প্রচ্ছদ বাংলাদেশ জাতীয় *কেনো শেখ হাসিনাই ভ’রসা?*

*কেনো শেখ হাসিনাই ভ’রসা?*

223
*কেনো শেখ হাসিনাই ভরসা?*

*ক’রোনা মোকাবিলায় বাংলাদেশ এখন ব্যতিব্যস্ত। ইউরোপ এবং চীনের লণ্ডভণ্ড অবস্থা দেখে বাংলাদেশ আগাম প্রস্তুতি নিচ্ছে। সঙ্গে করোনা আতঙ্ক এবং ক’রোনা রোগির সংখ্যায় বাড়ছে প্রতিদিন। ইতিমধ্যে ক’রোনায় আক্রান্ত একজন মা’রা গেছেন। বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে বাংলাদেশে কি ইউরোপের মত ক’রোনার ব্যাপক বিস্তৃতি হবে নাকি বাংলাদেশ ক’রোনা মোকাবিলা করতে পারবে?*

*বিশেষ করে ইউরোপ থেকে প্রত্যাগতদের দায়িত্বহীন আচরণের কারণে বাংলাদেশে এখন রীতিমতো ক’রোনা আ’তঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে সর্বত্র। এই অবস্থায় অনেকে শাট ডাউনের পক্ষে মতামত দিচ্ছেন, অনেকে অনেক রকমেই পরামর্শ দিচ্ছে। কিন্তু এই সবকিছু ছাপিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিচক্ষণতা, জণগনের প্রতি তার ভালোবাসা এবং দুরদৃষ্টি ক’রোনা মোকাবিলায় সাহস যোগাচ্ছে সবাইকে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে সাধারণ মানুষের কাছে এখন ভরসার নাম হচ্ছে শেখ হাসিনা। এর প্রধান কারণ হলো শেখ হাসিনা প্রথম থেকেই একের পর এক দায়িত্বশীল এবং বিচক্ষণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করছেন এবং ক’রোনা মোকাবিলায় তিনি দিন রাত একাকার করে কাজ করছেন, সবাইকে পরামর্শ দিচ্ছেন।*

*যে কারণে মানুষ এখন মনে করছে যে, শেখ হাসিনা যতক্ষণ আছেন ততক্ষণ বাংলাদেশের পরিস্থিতি ইউরোপ বা চীনের মতো হবে না। শেখ হাসিনার রাজনৈতিক বিচক্ষণতা, দুরদৃষ্টি এবং মহান সৃষ্টিকর্তার প্রতি তার অগাধ আস্থা বিশ্বাসও তার এই ক’রোনা মোকাবিলার ক্ষেত্রে নেতৃত্বধানে সক্ষম করবে বলে মনে করছেন অনেকে।*

*শেখ হাসিনার ওপর এই আস্থার কারণ হলো ক’রোনা ভাই’রাস আ’তঙ্কের শুরু থেকেই। ৭ মার্চ বিকালে যখন প্রথম ক’রোনা রোগী শনাক্ত হয়, পরদিন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের লোকজন তার সঙ্গে দেখা করতে যায়। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের লোকজন খুবই ইতস্তত ছিলেন, তারা মনে করছিলেন ১৭ মার্চ জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকীর দিন, তাই তার আগ মুহূর্তে ক’রোনা আক্রা’ন্তর ঘোষণা করবেন কিনা। কিন্তু শেখ হাসিনা সব দুঃখ কষ্ট বেদনা চাপা দিয়ে জনগণের কথাই প্রথম চিন্তা করেন এবং তিনি বলেন, এখনি ক’রোনার ঘোষণা দিয়ে দেও। এরপর শেখ হাসিনা কিছু সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, সচিব এবং উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের। এসব নির্দেশনার মধ্যে ছিল;*

*ক’রোনার যে সমস্ত তথ্য পাওয়া যাবে তা গোপন করা যাবে না। সঙ্গে সঙ্গে তা প্রকাশ করতে হবে।*
*পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে বিভিন্ন স্থানে বিমান চলাচল বন্ধের নির্দেশ দেন। যারা বিদেশ থেকে ফিরবেন তাদেরকে হোম কো’য়ারেন্টাইন করার কঠোর নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে তিনি বিশ্ব স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়েরে সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করার নির্দেশনাও দেন।*

*গণভবন সূত্রে জানা গেছে যে, দিন-রাত ২৪ ঘন্টাই শেখ হাসিনা ক’রোনা নিয়ে কাজ করছেন, কথা বলছেন বিভিন্নজনের সঙ্গে, পরামর্শও দিচ্ছেন। তার নেতৃত্বে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় একের পর এক সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।*
*সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, বিভিন্ন জায়গায় ‘ল’ক ডা’উন’ করা কিংবা সভা সমাবেশ বন্ধ করাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো বাংলাদেশ অনেক দ্রুত নিচ্ছে।*

*সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, গণস্বাস্থ্য যে করোনা পরীক্ষার কি’ট আবিস্কার করেছে সেই কি’টটাকে অনুমোদন দেওয়ার সিদ্ধান্তও শেখ হাসিনাই দিয়েছেন। সব ব্যাপারে দ্রুত সিদ্ধান্ত ও ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়া এবং ক’রোনা যেন ছড়িয়ে না পড়ে সে ব্যাপারে সকল মন্ত্রণালয় বিভাগ এবং বিভাগের মধ্যে দ্রুত সমন্বয় করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার যে বিচক্ষণতা, তা একমাত্র শেখ হাসিনাই দেখাতে পেরেছে। আর এ কারণেই এখনো ক’রোনা আত’ঙ্ক, বিভেষিকার মধ্যে মানুষ আশায় বুক বেধে আছে, হয়তো শেখ হাসিনার দুরদৃষ্টি, তার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, মেধা এবং জনগণের প্রতি তার ভালোবাসাতেই বাংলাদেশ ক’রোনা মোকাবিলা করতে পারবে।*