প্রচ্ছদ বিজ্ঞান-প্রযুক্তি *বিজ্ঞানীর দাবি, আসছে সূর্যগ্রহণেই করো’নার বিদায়?*

*বিজ্ঞানীর দাবি, আসছে সূর্যগ্রহণেই করো’নার বিদায়?*

557
*বিজ্ঞানীর দাবি, আসছে সূর্যগ্রহণেই করোনার বিদায়?*

*বিশ্বজুড়ে মহাপ্রলয় সৃষ্টি করেছে আণুবিক্ষণীক জীব করোনাভাইরাস। এরই মধ্যে মারণভাইরাসের ছোবলে প্রাণ গেছে ৪ লাখ ৩৬ হাজারেরও বেশি মানুষের। আক্রান্ত প্রায় ৮০ লাখ। এখনো কোন কার্যকর ওষুধ কিংবা প্রতিষেধক নেই।*
*বিশ্বের বাঘা বাঘা বিজ্ঞানী ও ভাইরোলজিস্টরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। কিভাবে এলো এই মারণ ভাইরাস? কেউ বলেছেন, রাসায়নিক গবেষণাগারে তৈরি হয়েছে করোনা জৈব মারণাস্ত্র। আবার অন্যপক্ষ দাবি করেছেন, প্রকৃতি থেকে স্বাভাবিকভাবেই এই মারণ ভাইরাসের জন্ম হয়েছে।*

*দুপক্ষের দড়ি টানাটানির মাঝে এবার চাঞ্চল্যকর দাবি করে বসলেন ভারতের চেন্নাইয়ের এক বিজ্ঞানী। বললেন, কোনো গবেষণাগার বা পরিবেশ নয়, কভিড-১৯ এর জন্ম রহস্যের সঙ্গে সূর্যগ্রহণের যোগাযোগ রয়েছে। তাঁর এমন দাবিতে নড়েচড়ে বসেছে বিজ্ঞানী মহল। কবে এই ভাইরাসের দাপট শেষ হবে, তা নিয়েও আভাস দিয়েছেন এই বিজ্ঞানী।*
*পারমাণবিক ও ভূ-বিজ্ঞানী ড. কেএল সুন্দর কৃষ্ণা চেন্নাইয়ের বাসিন্দা। তার দাবি, করোনা ভাইরাসের সঙ্গে সূর্যগ্রহণের যোগসূত্র রয়েছে। এই জীবাণুর উৎপত্তি কোনো রাসায়নিক ঘটনা নয়, বরং মহাজাগতিক ঘটনার ফলাফল এই মহামারি। মহাকাশ থেকেই এসেছে এই মারণ ভাইরাস।*

*কিভাবে ঘটল এমন ঘটনা? গত বছর ডিসেম্বরে শেষের দিকে চীনের উহান শহরে প্রথম করোনাভাইরাসের সংক্রমণের খবর মেলে। বিজ্ঞানী কৃষ্ণার দাবি, ২৬ ডিসেম্বর ছিল সূর্যগ্রহণ। তারপর থেকেই এমন একটা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার খবর পাওয়া গিয়েছিল।*
*ড. কেএল সুন্দর কৃষ্ণার দাবি, সূর্যগ্রহণের সময় পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের স্তরে রাসায়নিক বদল হয়েছিল। আর তার থেকেই এই ভাইরাসের জন্ম। আবার পরবর্তী সূর্যগ্রহণের সঙ্গে সঙ্গেই পৃথিবী থেকে এই করোনাভাইরাস বিলীন হয়ে যাবে বলে দাবি করেছেন ওই বিজ্ঞানী। তাঁর কথায়, আগামী ২১ জুন একই সঙ্গে সূর্যের বলয়গ্রাস ও পূর্ণগ্রাস গ্রহণ হবে। সেদিনই এই জীবাণুর দাপট শেষ হবে।*

*ড. কৃষ্ণা নিজের তত্ত্ব দিয়ে এর ব্যাখা করেছেন। তার কথায়, সূর্যগ্রহণের সময় পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে তড়িতাহত কণাদের মধ্যে একটা বড়সড় রাসায়নিক বদল হয়েছিল। এমন এক বায়ো-নিউক্লিয়ার রিঅ্যাকশন যার কারণে নিউট্রনের বদল শুরু হয়। এমন এক পরিস্থিতি তৈরি হয় যাতে করোনাভাইরাসের নিউক্লিয়াস তৈরি হয়। এই বায়ো-নিউক্লিয়ার ইন্টার‍্যাকশনই ভাইরাস তৈরির অন্যতম কারণ। এই স্তরটিকে বলা হয় ‘ডি-লেভেল’। তবে এই স্তরে কিভাবে ভাইরাস তৈরি হতে পারে তার কোনো ধারণাই দিতে পারছেন না বিজ্ঞানীরা। সূত্র- হিন্দুস্তান টাইমস।*

*জাপানের প্রযুক্তির সহায়তায় ফের চাঁদে পাড়ি দেবে ভারত*
*চন্দ্র অভিযানে ভারতের যাতে আর কোনও সমস্যা না হয়, তা নিশ্চিত করতে এগিয়ে এলো জাপান। চাঁদের মাটিতে সফল অবতরণে এবার ইসরোকে সাহায্য করবে জাপান এয়ারস্পেস এক্সপ্লোরেশন এজেন্সি)।*
*ভারতের সঙ্গে যৌথভাবে চন্দ্রাভিযানের পরিকল্পনা নিয়েছে জাপান । ২০১৬ সালের নভেম্বরে দু’দেশের মধ্যে এই নিয়ে চুক্তি হয়েছিল। ২০১৭ সালে চন্দ্রাভিযান রূপায়ণের ব্যবস্থাপনা চূড়ান্ত হয়। ২০১৮ সালে যৌথ অভিযানের বিষয়টি পর্যালোচনা করা হয়।*

*আর চলতি বছরের জুনে সম্প্রতি অভিযান পরিচালনার অংশ ভাগ করে নিয়েছেন দু’দেশের মহাকাশ বিজ্ঞানীরা। জানা গেছে, অবতরণ পরিচালনা এবং রোভার তৈরি করবে জাপান। ল্যান্ডার সিস্টেমে বানাবে ইসরো। ২০২৩ সালে এই চন্দ্রাভিযান করা হবে।*
*এর আগে গত বছর ২২ জুলাই চাঁদের মাটির রাসায়নিক গঠন, মানচিত্র তৈরি ও জলের খোঁজে চন্দ্রযান-২ পাঠিয়েছিল ইসরো। এই মহাকাশযানে ছিল লুনার অরবিটার, বিক্রম ল্যান্ডার এবং প্রজ্ঞান রোভার। ৬ সেপ্টেম্বর চাঁদে অবতরণের কথা ছিল বিক্রম ও প্রজ্ঞানের। তবে শেষ মুহূর্তে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। যা ভেস্তে যাওয়ায় লাইভ টিভির সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন ইসরোও চেয়ারম্যান কে শিবন। তাকে বুকে জড়িয়ে সান্ত্বনা দিয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।*