প্রচ্ছদ বিশ্ব *করোনাভাইরাস; ২ ট্রিলিয়ন ডলারের সেই বিলে ট্রাম্পের স্বাক্ষর*

*করোনাভাইরাস; ২ ট্রিলিয়ন ডলারের সেই বিলে ট্রাম্পের স্বাক্ষর*

73
*করোনাভাইরাস; ২ ট্রিলিয়ন ডলারের সেই বিলে ট্রাম্পের স্বাক্ষর*

*যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২ ট্রিলিয়ন ডলারের করোনাভাইরাস রিলিফ বিলে স্বাক্ষর করেছেন। করোনাভাইরাসের কারণে আর্থিক ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে এ বিল পাশ করা হয়েছে।*
*ওভাল অফিসে করোনাভাইরাস রিলিফ বিলে স্বাক্ষর করার পর ট্রাম্প বলেন, আমি আমেরিকার ইতিহাসের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক রিলিফ বিলে স্বাক্ষর করেছি। এর মাধ্যমে আমাদের পরিবারগুলোকে, কর্মী ও ব্যবসায়ীদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে।*

*এর আগে সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদে কণ্ঠ ভোটের মাধ্যমে বিলটি সর্বসম্মতভাবে পাশ হয়। এ বিলটিকে যুক্তরাষ্ট্রে ইতিহাসে সবচেয়ে বড় আকারের বিল বলা হচ্ছে।*
*যুক্তরাষ্ট্রে এ পর্যন্ত কভিড-১৯ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৪ হাজার ১৪২ জন এবং মারা গেছে ১৬৯৫। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২ হাজার ৫২২ জন।*

*করোনার ধাক্কায় মন্দার কবলে বিশ্ব অর্থনীতি: আইএমএফ প্রধান*
*আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) এর প্রধান ক্রিস্টালিনা জিওর্জিয়েভা বলেছেন, নিশ্চিতভাবেই নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা দিচ্ছে বিশ্ব অর্থনীতিতে। এই অবস্থায় উন্নয়নশীল দেশগুলিকে ব্যাপক সাহায্য করা প্রয়োজন।*
*শুক্রবার আইএমএফ প্রধান আরও বলেন, আমরা মন্দার যুগে প্রবেশ করেছি। ২০০৯ সালে বিশ্ব জুড়ে যে মন্দা দেখা দিয়েছিল, এবারের মন্দা তার চেয়েও গভীর বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।*

*ক্রিস্টালিনা বলেন, অতিমহামারীর ফলে বিশ্ব অর্থনীতি ‘আচমকাই স্তব্ধ’ হয়ে গিয়েছে। আইএমএফের হিসাব অনুযায়ী উন্নয়নশীল দেশগুলির জন্য ২৫০০ কোটি ডলার অর্থাৎ ১৮ লক্ষ কোটি টাকার বেশি প্রয়োজন হবে। খুব কম করেই এই হিসাব করা হয়েছে। বাস্তবে উন্নয়নশীল দেশগুলিকে মন্দার কবল থেকে উদ্ধার করতে হলে আরও বেশি অর্থের প্রয়োজন হতে পারে।*

*একটি হিসাব দিয়ে ক্রিস্টালিনা বলেন, গত কয়েক সপ্তাহে উন্নয়নশীল দেশগুলি থেকে ৮৩০০ কোটি ডলারের পুঁজি বিদায় নিয়েছে। ওই সব দেশের সরকার নিজেরা ঘাটতি পূরণ করতে পারবে না। তারা অনেকে ইতিমধ্যেই বিপুল ঋণের জালে ফেঁসে আছে। ৮০টি গরিব দেশ ইতিমধ্যে আইএমএফের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে, জরুরি ভিত্তিতে তাদের ত্রাণ দেওয়া হোক। আমেরিকা সম্প্রতি ঘোষণা করেছে, করোনাভাইরাস মহামারীর মোকাবিলায় ২২০০ কোটি ডলার ব্যয় করা হবে। তাদের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান আইএমএফ প্রধান।*