প্রচ্ছদ বাংলাদেশ জাতীয় *কোভিড-১৯: ঝুঁকিতে ১১ লাখ রোহিঙ্গা*

*কোভিড-১৯: ঝুঁকিতে ১১ লাখ রোহিঙ্গা*

35
*কোভিড-১৯: ঝুঁকিতে ১১ লাখ রোহিঙ্গা*

*১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থী আর দেশি-বিদেশি পর্যটকের সমাগম কক্সবাজারে। তাই সেখানে করোনার ঝুঁকি মোকাবেলায় ব্যাপক প্রস্তুতির কথা বলছে প্রশাসন। এজন্য বিশেষ পর্যবেক্ষণের আওতায় রাখা হয়েছে বিমানবন্দর, স্থলবন্দর, পর্যটনস্পট এবং রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলো। রামু ও চকরিয়ায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে ১০০ শয্যার আইসোলেশন ইউনিট। চ্যানেলটোয়েন্টিফোর।*
*দেশের পর্যটন রাজধানী হিসেবে পরিচিত কক্সবাজার। যেখানে প্রতিদিন মুখর থাকে হাজারও পর্যটকে। রোহিঙ্গা ক্যাম্পের কারণে যাতায়াত করছেন বিভিন্ন দেশের নাগরিকরাও।*

*উখিয়া-টেকনাফে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এখন বসবাস করছে ১১ লাখের বেশি মানুষ। সব মিলে ঘনবসতিপূর্ণ জায়গা বলে ক্যাম্প ঘিরে করোনাভাইরাস নিয়ে আছে উদ্বেগ।*
*এসিএফ এর চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক মোহাম্মদ মাহাদী বলেন, জনবহুল মানুষ হবার কারণে ক্যাম্পের মানুষদের পরিচ্ছন্নতা, শিষ্ঠাচার জিনিসটা কম। তাই আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি যেন ক্যাম্পের মানুষরা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার দিকটা ভালভাবে খেয়াল রাখে।*
*বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. মহিউদ্দীন মোহাম্মদ আলমগীর বলেন, সর্দি-কাশি হতেই পারে, এতে ভয় পাবার কিছু নেই। আতঙ্কিত না হয়ে আমাদের হটলাইন নাম্বর দেয়া আছে সেখানে যোগাযোগ করতে হবে।*

*প্রশাসন বলছে, করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে পর্যটক ও রোহিঙ্গা ক্যাম্প ঘিরে নেয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। স্ক্যানার দিয়ে কক্সবাজার বিমানবন্দর ও টেকনাফ স্থলবন্দরে চলছে পর্যবেক্ষণ।*
*কক্সবাজার জেলা প্রশাসক কামাল হোসেন বলেন, ক্যাম্পগুলোতে যেন আরও সচেতনতা বাড়ানো যায় সেজন্য ওখানে কর্মরত এনজিওদের সাথে আমাদের একটা সভা রয়েছে। সেখানে আমরা বিস্তারিত কথা বলবো।*
*কক্সবাজার সিভিল সার্জন ডা. মাহবুবুর রহমান বলেন, যেখানে যেখানে দরকার আমাদের টিম স্ক্রিনিং করছে, এরপরে আমরা যদি মনে করি যে তাদের কিছু দরকার হলে আমরা সেই অনুযায়ী পরামর্শ দিচ্ছি।*
*কেউ করোনা ভাইরাস আক্রান্ত হলে প্রস্তুত রাখা হয়েছে ১০০ শয্যার আইসোলেশন সেন্টার। খোলা হয়েছে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ।*