প্রচ্ছদ রাজনীতি *খালেদা জিয়ার বাসায় বসছে ‘রাজনৈতিক বৈঠক’!*

*খালেদা জিয়ার বাসায় বসছে ‘রাজনৈতিক বৈঠক’!*

53
*খালেদা জিয়ার বাসায় বসছে ‘রাজনৈতিক বৈঠক’!*

*প্রমাণিত দুর্নীতি মামলায় ২৫ মাস কারাভোগ শেষে গত ২৫ মার্চ সরকারের মহানুভবতায় সাময়িক কারামুক্তি পেয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। মুক্তির আগে তার পরিবারের পক্ষ থেকে খালেদা রাজনীতিতে সক্রিয় হবেন না মর্মে বলা হলেও সে কথা রাখা হয়নি, বরং তিনি সৌজন্য সাক্ষাতের নামে করেছেন রাজনৈতিক বৈঠক। এমনকি গত ঈদেও তিনি দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যসহ অন্যান্যের সঙ্গে দেখা করেছেন। করেছেন ঘন্টার পর ঘন্টা আলাপচারিতা। এবার ঈদেও তার ব্যতিক্রম হচ্ছেনা বলে গোপন সূত্রে জানা গেছে।*
*সূত্রটির তথ্যমতে, গত ঈদুল ফিতরের ন্যায় এবারও করোনা পরিস্থিতির মধ্যে গুলশানের বাসা ‘ফিরোজা’তে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা বিনিময়ের নামে রাজনৈতিক বৈঠক করবেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। ইতোমধ্যে তার সার্বিক প্রস্তুতিও নিয়েছেন তিনি। এমনকি বাসার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মীদের কড়াভাবে নির্দেশ দিয়েছেন, নির্ধারিত তালিকার বাইরে যেন কেউ ভেতরে প্রবেশ না করে।*

*সূত্রটি আরো জানায়, বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার সঙ্গে ঈদের দিন বোন সেলিমা ইসলাম, ছোট ভাই শামীম এস্কান্দার, শামীম এস্কান্দারের স্ত্রী কানিজ ফাতেমার দেখা হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে। আর এর বাইরে দলের পক্ষ থেকে কারা কারা তার সাক্ষাৎ পাচ্ছেন, সে বিষয়ে পরিষ্কারভাবে কিছু জানা যায়নি। তবে এতোটুকু নিশ্চিত করা হয়েছে, গত ঈদে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ যারা খালেদা জিয়ার সাক্ষাৎ পেয়েছেন এবারও তেমন ‘প্রিয়জন’রা তার সান্নিধ্য লাভ করবেন। করবেন সৌজন্য সাক্ষাতের নামে রাজনৈতিক খোশগল্প।*

*এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ঈদুল ফিতরের দিন সন্ধ্যায় আমরা স্থায়ী কমিটির সদস্যরা মহাসচিবসহ ম্যাডামের সঙ্গে যেভাবে সাক্ষাৎ করেছিলাম এবার ঈদেও সেরকম সাক্ষাতের সুযোগ হতে পারে। তবে স্থায়ী কমিটির সদস্য ছাড়া অন্য কারও সাক্ষাৎ পাওয়ার সুযোগ হবে না।*
*রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বিষধর সাপকে বিশ্বাস করা গেলেও বিএনপি নেতাকর্মীদের বিশ্বাস করা চলে না। কারণ তাদের কথা ও কাজে কোন মিল নেই। দেশবাসী ইতোপূর্বে বহুবার তার প্রমাণ পেয়েছেন। গেল ঈদেও সৌজন্য সাক্ষাতের নামে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক বৈঠক প্রমাণ করে, তারা এমনই। কথা দিয়ে কথা না রাখাটা তাদের ঐতিহ্যগত রাজনৈতিক বৈশিষ্ট্য বৈ অন্য কিছু নয়।*