প্রচ্ছদ আইন-আদালত *চট্টগ্রামে পুলিশ ব’ক্সের বি’স্ফোরণে আইএ’সের দায় স্বীকার!*

*চট্টগ্রামে পুলিশ ব’ক্সের বি’স্ফোরণে আইএ’সের দায় স্বীকার!*

17
*চট্টগ্রামে পুলিশ ব'ক্সের বি'স্ফোরণে আইএ'সের দায় স্বীকার!*

*চট্টগ্রামে পুলিশ বক্সে বোমা হামলার দায় স্বীকার করে টুইট করেছে ইসলামিক স্টেট-আইএস। তবে একে সাইট ইন্টেলিজেন্সের অপপ্রচার বলে উড়িয়ে দিচ্ছে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ।*
*ঘটনার পেছনে জড়িতদের খুব শিগগিরই আইনের আওতায় আনার কথা জানিয়েছে সিএমপি। ইন্ডিপেন্ডেন্টটিভি অনলাইন।*
*শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে চট্টগ্রামের দুই নম্বর গেট পুলিশ বক্সে বিস্ফোরণের পর চলছে নানামুখী তদন্ত। সিএমপির তিনটি শাখা ছাড়াও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন এবং ঢাকার দুইটি দল ব্যস্ত তদন্তে।*

*একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে ইন্ডিপেন্ডেন্টটিভি অনলাইন জানায়, ঢাকার পুলিশ বক্সে হামলার সঙ্গে মিল আছে চট্টগ্রামের ঘটনার। ধারণা করা হচ্ছে, দূর নিয়ন্ত্রিত কোনও যন্ত্র দিয়েই ঘটানো হয়েছে বিস্ফোরণ। ঘটনাস্থলের পাশে থাকা দুটি সিসিটিভি ক্যামেরাই অচল থাকায় মিলছে না ভিডিও ফুটেজ। যদিও তদন্তে অগ্রগতির দাবি পুলিশের।*
*শনিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে এই ঘটনায় ইসলামিক স্টেট-আইএসের সম্পৃক্ততার বিষয়ে জানায় যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক জঙ্গি নজরদারি সংস্থা সাইট ইন্টেলিজেন্স গ্রুপ। আইএসের সংশ্লিষ্টতাকে উড়িয়ে দিচ্ছে পুলিশ।*

*এ ধরনের ঘটনা নিয়ে গুজব বন্ধে পুলিশের ব্যর্থতা দেখছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা। এরকম ছোট ঘটনার মধ্য দিয়ে আইএসের নিজেদের উপস্থিতি জানান দেয়ার বিষয়টি স্বাভাবিক নয় বলে মনে করছেন তারা। গুজব যাতে ছড়িয়ে না পড়ে, সে জন্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর আরও সর্তকর্তা জরুরি বলেও মনে করেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা।*
*শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাত পৌনে ৯টার দিকে চট্টগ্রাম নগরের ষোলশহর দুই নম্বর গেট মোড়ে পুলিশ বক্সে ওই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় দুই পুলিশসহ আহত হন পাঁচজন, যাদের মধ্যে ১০ বছরের একটি শিশুও রয়েছে। আহতদের মধ্যে তিনজন এখনও হাসপাতালে। তবে তারা এখন আশঙ্কামুক্ত।*