারণে চট্টগ্রামের লালখান বাজারের পুলিশ লাইন্স হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য যান। বৃহস্পতিবার দুপুরে সিএমপি সদর দফতরে আসেন তিনি। এরপরই তাকে পুলিশি হেফাজতে নেয়া হয়। দুপুর ২টায় তাকে নিয়ে একটি মাইক্রোবাসে করে কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা হয় পুলিশ। তাকে বহনকারী মাইক্রোবাসের পাশে তিনটি গাড়িতে পোশাক পরিহিত ও সাদা পোশাকে পুলিশ সদস্য ছিল। আরেকটি ভ্যানে সেনাবাহিনীর সদস্যরাও ছিল বলে জানা গেছে।*
*এর আগে বুধবার রাত ১০টায় টেকনাফ থানায় আদালতের নির্দেশে মেজর সিনহার বোনের করা হ’ত্যা মামলাটি নথিভুক্ত হয়। ওইদিন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩, টেকনাফের বিজ্ঞ বিচারক তামান্না ফারহার আদালতে অভিযোগ দায়ের করেন সিনহার বোন শারমিন শাহরিয়া। পরে আদালত সেটি টেকনাফ থানাকে মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করার নির্দেশ দেন। এছাড়া মামলার তদন্তভার দেয়া হয় র‌্যাব-১৫ এর অধিনায়ককে।*

*মেজর সিনহার বোনের দায়ের করা মামলায় বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইন্সপেক্টর লিয়াকতকে প্রধান আসামি ও টেকনাফ থানার প্রত্যাহারকৃত ওসি প্রদীপ কুমার দাসকে দ্বিতীয় আসামি করে আরও ৯ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। তাদের সবাইকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।*
*মামলার অন্য আসামিরা হলেন- বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক (এসআই) নন্দ দুলাল রক্ষিত, কনস্টেবল সাফানুর করিম, কামাল হোসেন, আব্দুল্লাহ আল মামুন, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) লিটন মিয়া, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) টুটুল ও কনস্টেবল মোহাম্মদ মোস্তফা।উল্লেখ্য, ৩১ আগস্ট (শুক্রবার) রাত ১০টার দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহ’ত হন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মেজর (অব.) সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান।*