প্রচ্ছদ আইন-আদালত *সাহেদকে বোরকা পরা অবস্থায় গ্রেফতার করা হয়*

*সাহেদকে বোরকা পরা অবস্থায় গ্রেফতার করা হয়*

47
*সাহেদকে বোরকা পরা অবস্থায় গ্রেফতার করা হয়*

*বহুল আলোচিত রিজেন্ট হাসপাতাল প্রতারণা মামলার প্রধান পলাতক আসামি ও রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ করিম অবশেষে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ানের (র‌্যাব) হাতে ধরা পড়েছেন। বুধবার ভোরে সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার কোমরপুর গ্রামের লবঙ্গবতী নদীর তীর সীমান্ত এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।*
*বোরখা পরা অবস্থায় সাহেদকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। পালিয়ে থাকতে চুলের কালো রং করে এবং গোঁফ কেটে তিনি চেহারা বদলের চেষ্টা করেন। ভারতে পালিয়ে গিয়ে সাহেদ আত্মগোপন করতে মাথা ন্যাড়া করার পরিকল্পনা করেছিলেন বলে জানিয়েছেন র‌্যাবের কর্মকর্তারা।*

*সাতক্ষীরার সীমান্ত এলাকায় মাছের ঘেরে লুকিয়ে ছিলেন সাহেদ। ভোর পাঁচটার দিকে দেবহাটা থানার লবঙ্গপতি গ্রাম থেকে একটি পিস্তল ও তিন রাউন্ড গুলিসহ তাকে গ্রেফতার করা হয়।*
*সাহেদকে সাতক্ষীরা থেকে গ্রেফতারের পর হেলিকপ্টার যোগে ঢাকায় আনা হচ্ছে। ঢাকায় আনার আগে ব্রিফিংয়ে র‌্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক কর্নেল তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, পালিয়ে থাকার সময় তিনি ঘন ঘন অবস্থান পরিবর্তন করেন। বোরখা পরে নৌকায় ওঠার আগ মুহূর্তে ধরা পড়েন।*
*সাহেদকে গ্রেফতারে কর্নেল তোফায়েল আহমেদ নেতৃত্বে র‌্যাবের গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান লেফটেন্যান্ট কর্নেল সরোয়ার বিন কাসেমসহ র‌্যাব ৬-এর একটি দলের সহযোগিতায় এ অভিযান চালানো হয়।*

*ঢাকায় সাহেদ*
*রিজেন্ট হাসপাতাল প্রতারণা মামলার প্রধান আসামি ও রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান সাহেদকে গ্রেপ্তার করে ঢাকায় এনেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। আজ বুধবার সকাল নয়টায় সাহেদকে নিয়ে র‌্যাবের হেলিকপ্টারটি রাজধানীর তেজগাঁওয়ের পুরাতন বিমানবন্দরে অবতরণ করে।কিছুক্ষণের মধ্যেই তাকে র‌্যাব সদর দপ্তরে নিয়ে যাওয়া হবে বলে জানা গেছে।*
*এর আগে, আজ বুধবার (১৫ জুলাই) ভোর ৫টা ১০ মিনিটে সাতক্ষীরা সীমান্তের দেবহাটা থানার সাকড় বাজারের পাশে অবস্থিত লবঙ্গপতি এলাকায় নৌকায় পালিয়ে থাকা অবস্থায় সাহেদকে গ্রেপ্তার করা হয়। স্থানীয় একজন কালোবাজারির মাধ্যমে ডিঙি নৌকায় চেপে ভারতে পালানোর চেষ্টা করছিলেন তিনি।*

*বোরকা পরে নৌকায় উঠেছিলেন তিনি। ঠিক সেই সময় র‍্যাবের বিশেষ টিম অভিযান চালিয়ে তাকে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করে। র‍্যাব জানিয়েছে, তাদের একটি গোয়েন্দা দলের সাহেদকে অনুসরণ করছিল।*
*প্রসঙ্গত, গত ৬ জুলাই করোনা পরীক্ষার ভুয়া রিপোর্ট দেয়ার অভিযোগে র‍্যাব উত্তরার রিজেন্ট হাসপাতালে অভিযান চালায়। এরপর রিজেন্ট হাসপাতালের উত্তরা ও মিরপুর শাখা সিলগালা করে দেয়া হয়। ৭ জুলাই করোনা পরীক্ষা না করেই সার্টিফিকেট প্রদানসহ বিভিন্ন অভিযোগে রিজেন্ট হাসপাতালের বিরুদ্ধে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করে র‌্যাব। মামলার এজাহারে রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান সাহেদ করিমকে প্রধান আসামি করে ১৭ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। এরপর থেকেই পালিয়ে ছিলেন সাহেদ। তাকে গ্রেপ্তারে দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালায় র‌্যাব। অবশেষে সাতক্ষীরা থেকে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় তারা।*