প্রচ্ছদ বাংলাদেশ জাতীয় *সাকিব কোনো ব্যবসার কথা বাবাকে জানান না*

*সাকিব কোনো ব্যবসার কথা বাবাকে জানান না*

30
*সাকিব কোনো ব্যবসার কথা বাবাকে জানান না*

*সাকিব আল হাসানের বাবা মাসরুর রেজা সাকিবের ব্যবসা সম্পর্কে কিছু জানেন না। এমনকি তিনি জানতেও চান বলে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘সাতক্ষীরায় কাঁকড়া খামার সাকিব শুরু করে ২০১৬ সালে, তবে বিষয়টি ২০১৯ সালে জানতে পারি।’ ওই খামারের শ্রমিকদের চার মাসের বেতন বকেয়া সম্পর্কে তিনি কিছু জানতেন না বলে জানান।*
*সোমবার (২০ এপ্রিল) সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনীতে চার মাসের বকেয়া বেতন পরিশোধের দাবিতে আন্দোলন করে সাকিব আল হাসান অ্যাগ্রো ফার্ম লিমিটেডে প্রায় দুই শত শ্রমিক। পরে র‌্যাবের একটি টহল টিম আন্দোলনরত শ্রমিকদের হটিয়ে দেয়। একাধিকবার আশ্বাস দিয়েও বেতন না দেওয়ায় বাধ্য হয়ে তারা বিক্ষোভ করছেন বলে জানায় শ্রমিকরা।*

*বকেয়া বেতনের বিষয়ে সাকিবের বাবা মাসরুর রেজা বলেন, ’সাকিবের কাঁকড়া খামারের শ্রমিকরা বেতনের দাবিতে বিক্ষোভ করার বিষয়টি ঢাকা থেকে একজন ফোন করে জানিয়েছেন। বিষয়টি জানার পর সাকিবে কাঁকড়া ফার্ম প্রজেক্টের তত্ত্বাবধায়ক ও পার্টনার সগীর হোসেন পাভেলকে কয়েকবার ফোন করেছি, কিন্তু তার ফোন বন্ধ পেয়েছি। যতটুকু জানি এটিতে সাকিবসহ বেশ কয়েকজনের শেয়ার আছে। কিন্তু কতজন আছে সেটা জানা নেই। সাকিবের ব্যবসা-বাণিজ্যের ব্যাপারে কোনও প্রকার আগ্রহ আমার নেই। সাতক্ষীরায় সাকিবের কাঁকড়া খামারে একদিন গিয়েছিলাম। বিষয়টি সাকিবের বন্ধু পাভেল দেখভাল করে। আমি মাগুরায় থাকি, ব্যাংকে চাকরি করি। সেটা নিয়ে সারাক্ষণ ব্যস্ত থাকতে হয়।’*

*তিনি বলেন, ‘সাকিব বর্তমানে আমেরিকাতে আছে। বেতনের দাবিতে শ্রমিকদের বিক্ষোভের বিষয়টি জানে কিনা সেটাও জানি না, আমার সঙ্গে কথা হয়নি।’*
*তিনি আরও বলেন, ‘সাকিবের কাঁকড়া খামার সম্পর্কে আমার কিছু জানা ছিল না। ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে সাকিব বলে চলেন সাতক্ষীরা থেকে ঘুরে আসি। সেদিন থেকে জানতে পারি সাতক্ষীরায় সাকিবের কাঁকড়া খামার আছে।’*
*সাকিবের খামারের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘পাভেলের বাবা আমার সঙ্গে চাকরি করতো। সেই থেকে সাকিব আর পাভেলের পরিচয়। পাভেল পরে সাকিবের সঙ্গে ক্রিকেট খেলতো সেই থেকে তাদের দুই জনের বন্ধুত্ব। পরে তারা সাতক্ষীরায় কাঁকড়া খামার গড়ে তোলে।’*

*বেতন বকেয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে করোনা শুরু হওয়ার প্রথম দিকে পাভেলের কাছে ফোন দিয়ে ব্যবসার বিষয়টি জানতে চেয়েছিলাম। তখন সে বলছিল করোনার কারণে বিদেশে কাঁকড়া পাঠাতে পারছে না। আবার যাদের কাছে বিক্রি করেছি তাদের কাছে ৮০ লাখ টাকা পাওনা রয়েছে। সাকিব পাওনাদারদের কাছে ফোন দিলেও তারা ফোন ধরে না। তারপরও শ্রমিকদের বেতন দিয়েছি। কিছু বেতন বাকি আছে সেগুলো দ্রুত পরিশোধ করে আপাতত ব্যবসা বন্ধ রাখবো। এরপর আর কিছু আমাকে বলেনি।’*