প্রচ্ছদ জীবন-যাপন *পাপিয়ার ‘গ’ডফাদার’ আজিজ মোহাম্মদ?*

*পাপিয়ার ‘গ’ডফাদার’ আজিজ মোহাম্মদ?*

6279
*আজিজ মোহাম্মদ পাপিয়ার ‘গডফাদার’?*

*বিমা’নবন্দর থেকে গ্রেপ্তার হওয়ার আগে পাপিয়া ব্যাং’কক যাচ্ছিলেন। এবারই শুধু নয়, পাপিয়ার পাস’পোর্ট ঘেটে দেখা গেছে যে, পাপিয়া অন্তত ১২ বার ব্যাংকক সফরে গিয়েছিলেন। এছাড়াও তিনি দিল্লির আজমির শরীফে যেতেন।*
*পাপিয়ার ব্যাং’ক কানে’কশন খুঁজতে গিয়ে গো’য়েন্দারা বেশকিছু চাঞ্চ’ল্যকর তথ্য পেয়েছে। ব্যাংককে পাপিয়ার একাধিক ব্যাংক অ্যা’কাউন্ট রয়েছে, বিভিন্ন ব্যবসাও রয়েছে। সবচেয়ে যে বড় ত’থ্যটি এখন পর্যন্ত পাওয়া গেছে, যেটি নিয়েই গো’য়েন্দারা এখন অনুসন্ধান চালাচ্ছে সেটি হলো পাপিয়ার ‘গ’ডফাদার’ হলেন কু’খ্যাত আজিজ মোহাম্মদ ভাই। যিনি দীর্ঘদিন ধরে ব্যাংককে পলা’তক রয়েছেন এবং সেখানে বসেই বাংলাদেশে মা’ফিয়া রাজত্বের কলকাঠি নাড়াচ্ছেন।*

*গো’য়েন্দা সংস্থার সূ’ত্রে জানা গেছে, শুধু পাপিয়া নয়, গোটা বাংলাদেশে যে মা’ফিয়া র‌্যা’কেটের অ’ঘোষিত গড’ফাদার হলো আজিজ মোহাম্মদ ভাই। আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের হাত ধরেই বাংলাদেশে নানারকম অবৈধ মা’দক আসছে এবং নানারকম অপ’কর্মগুলো হচ্ছে তার নির্দে’শে।*
*এর আগে প্রথম দ’ফা শু’দ্ধি অভি’যানে আ’টক হয়েছিল সেলিম প্রধান। এই সেলিম প্রধানের সঙ্গেও আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের যোগাযোগ ছিল বলে জানা গেছে। আজিজ মোহামম্মদ ভাইয়ের অন্ধকার জগতের ব্যবসা অন’লাইন ক্যাসি’নোর মাধ্যমে পরিচালনা করতেন সেলিম প্রধান।*

*নানা অ’পকর্মের হোতা আজিজ মোহাম্মদ ভাই একাধিক মা’মলায় অভিযুক্ত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে ব্যাং’ককে অবস্থান করছেন। কিন্তু ব্যাং’ককে অবস্থান করলে কি হবে, ব্যাংকক থেকে তিনি তার নিজস্ব কিছু এজেন্টের মাধ্যমে অপ’রাধ জগৎ নি’য়ন্ত্রণ করছেন। বাংলাদেশে এখনো মাদ’ক এবং নারী ব্যবসার প্রধান হোতা হলের আজিজ মোহাম্মদ ভাই। এ ব্যাপারে গো’য়েন্দাদের কাছে সুনির্দিষ্ট তথ্য রয়েছে।*
*আর এ সমস্ত তথ্যের মাধ্যমেই মাদ’কদ্রব্য নি’য়ন্ত্রণ অধি’দপ্তরের পক্ষ থেকে আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের বাসা ত’ল্লাশি করা হয়েছে। সেখান থেকে অনেকগুলো অবৈ’ধ মাদ’ক উ’দ্ধার করা হয়েছিল। গো’য়েন্দা সংস্থার একাধিক কর্মকর্তা বলছেন যে আজিজ মোহাম্মদ ভাই বাংলাদেশে কিছু এ’জেন্ট ঠিক করেছেন। এই এজে’ন্টরা বাংলাদেশে যেন নিরাপদে অবৈধ ব্যবসা করতে পারে, সেজন্য এমন ব্যক্তিদের তিনি বাছাই করেন যাদের রাজনৈতিক পরিচয় ভালো, যারা ক্ষমতাসীন দলের নেতা অথবা যাদের ক্ষমতাসীন দলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।*

*এই বিবেচনা থেকে পাপিয়াকে বাছাই করা হয়েছিল। বলা হচ্ছে যে, পাপিয়া রাশিয়া থেকে মেয়ে আনতো। তবে গোয়ে’ন্দারা অনুস’ন্ধান করে দেখেছেন যে রাশিয়া নয়, এই মেয়েরা রাশিয়ার বংশোদ্ভুত হলেও মূলত এরা আসতো ব্যাংক’ক থেকে। এছাড়াও থাই মেয়ে আনতো পাপিয়া। এই মেয়েদের সরবরাহ করতো আজিজ মোহাম্মদ ভাই।*
*আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের যে বি’জনেস নে’টওয়ার্ক এবং বিভিন্ন ব্যবসার ঠিকাদারদের বশী’ভূত করা, কাউকে ব্ল্যা’কমেইল করা, বাংলাদেশের নেটও’য়ার্ক বিস্তৃত করাই ছিল পাপিয়ার অন্যতম কাজ।*

*শুধু পাপিয়া এবং সেলিম প্রধানই নয়, ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের সঙ্গেও আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল বলে একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র জানাচ্ছে। এর আগে আট’ক যুবলীগের নে’তা এনামুল হক আরমান, যিনি হু’ন্ডি ব্যবসার সঙ্গে জ’ড়িত ছিলেন, তার সঙ্গে আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের সুসম্পর্ক ছিল।*
*উল্লেখ্য, আজিজ মোহাম্মদ ভাই একসময় সিনেমার প্রযোজক ছিলেন এবং সি’নেমাতে তিনি কালো টাকা বিনিয়োগ করতেন। আজিজ মোহাম্মদ ভাই চলে যাওয়ার পর তার সেই ব্যবসাটি নিয়’ন্ত্রণ করেন আরমান।*

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে যে, আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের এই নে’টওয়ার্ক যদি ভা’ঙা না যায় তাহলে নতুন নতুন পাপিয়া, নতুন নতুন সম্রাট এবং নতুন নতুন সেলিম প্রধানের জন্ম হবে। আর এই কারণেই গো’য়েন্দা সংস্থা’র একটি টিম খুব শীগগিরই ব্যাং’কক যাবেন বলে জানা গেছে। একটি সূ’ত্র বলছে যে, আজিজ মোহাম্মদ ভাই হলেন আন্তর্জাতিক মা’ফিয়া নেট’ওয়ার্কের একজন সদস্য। সেখান থেকে বাংলাদেশ এবং ভারতে নানারকম অবৈ’ধ তৎপরতা, মাদক এবং নারী ব্যবসায়ের সঙ্গে আজিজ মোহাম্মদ ভাই জড়িত। এ সমস্ত অবৈ’ধ অর্থের টাকা বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ায় জ’ঙ্গীদের জন্য অর্থায়ন করা হয়। আর এ কারণেই গো’য়েন্দা সং’স্থা এখন আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের বাংলাদেশের *নেট’ওয়ার্ক উপ’ড়ে ফেলার কাজ শুরু করেছে বলে জানা গেছে।*