প্রচ্ছদ বিশ্ব *নেপাল হয়েই ভারতে হা’মলার ছ’ক কষেছিল চীন!*

*নেপাল হয়েই ভারতে হা’মলার ছ’ক কষেছিল চীন!*

127
*নেপাল হয়েই ভারতে হামলার ছক কষেছিল চীন!*

*ভারতে বড়সড় হামলার ছক কষেছিল চীন। ১৯৬২ সালে এই হামলার ছক ছিল চীনের। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ’র রিপোর্টে উঠে আসে এমনই এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। বছরখানেক আগে এই সংক্রান্ত একটি রিপোর্ট আসে। সেখানেই এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছিল।*
*বছরখানেক এই রিপোর্ট সেই সময় জানায় যে, ১৯৬২ সালে ভারত-চীন সীমান্তে যুদ্ধের পর ফের ভারতে হামলার ছক কষেছিল বেইজিং। একেবারে গোপনে নেপাল, ভুটান এবং মিয়ানমার হয়ে অতর্কিতে ভারতে হামলা চালানোর পরিকল্পনা করেছিল চীন।*
*মূলত তিব্বত নিয়ে সমস্যা এবং সীমান্তে ভারতের সঙ্গে সমস্যার জেরে ১৯৬২ সালে প্রায় এক মাস ধরে যুদ্ধ করে চীন। মাস ধরে চলা যুদ্ধ শেষে ভারতীয় ভূখণ্ড থেকে সেনা প্রত্যাহার করে নেয় চীন এবং যুদ্ধ বিরতি ঘোষণা করে বেইজিং। এক তরফাভাবে ওই সময় যুদ্ধ বিরতি ঘোষণা করার পর ফের ভারতে হামলা চালানোর পরিকল্পনা করে চীন।*

*শুধু তাই নয়, উত্তরাখন্ড, গুয়াহাটি সহ গোটা উত্তর-পূর্ব ভারত যাতে দখল করা যায়, সে বিষয়েই পরিকল্পনা করেছিল চীন। আকাশ পথেই গোটা উত্তর ভারত দখলের পরিকল্পনা চীনের ছিল বলে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা দাবি করেছে।*
*অন্যদিকে, চীনের উদ্দেশ্যে বারবার ভারত বন্ধুত্বের বার্তা দিলেও চীন সরকার যে কখনও মেনে নেয়নি, সেই বিষয়টিও মার্কিন গোয়েন্দাদের রিপোর্টে তুলে ধরা হয়। বছরখানেক আগে সামনে আসা এই মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্ট ঘিরে শুরু হয় জোর বিতর্ক। সেই সময় তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছিল চীন। এমনকি এই রিপোর্টের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে উঠেছিল প্রশ্ন।*

*সম্প্রতি, উপগ্রহ চিত্রে দেখা গেছে ভারতের প্যাংগং লেকের ধারে গড়ে উঠেছে অসংখ্য অস্থায়ী ক্যাম্প। রয়েছে সাজোঁয়া গাড়ি, ও সমরাস্ত্র। অর্থাৎ এটা পরিষ্কার যে ভারতকে চাপে রাখতে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে চীন। ভারতীয় সেনা বরাবরই ফিঙ্গার ১ থেকে ৮ পর্যন্ত টহল দেয়। কিন্তু এবার তা করতে গিয়ে বাধা পাচ্ছে নয়াদিল্লি। চীন দাবি করছে ফিঙ্গার ৮ থেকে ফিঙ্গার ৪ পর্যন্ত তাদের এলাকা, যা কখনই মেনে নেবে না ভারত।*
*প্রায় ৮১ মিটার লম্বা ও ২৫ মিটার চওড়া যে মানচিত্র ও লিপি আঁকা হয়েছে, তা স্পষ্ট চোখে পড়ছে। এইচডি মানের উপগ্রহ চিত্র আরও দেখাচ্ছে যে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে উস্কানি দিতেই এই মানচিত্র ও লিপি আঁকা হয়েছে। এই ছবি ২৬ জুন তোলা হয়। পরে তা প্রকাশ্যে আসে। এই মানচিত্র ও লিপি ম্যান্ডারিন ভাষায় লেকের ধারে আঁকা হয়েছে। সূত্র: কলকাতা২৪*

*এবার ভারতীয় ভূখণ্ডে মানচিত্র এঁকে দিল চীন!*
*ফের দাদাগিরি চীনের। একদিকে আলোচনা চালিয়ে যাওয়া, অন্যদিকে সমানে উস্কানিমূলক কাজ করে যাওয়া। আপাতত এই দুই নৌকায় পা দিয়েই বেইজিং চলছে। উপগ্রহ চিত্রে ধরা পড়েছে প্যাংগং লেকের ফিঙ্গার ৪ ও ফিঙ্গার ৫-এর মধ্যে নিজেদের মানচিত্র ও লিপি এঁকে রেখেছে চীনা সেনারা। উল্লেখ্য, প্যাংগং লেকের ফিঙ্গার ৪ পুরোপুরিভাবে ভারত ভূখণ্ডে অবস্থিত।*
*উপগ্রহ চিত্রে দেখা গেছে সেখানে গড়ে উঠেছে অসংখ্য অস্থায়ী ক্যাম্প। রয়েছে সাজোঁয়া গাড়ি, ও সমরাস্ত্র। অর্থাৎ এটা পরিষ্কার যে ভারতকে চাপে রাখতে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে চীন। ভারতীয় সেনা বরাবরই ফিঙ্গার ১ থেকে ৮ পর্যন্ত টহল দেয়। কিন্তু এবার তা করতে গিয়ে বাধা পাচ্ছে নয়াদিল্লি। চীন দাবি করছে ফিঙ্গার ৮ থেকে ফিঙ্গার ৪ পর্যন্ত তাদের এলাকা, যা কখনই মেনে নেবে না ভারত।*

*প্রায় ৮১ মিটার লম্বা ও ২৫ মিটার চওড়া যে মানচিত্র ও লিপি আঁকা হয়েছে, তা স্পষ্ট চোখে পড়ছে। এইচডি মানের উপগ্রহ চিত্র আরও দেখাচ্ছে যে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে উস্কানি দিতেই এই মানচিত্র ও লিপি আঁকা হয়েছে। এই ছবি ২৬ জুন তোলা হয়। পরে তা প্রকাশ্যে আসে। এই মানচিত্র ও লিপি ম্যান্ডারিন ভাষায় লেকের ধারে আঁকা হয়েছে।*
*সাম্প্রতিক ভারত-চীন সংঘর্ষের আগে এই এলাকা নো ম্যানস ল্যান্ড হিসেবে পরিচিত ছিল। এই এলাকাকেই নিজের বলে দাবি করছে চীনা সেনা। যে লিপি সেখানে লেখা হয়েছে, তার অনুবাদ করলে অর্থ দাঁড়ায় মিডল কিংডম। প্রাচীনকালে চীনের আওতাভুক্ত এলাকা চিহ্নিত করতে এই শব্দবন্ধ ব্যবহার করা হয়।*

*এদিকে, নতুন করে সীমান্তে সেনা মোতায়েন করেছে চীন। সূত্রের খবর, পিপলস লিবারেশন আর্মি বা পিএলএ নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর ফের ২০ হাজারেরও বেশি সেনা মোতায়েন করেছে। পূর্ব লাদাখে এই সেনা মোতায়েনের মত ঘটনা ঘটেছে। চীনা সেনার গতিবিধি কড়া নজরে রেখেছে নয়াদিল্লি।*
*পাশাপাশি ঝিজিয়াং প্রদেশেও ১০-১২ হাজার সেনা মোতায়েন করা হয়েছে বলে খবর। রাখা হয়েছে অত্যাধুনিক সাঁজোয়া গাড়ি ও ভারী অস্ত্র। প্রয়োজন পড়লে যাতে এই সামরিক শক্তি ৪৮ ঘণ্টারও কম সময়ে সীমান্তে পৌঁছতে পারে, সেই ব্যবস্থাও করা হয়েছে।*
*নয়াদিল্লির উচ্চপদস্থ এক সরকারি কর্মকর্তা জানান, চীনা আর্মি দুটি ডিভিশনে ভাগ হয়ে পূর্ব লাদাখ সেক্টরে জড়ো হয়েছে। এক একটি ডিভিশনে ১০ হাজার করে সেনা জওয়ান রয়েছে। উত্তর ঝিজিয়াং প্রদেশেও মোতায়েন করা হয়েছে সেনা, যা সীমান্ত থেকে এক হাজার কিলোমিটার ভিতরে হলেও দ্রুত সীমান্তে বাকি সেনাকে সাহায্য করতে সক্ষম। সূত্র: কলকাতা২৪*