প্রচ্ছদ প্রবাস *প্রীতি প্যাটেলের বি’রুদ্ধে মুঈনুদ্দীনের মা’মলা: লন্ডন থেকে বি’তাড়িত তারেক?*

*প্রীতি প্যাটেলের বি’রুদ্ধে মুঈনুদ্দীনের মা’মলা: লন্ডন থেকে বি’তাড়িত তারেক?*

124
*প্রীতি প্যাটেলের বিরুদ্ধে মুঈনুদ্দীনের মামলা: লন্ডন থেকে বিতাড়িত তারেক?*

*চোরের মায়ের বড় গলা, অপরাধ করলেও যাবে না বলা- এই অবস্থায় পড়েছেন ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রীতি প্যাটেল। বাংলাদেশের মুক্তিযু’দ্ধে গণহ’ত্যার অপরাধ বিষয়ে টুইটারে তথ্য প্রচার করায় তার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন যুক্তরাজ্যে পলাতক ও মৃ’ত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামী চৌধুরী মুঈনুদ্দীন।*
*তবে যুক্তরাজ্যভিত্তিক বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে অন্যান্য দেশের পালিয়ে থাকা অপরাধীদের বের করে দেয়ার মতো স্পর্শকাতর ইস্যুতে কথা বলায় ভয় পেয়ে মানহানির বিষয়টিকে সামনে এনে মূলত নিজের অপরাধ ঢাকার চেষ্টা করেছেন যু’দ্ধাপরাধী মুঈনুদ্দীন। মূলত অপরাধ আড়াল করে বিদেশে ঘাপটি মেরে লুকিয়ে থাকার বিষয়টি নিয়ে মুখ খোলায় চৌধুরী মুঈনুদ্দীনের রো’ষানলে পড়েছেন প্রীতি প্যাটেল।*

*প্রীতির এমন মন্তব্য যদি যুক্তরাজ্য সরকার কঠিনভাবে নেয় এবং সত্যিকার অর্থেই যদি জামায়াতের সাবেক নেতা মুঈনুদ্দীন, ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক কিংবা বিএনপির দ’ণ্ডিত ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও বিপদে পড়তে পারেন। এমন শঙ্কার বিষয়টি মাথায় রেখে, বিভিন্ন অপরাধের দণ্ড মাথায় নিয়ে বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাজ্যে প’লাতক নেতাদের সাথে পরামর্শ করেই প্রীতি প্যাটেলের বিরুদ্ধে এমন পদক্ষেপ নিয়েছেন মুঈনুদ্দীন।*
*আন্তর্জাতিক চাপ ও অপরাধীদের আশ্রয় দেয়ার মতো স্পর্শকাতর বিষয় নিয়ে যুক্তরাজ্য সরকার যদি সত্যি কঠোর পদক্ষেপ নেয় তবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন তারেক রহমান। প্রীতি প্যাটেলের অপরাধীদের ফেরত পাঠানোর ইঙ্গিত ও চৌধুরী মুঈনুদ্দীনের মামলা সংক্রান্ত ইস্যুতে নতুন করে ভাবনায় পড়েছে যুক্তরাজ্য বিএনপির নেতৃবৃন্দ। কারণ শুধু তারেক রহমানই নন, বিএনপির শত শত কর্মী নানা অপরাধের দায় নিয়ে দেশটিতে আশ্রয় গ্রহণ করেছেন। এখন যদি যুক্তরাজ্য সরকার তাদের ফেরত পাঠায় তবে এটি হবে তাদের জন্য সবচেয়ে বড় শাস্তি। যার কারণে বিষয়টি নিয়ে অস্বস্তিতে রয়েছেন তারেক রহমানও।*

*অপরাধীদের ফেরত পাঠানো বা তাদের বিষয়ে যুক্তরাজ্য সরকারের অবস্থানের বিষয়ে জানতে চাইলে যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি এম এ মালিক বলেন, প্রীতি প্যাটেলের এমন মন্তব্য নিয়ে তারেক রহমানের উদ্বিগ্ন হওয়াটা স্বাভাবিক। কারণ তারেক রহমান এই দেশে আশ্রিত। তিনি তো নাগরিক নন।*
*এছাড়া তার বিরুদ্ধে দেশে মামলা রয়েছে, সাজাও দেয়া হয়েছে। আর এই মুহূর্তে বাংলাদেশে ফেরত যেতে চান না তারেক, সেই রাজনৈতিক পরিবেশও নেই। তাই প্রীতি প্যাটেল ও চৌধুরী মুঈনুদ্দীন ইস্যুতে আমাদের দুশ্চিন্তা থেকেই যায়। এরপরও আমরা আমাদের আইনজীবী লর্ড কার্লাইলের সাথে যোগাযোগ রাখছি। আশাকরি একটা পথ বের হবে।*