প্রচ্ছদ ইতিহাস-ঐতিহ্য *পাকিস্তানের অর্থে প্রকাশিত হয় প্রথম আলো?*

*পাকিস্তানের অর্থে প্রকাশিত হয় প্রথম আলো?*

754
*পাকিস্তানের অর্থে প্রকাশিত হয় প্রথম আলো?*

*একজন দেওলিয়া ব্যবসায়ী কীভাবে রাতারাতি হাজার হাজার কোটি টাকার মালিক হয়ে নানামূখী ব্যবসা চালু করে তার রহস্য ভেদ করা নিয়ে অনেকেই মুখ খুলতে ভয় পান। ভয় পান আর্থিক ক্ষতির, কখনো জীবনের, আবার কখনো ক্ষমতা পাবার প্রত্যাশায়। এ এক জটিল সমীকরণ।*
*সম্প্রতি আসামের বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট অব আসাম বা উলফা`র সাবেক সাধারণ সম্পাদক অনুপ চেটিয়া এক টেলিভিশন সাক্ষাতকারে স্বীকার করেছেন যে, ১৫ বছর আগে ২০০৪ সালে বিএনপি জামায়াত সরকারের সময় চট্টগ্রাম বন্দর হয়ে আসার সময় ধরা পড়া ১০ ট্রাক অস্ত্র তার দল উলফার জন্য তিনি এনেছিলেন।*

*কেন বাংলাদেশকে ব্যবহার করা হয়। আর কথা থেকে এসেছে এত অ’স্ত্র কেনার টাকা, কেনইবা ঐ দেওউলিয়া ব্যবসায়ী এটার সঙ্গে জড়িত হল তার একটা গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা বা যুক্তি থাকা দরকার যা হতে হবে তথ্য উপাত্তের ভিত্তিতে।*
*বিভিন্ন সুত্রে জানা যায় যে, গত শতাব্দীর শেষদিকে এশিয়ায় সন্ত্রাসবাদের জন্য কুখ্যাত ভারতীয় বিচ্ছিন্নতাবাদী সশ’স্ত্র সংগঠন দি ইউ’নাইটেড লি’বারেশন ফ্র’ন্ট অব অ’সম (ইউএ’লএফএ) বা উ’লফা। বিএনপি সরকার (১৯৯১-৯৬) ক্ষমতায় আসার পরে ওই সময় বাংলাদেশে বসবাসকারী নাগাল্যান্ডের বিচ্ছিন্নতাবাদী স’শস্ত্র সংগঠন ন্যাশ’নাল সো’স্যালিস্ট কাউন্সিল অব নাগা’ল্যান্ড (এনএ’সসিএন)-এর চেয়ারম্যান ও আরেক নেতা বাংলাদেশী পাসপোর্ট নিয়ে বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করে। ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য অসম, ত্রিপুরা, মেঘালয়, মনিপুর ও অরুণাচলের দেড় ডজনেরও বেশি বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র সংগঠনের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলে।*

*উলফার সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে এমন বেশকিছু সংগঠনকে বাংলাদেশে ঘাঁটি গেড়ে ভারতবিরোধী তৎপরতা চালাতে দেয়া হয়। উলফার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অর্থ ও অস্ত্র যোগানসহ প্রধান মদদদাতা হিসেবে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের বিরুদ্ধে ভারত বিভিন্ন সময় প্রচুর তথ্য প্রমাণ দিয়ে পাক সরকারের কাছে অভিযোগ জানিয়েছে। জানা যায় যে, পাকিস্তানের সহায়তায় নেপাল, ভুটান, মিয়ানমার এবং বাংলাদেশে উলফা ঘাঁটি গাড়তে সক্ষম হয়।*

*১৯৭৫ সালে জেনারেল জিয়া ক্ষমতা দখলের পরে বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিম এলাকায় নকশালদের ৮টি ঘাঁটি তৈরির সুযোগ দেয় পাকিস্তানকে খুশি করতে, ভারতকে অস্থির করতে। পরে ১৯৮৯ সালে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের শেষ পর্যায়ে এরশাদের ক্ষমতা ছাড়ার বছরখানেক আগে দেশের চরম রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার সুযোগে তখন বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলার গারো পাহাড়সংলগ্ন সীমান্তবর্তী এলাকায় ১৩-১৪টি ক্যাম্প স্থাপন করে সংগঠনটি ভারতবিরোধী তৎপরতা শুরু করে। এরপর খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন বিএনপি (১৯৯১-৯৬) ক্ষমতা গ্রহণের পরই সরকারের সক্রিয় সমর্থন ও সহযোগিতায় উলফা তাদের তৎপরতা আরও ব্যাপক, বিস্তৃত ও জোরদার করতে থাকে।*

*পর্যায়ক্রমে তারা সমরাস্ত্র ও বিস্ফো’রকের চালান বাংলাদেশের ওপর দিয়ে অবাধে পাচারের নেটও’য়ার্ক গড়ে তোলে। মূলত এই সময় থেকেই উলফার শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা বাংলাদেশে তাদের স্থায়ী আস্তানা গড়ে এবং ব্যবসা-বাণিজ্যেও নেমে পড়ে। বাংলাদেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে ভারতের অভ্যন্তরে সশস্ত্র হামলা চালিয়ে পশ্চাদভূমি হিসেবে বাংলাদেশে নিরাপদ আশ্রয় নেয়ার সুযোগও সৃষ্টি করে দেয় বিএনপি সরকার। আর এই উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তবর্তী ৫টি জেলা জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা ও হবিগঞ্জের বিশাল দুর্গম এলাকা কার্যত উলফার দখল ও নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।*

*শুধু উলফাই নয়, বিএনপি-জামায়াতের এই শাসনকালে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ৭ রাজ্যের বিচ্ছিন্নতাবাদী বেশ কয়েকটি সংগঠন বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী এলাকায় ঘাঁটি গেড়ে ভারতবিরোধী তৎপরতা চালাতে থাকে। বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক শক্তি বিএনপির সঙ্গে উলফার এই সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে আসামের বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত মুসলমানদের দি মুসলিম ইউনাইটেড লিবারেশন টাইগারস অব অসম (এমইউএলটিএ) বা মুলটা এবং দি মুসলিম ইউনাইটেড লিংকস ফোর্স অব অসম (এমইউএলএফএ) বা মুলফা নামের সংগঠন দুটির সঙ্গে বাংলাদেশের জামায়াতের ইসলামী ও কয়েকটি জঙ্গীগোষ্ঠীর আদর্শগত সম্পর্কের সূত্র ধরে সম্মিলিতভাবে তারা এই ভূমিকা পালন করে। এবং ধীরে ধীরে সরকারের অভ্যন্তরে শক্তি সঞ্চয় আর আধিপত্য বিস্তার করে।*

*ঐ সূত্র নিশ্চিত করে যে, উলফার আয়ের প্রধান উৎস ছিল আন্তর্জাতিক অস্ত্র ও মাদক চোরাচালান, বনের কাঠ পাচার, অপহরণ, বাণিজ্য, ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও গু’দাম লুট এবং স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিদেশী গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কাছ থেকে প্রাপ্ত অর্থ। উলফা বাংলাদেশে বিভিন্ন ব্যবসা। এর মধ্যে রয়েছে মিডিয়া, পানীয়, খাদ্য, আবাসিক হোটেল, বেসরকারী হাসপাতাল এবং একাধিক মোটরযান প্রশিক্ষণ স্কুল। তবে পরেশ বড়ুয়া এককভাবে মনিটরিং করতেন ট্যা’নারি শিল্প, গার্মেন্টস, নৌ ও সড়ক পরিবহন, ডিপা’র্টমেন্টাল স্টো’রস, ট্রা’ভেল এজে’ন্সি খাতে বিনিয়োগ বাণিজ্য।*

*২০০৫ সালে জানা যায়, বাংলাদেশে উলফার হোটেল ও ব্যাংক হিসাব পরিচালনার খবর। ঢাকার মোহাম্মদপুরের তাজমহল রোডে, মিরপুর ও বনানীতে উলফা পরিচালিত ৩টি হোটেল ছিল। এছাড়া, সিলেটে আরও ২টি হোটেল। উলফার ৩টি ব্যাংক হিসাবের মধ্যে ১টি ঢাকায়, ১টি সিলেটে ও ১টি চট্টগ্রামে- এই ৩টির হিসাবই ইসলামী ধারার একটি ব্যাংকে খোলা হয়েছিল।*

*পাকিস্তানের গোয়েন্দা সহায়তায় আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী সংগঠন জইশে মোহাম্মদ, লস্করই তৈয়াবা, হিজবুত তাহরীর, হরকাতুল জিহাদের মতো উগ্র ধর্মান্ধ জঙ্গীগোষ্ঠীর সঙ্গে গভীর সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এছাড়া সম্পর্ক গড়ে ওঠে মিয়ানমারের বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র সংগঠনগুলোসহ শ্রীলঙ্কার তামিল টাইগারদের সঙ্গেও। এই সংগঠনটির সঙ্গে উলফার সম্পর্কের গভীরতার প্রমাণ পাওয়া যায় বিএনপি-জামায়াত শাসনামলে কক্সবাজারে আকস্মিকভাবে ধরা পড়া অস্ত্রের বিশাল চালানটি দেখে। সর্বশেষ ২০১৪ সালের জুন মাসে হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলার সাতছড়ির গহীন অরণ্যের ৯টি পরিত্যক্ত বাঙ্কার থেকে রকেট লঞ্চার, মেশিনগান, বিভিন্ন ধরনের ভারি আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ উদ্ধার করে র‌্যাব।*

*একসময় সাতছড়ির টিলাসমৃদ্ধ গহীন অরণ্য ছিল বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র সংগঠন ত্রিপুরা পিপলস ডেমোক্র্যাটি ফ্রন্ট (টিপিডিএফ), ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্ট অব ত্রিপুরা (এনএলএফটি), ইউনাইটেড লিবারেশন অব অসম (আলফা), অল ত্রিপুরা টাইগার ফোর্স (এটিটিএফ), ট্রাইবাল ফোর্স ত্রিপুরা কিংডম (টিএফটিকে), পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ), মনিপুর রাজ্যের পিপলস ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট (পিইউএলএফ), প্রিপাক ও উলফার নিয়ন্ত্রণে।*

*প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার গ্রুপের মালিক লতিফুর রহমান। যার জন্ম, শৈশব আর লেখাপড়ার অনেকটা সময় কেটেছে ভারতে, সেখানেই তার প্রেম হয় যা পরবর্তীতে বিয়েতে গড়ায়। তিনি নব্বইয়ের দশকে দেউলিয়ায় পরিণত হন। আর্থিক অনটনে ওই সময় তার পৈত্রিক সম্পত্তি চাঁদপুরে অবস্থিত ডব্লিউ রহমান জুট মিল বন্ধ করতে বাধ্য হন। বেতন-ভাতা না দিয়েই প্রতিষ্ঠানের সহস্রাধিক শ্রমিককে চাকরিচ্যুত করেন। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে চাঁদপুরের আদালতে একাধিক মামলা হয়। অন্যদিকে ডব্লিউ রহমান জুট মিল বাংলাদেশ ব্যাংকের শীর্ষ ঋণখেলাপির তালিকায় স্থান পায়। এমন সংকটাপন্ন অবস্থায় স্ত্রীর ভাই উলফা নেতা অনুপ চেটিয়া তার প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ শুরু করেন। অবশ্য এ বিষয়ে আগেই দুজনের সাথে আলোচনা অনেক দূর এগিয়েছিল।*

*অল্পসময়ের মধ্যে লতিফুর রহমানকে কয়েক মিলিয়ন ডলার দেন অনুপ। অর্থ পেয়ে লতিফুর গড়ে তোলেন ট্রান্সকম গ্রুপ। বাংলাদেশে বিশ্বখ্যাত নেসলে ব্রান্ডের একক বাজারজাতকারী হন। তরতরিয়ে উপরে উঠতে থাকেন তিনি।*
*নব্বইয়ের দশকে সাংবাদিক এসএম আলী একটি ইংরেজি দৈনিক করার উদ্যোগ নেন। উলফার নির্দেশ অনুযায়ী লতিফুর রহমান ওই পত্রিকার শেয়ার নেন। এসএম আলী অল্পসময়ের মধ্যে ডেইলি স্টারকে একটি জনপ্রিয় ইংরেজি পত্রিকায় পরিণত করেন। এসএম আলীর আকস্মিক মৃত্যুতে পত্রিকায় নিজের শতভাগ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার সুযোগ পান লতিফুর রহমান। সম্পাদক হিসেবে মাহফুজ আনামকে নিয়োগ দেন।*

*পাকিস্তান-সহ বিভিন্ন দেশে গিয়ে অর্থ ও অস্ত্র সংগ্রহ করা অনুপকে ১৯৯৭ সালের ২১ ডিসেম্বর ঢাকায় গ্রেফতার করে বাংলাদেশ পুলিশ। অনুপ চেটিয়ার দুটি ভূয়া বাংলাদেশী পাসপোর্ট ব্যবহার করে আমেরিকা, ব্রিটেন, সুইজারল্যান্ড, স্পেন, থাইল্যান্ড, ফিলিপিন্স, সিঙ্গাপুর, নেপাল, ভুটান, মিয়ানমারসহ বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করে। ভুয়া পাসপোর্ট নিয়ে দেশে ঢোকা, ১৬টি দেশের মুদ্রা বহন করা এবং বেআইনি অস্ত্র সঙ্গে রাখার তিনটি অভিযোগে আদালত তাঁকে সাত বছর কারাদণ্ড দেয়। তখন শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতায়। গ্রেফতারের আগেই অনুপ চেটিয়া বাংলাদেশের গোয়েন্দা জালে আটকা পড়লে তা ভারতকে জানানো হয়। এতে করে ভারতও তাদের দেশের অভ্যন্তরে ঘাঁটি গেড়ে থাকা পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির লোকদের সব ধরণের সুহায়তা বন্ধ করে দেয়। এর প্রেক্ষিতেই ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সরকার এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে একটি আনুষ্ঠানিক পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয় বলে একটি কূটনৈতিক সূত্র দাবি করে।*

*অনুপ চেটিয়া বাংলাদেশে গ্রেপ্তার হওয়ার পর লতিফুর রহমানের সাথে উলফার সম্পর্ক খারাপ হতে থাকে। তিনি তার প্রতিষ্ঠানে উলফার গোপন শেয়ার অস্বীকার করেন। এই বিরোধের জেরে লতিফুর রহমানের মেয়ে শাজনীন রহমান গুলশানে তার নিজবাড়িতে খুন হন, খুনিদের বাসায় কাজে দিয়েছিলেন অনুপ চেটিয়া বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়। কারণ উলফার কাছ থেকে বড় অংকের অর্থ হাতিয়ে নিয়ে ফেরত না দেওয়া। ওই অর্থ দিয়ে ১৯৯৭ সালে তিনি একটি বাংলা দৈনিক আর পরে ওই গ্রুপ থেকে দুটি ম্যাগাজিনও প্রকাশ শুরু হয়। যার একটি সাপ্তাহিক ২০০০।*

*২০০৭ সালে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও ওয়ানইলেভেন সৃষ্টিতে লতিফুর রহমান, মতিউর রহমান ও মাহফুজ আনামের ভূমিকা কারণেই ওয়ান ইলেভেন পরবর্তী তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সেক্রেটারি হিসেবে নিয়োগ পান ডেইলি স্টারের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক সৈয়দ ফাহিম মোনায়েম। ওই সময় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) লতিফুর রহমানকে তার সম্পদের বিবরণী চেয়ে নোটিস ইস্যু করে। কিন্তু দ্রুত সময়ের মধ্যে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়া হয়।*

*পাকিস্তানকে খুশি করতেই আদালতে দেলোয়ার হোসেন সাঈদির মৃ’ত্যু আদেশ হবার পরে ১৫০ জন মানুষকে নির্মম ভাবে পাখির মত গুলি করে মেরে ফেলাটা প্রথম-আলো পত্রিকায় হেডলাইন হয়ে জামাতের তাণ্ডবে গাছ ধ্বংস। আসলে বঙ্গবন্ধু আর স্বাধীনতা নিয়ে প্রথম আলো যা করে তা আসলে তাঁদের চরম ভণ্ডামি; বিভিন্নভাবে মুক্তিযুদ্ধকে, আর বঙ্গবন্ধুকে বিতর্কিত করার কৌশল ছাড়া আর কিছু না। প্রথমা প্রকাশনীর মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে প্রকাশিত কিছু বিতর্কিত বই তার জ্বলন্ত প্রমাণ।*