প্রচ্ছদ বিশ্ব *দিশেহারা সৌদি রাজপরিবার, প্রাসাদ ছাড়লেন বাদশাহ-যুবরাজ!*

*দিশেহারা সৌদি রাজপরিবার, প্রাসাদ ছাড়লেন বাদশাহ-যুবরাজ!*

68
*দিশেহারা সৌদি রাজপরিবার, প্রাসাদ ছাড়লেন বাদশাহ-যুবরাজ!*

*নভেল করোনাভাইরাসের থাবায় দিশেহারা হয়ে পড়েছে সৌদি আরবের রাজপরিবার। এরই মধ্যে রাজপরিবারের দেড় শতাধিক সদস্য প্রাণঘাতী এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে বলে গণমাধ্যমে খবর উঠে এসেছে।*
*এবার জানা গেল আরও ভেতরের খবর। তা হল- প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের কবল থেকে বাঁচতে প্রাসাদ ছেড়ে পালিয়েছেন সৌদি বাদশা ও যুবরাজ।*

*জানা গেছে, মহামারী করোনাভাইরাসের আতঙ্কে রাজপ্রাসাদ ছেড়ে জেদ্দায় নতুন ভবনে চলে গেছেন ৮৪ বছর বয়সী সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজ। বর্তমানে তিনি লোহিত সাগর উপকূলীয় শহরটির কাছে একটি আইল্যান্ড প্যালেসে অবস্থান করছেন। খবর নিউইয়র্ক টাইমসের।*
*এছাড়া ৩৪ বছর বয়সী যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানও জেদ্দার এক প্রত্যন্ত এলাকায় চলে গেছেন। যেখানে ইতোমধ্যে তিনি ‘নিওম’ নামে একটি ভবিষ্যত নগরী গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।*

*এদিকে, সৌদি রাজপরিবারের যে দেড়শ শতাধিক সদস্য করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন, তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজন সম্প্রতি ইউরোপ ভ্রমণ করেছিলেন বলে জানা গেছে।*
*আক্রান্তদের মধ্যে রয়েছেন রাজপরিবারের শীর্ষ সদস্য রিয়াদের গভর্নর প্রিন্স ফয়সাল বিন বান্দর বিন আব্দুল আজিজ আল সৌদ। তিনি এখন নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) আছেন।*
*পরিস্থিতি সামলাতে ইতোমধ্যে মক্কা, মদিনা, রিয়াদ, জেদ্দা শহরে কারফিউ জারি করা হয়েছে। সব ধরনের আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।*

*’আমরা লাশ গোনা ছেড়ে দিয়েছি’*
*সর্বদা জেগে থাকা নিউইয়র্ক শহরের চেহারাটা নাটকীয়ভাবে বদলে গেছে গত কয়েক সপ্তাহে। করোনার থাবায় ‘মৃত্যুপুরী’তে পরিণত হয়েছে গোটা নিউইয়র্ক। বদলে যাওয়া এই শহরে বাস করার অভিজ্ঞতা কেমন তা তুলে ধরেছেন অ্যালিক্স মন্টেলিওন ও তার প্রেমিক মার্ক কজলো।*
*শহরের অবস্থার কথা স্কাইপে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন নিউইয়র্কের ব্রুকলিন অ্যাপার্টমেন্টের বাসিন্দা মন্টেলিওন ও কজলো। বাইরে বেরোতে পারছেন না তাঁরা। তাই প্রিয় শহরটা এই সময়ে কেমন আছে, তা জানতে জানালা খোলা রেখে দিয়েছেন তারা।*

*মন্টেলিওন বলছেন, ‘‘আমরা অ্যাপার্টমেন্ট থেকে বিহঙ্গ দৃষ্টিতে দেখতে পাচ্ছি শহরটাকে।’’*
*উইকওফ হাইটস মেডিক্যাল সেন্টারে যা ঘটছে তা-ও স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছেন মন্টেলিওন ও কজলো। তার বর্ণনা দিতে গিয়ে মন্টেলিওন বলেন, ‘‘আমরা শুনতে পাচ্ছি বাইরে খুব চিৎকার চেঁচামেচি হচ্ছে যা থেকেই ধারণা করতে পারি, ভেতরের পরিস্থিতি কতটা খারাপ। কত লাশ ওখান থেকে বেরিয়ে এল তা গোনা এখন ছেড়ে দিয়েছি। এটা খুবই ভয়াবহ দৃশ্য। কিন্তু এটাই বাস্তব।’’*
*মন্টেলিওন ও কজলো বলছেন, এ শহরের সঙ্গে এ ছবি বড়ই বেমানান। গোটা ঘটনাটাই ধরা পড়েছে তাদের দু’জনের চোখে। সূত্র: রয়টার্স।*