প্রচ্ছদ বাংলাদেশ জাতীয় *ক’ভিড১৯ নিয়ে ফখরুলের জ্ঞানের ব’হর*

*ক’ভিড১৯ নিয়ে ফখরুলের জ্ঞানের ব’হর*

51
*কভিড১৯ নিয়ে ফখরুলের জ্ঞানের বহর*

*গতকাল সোমবার ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সেখানে তিনি করোনাভাইরাস নিয়ে বেশকিছু মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, যখন বিদেশি অতিথিরা মুজিববর্ষের অনুষ্ঠানে আসতে অস্বীকৃতি জানানোয় সরকার করোনাভাইরাসের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করে। মির্জা ফখরুল এটাও বলেন, আগে থেকেই করোনা ভাইরাস ছিল।*
*মির্জা ফখরুলের এই বক্তব্যে বাংলাদেশে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিশেষজ্ঞরা এবং চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা হতবাক এবং বিস্মিত হয়েছেন। একটি দলের মহাসচিব এরকম দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য কীভাবে করতে পারেন সেই প্রশ্ন তুলছেন তারা।*

*বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইডলাইন অনুযায়ী কোনো দেশে করোনা শনাক্ত হওয়ার ২৪ ঘন্টার মধ্যে তা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে জানাতে হয়। তাছাড়া বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা নিজস্ব উদ্যোগে প্রতিটি দেশে করোনাভাইরাস পরিস্থিতির মোকাবেলা করছে। একই সঙ্গে দেশগুলোর করণাভাইরাস পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণও করছে। এই কারণেই কোনো করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হওয়ার পর তা গোপন রাখা যেমন সম্ভব না তেমনি এটা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিধিরও পরিপন্থী। এসব জেনেশুনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যে মন্তব্য করেছেন তা নিয়ে বিশেষজ্ঞ মহলে কৌতুকের সৃষ্টি হয়েছে।*

*আইন মন্ত্রণালয় পরীক্ষা করছে খালেদা জিয়ার আবেদন*
*বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদনের পর এবার গতকাল সোমবার আইন মন্ত্রণালয়েও মানবিক কারণে তাকে মুক্তির আবেদন করা হয়েছে। এই আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বেগম খালেদা জিয়া শারীরিকভাবে অসুস্থ। তার উন্নততর চিকিৎসা দরকার। এজন্য তাকে মানবিক কারণে মুক্তি দেওয়ার ব্যবস্থা করা হোক। যেন তিনি উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে পারেন।*

*গত বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যে চিঠি দেওয়া হয়েছিল, যদিও সেটা ছিল ভুলে ভরা। তারপরও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় চিঠিটি নথিভুক্ত করেছে এবং আইনগত মতামতের জন্য চিঠিটি আইন মন্ত্রণালয়ের কাছে পাঠিয়েছে।*
*অন্যদিকে, আইন মন্ত্রণালয়ে যে চিঠিটি আছে সেটিও আইন শাখার কাছে দেওয়া হয়েছে মতামতের জন্য। আইন শাখার সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, খালেদা জিয়ার দুটি আবেদনই যথাযথ প্রক্রিয়ায় দেওয়া হয় নি।*

*আদালতের বাইরে বেগম জিয়া দুভাবে মুক্তি পেতে পারেন বলে আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। প্রথমত; তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে মার্জনা চাইতে পারেন। রাষ্ট্রপতি মার্জনা করলে তিনি বের হতে পারেন।*
*দ্বিতীয়ত; তিনি বিশেষ কারণ দেখিয়ে প্যারোলের জন্য আবেদন করতে পারেন।*
*কিন্তু স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আবেদন এবং আইন মন্ত্রণালয়ের আবেদন এই দুটির কোনোটিতেই প্যারোল বা বিশেষ বিবেচনায় মুক্তির কথা বলা হয় নি। তবে আইন মন্ত্রণালয় বলছে, চিঠিগুলো পরীক্ষানীরিক্ষা করা হচ্ছে। দুটো চিঠিরই খুব শিগগিরই একটা আনুষ্ঠানিক মতামত দেওয়া হবে। এই মতামতে খালেদা জিয়াকে আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন করার জন্য অনুরোধ করা হতে পারে। আজ কালের মধ্যেই বেগম জিয়ার পরিবারকে এই চিঠির ব্যাপারে মতামত জানানো হবে বলে জানা গেছে।*