প্রচ্ছদ জীবন-যাপন *‘খুলনার পাপিয়া’ কে এই সাদিয়া?*

*‘খুলনার পাপিয়া’ কে এই সাদিয়া?*

78
*‘খুলনার পাপিয়া’ কে এই সাদিয়া?*

*যুবলীগের বহিষ্কৃত নেত্রী শামীমা নূর পাপিয়ার মতো তিনিও রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে গড়ে তুলেছেন সম্পদের পাহাড়। পাপিয়ার মতো তিনিও ক্ষমতাধর রাজনীতিকদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলে নিজেকে পুলিশের ধরা ছোঁয়ার বাইরে রেখেছিলেন। কিন্তু শেষরক্ষা হলো না। পাপিয়ার মতো ফেঁসে গেলেন তিনিও। পাপিয়ার মতো তাকেও হারাতে হলো দলীয় পদ। তিনি খুলনার মহিলা শ্রমিক লীগের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক সাদিয়া আক্তার মুক্তা। তাকে ‘খুলনার পাপিয়া’ নামে অভিহিত করছেন সবাই।*
*৯ মার্চ রাতে খুলনার হরিণটানা এলাকার বাড়ি থেকে সাদিয়াকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। গ্রেপ্তারের সময় পুলিশ তার বাড়ি থেকে ১২ ভরি সোনা ও নগদ দুই লাখ ৮২ হাজার টাকা উদ্ধার করে।*

*খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার শেখ মনিরুজ্জামান মিঠু জানান, ২৪ জানুয়ারি নগরীর বাবু খান সড়কের কাজী মঞ্জুরুল ইসলামের বাড়ি থেকে প্রায় ৫০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার, নগদ অর্থসহ প্রায় ২৯ লাখ টাকার মালামাল চুরি হয়। এ ঘটনায় পুলিশ চোর সিন্ডিকেটের কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করলে তারা চোরাচালানের হোতা হিসেবে সাদিয়ার নাম বলে। পরে তার বাড়ি থেকে চুরি যাওয়া স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করা হয়। সাদিয়া গ্রেপ্তারের পর থেকেই তার স্বামী পলাতক।*

*জানা যায়, স্থানীয় সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে কেন্দ্র থেকে খুলনা মহানগর মহিলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক পদ বাগিয়ে এনেছিলেন সাদিয়া মুক্তা। পরে দলীয় পদ ব্যবহার করে অপরাধী চক্রের সঙ্গে জড়িয়ে রাতারাতি কোটিপতি হয়ে যান। তার বাবা আলতাফ সরদার এক সময় নগরীর সোনাডাঙ্গা এলাকায় মুদি দোকানের ব্যবসা করতেন। স্বামী শুকুর আলী প্লট ও জমির ব্যবসা করতেন। সাদিয়া খুলনায় বহুতল ভবন, বিলাশ বহুল ফ্ল্যাট ও রেস্টুরেন্টের মালিক হয়েছেন। পুলিশের তদন্তে এসব তথ্য জানা গেছে। নানা অভিযোগের পর ২০১৯ সালের ৩১ জুলাই তাকে দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়।*