প্রচ্ছদ রাজনীতি *কারা আসছেন আ’লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির শূন্য পদে?*

*কারা আসছেন আ’লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির শূন্য পদে?*

79
*কারা আসছেন আ'লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির শূন্য পদে?*

*আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমিটি প্রায় পুরোটাই ঘোষণা করা হয়েছে। পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য পদে দুইটি এবং সম্পাদকমণ্ডলীর দুইটি পদ এখন পর্যন্ত ঘোষণা করা হয়নি। আওয়ামী লীগ সূত্রে বলা হয়েছে, সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের পর শূন্য পদগুলোতে মনোনয়ন দেওয়া হবে। তাই সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের পর এখন এই পদের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে।*
*আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাকি এই পাঁচটি পদে নিজে দেবেন বলে আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে। আর এ ব্যাপারে তিনি বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গেও কথা বলেছেন বলে জানা গেছে।*

*কেন্দ্রীয় কমিটির শূন্য পদগুলোতে যারা বিভিন্ন সময় অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের দায়িত্বে ছিলেন কিন্তু এবার কেন্দ্রীয় কমিটিতে ঢুকতে পারেনি এমন একজনকে নেওয়া হতে পারে। বিশেষ করে যুবলীগের সম্মেলন কমিটির আহ্বায়ক চয়ন ইসলাম অথবা সাবেক সাধারণ সম্পাদক হারুণ অর রশিদের মধ্যে একজন কেন্দ্রীয় কমিটিতে আসতে পারেন।*

*চট্টগ্রামের যে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন এবং এই নির্বাচন নিয়ে আওয়ামী লীগের মধ্যে যে বিভক্তি সেখান থেকেও একজন কেন্দ্রীয় কমিটিতে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া দীর্ঘদিন ধরে দলের জন্য কাজ করছেন এরকম একজন সিনিয়র নেতা যিনি কেন্দ্রীয় কমিটিতে নেই তারও কেন্দ্রীয় কমিটিতে আসার সম্ভাবনা রয়েছে বলে আওয়ামী লীগের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।*

*তবে আওয়ামী লীগের ধর্ম সম্পাদকের পদটি খালি রয়েছে। ধর্ম সম্পাদক পদটি দীর্ঘদিন ধরে শেখ আবদুল্লাহ মিয়া দায়িত্ব পালন করছিলেন। তবে এবার যেহেতু তিনি মন্ত্রী হয়েছেন, সেজন্য তাকে ধর্ম সম্পাদক পদটি দেয়া হয়নি। তবে তিনি ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক পদটির জন্য চেষ্টা করছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে প্রাপ্ত খবরে জানা গেছে। এছাড়াও তার সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএইচ হারুন। তবে এখন পর্যন্ত কিছুই চূড়ান্ত হয়নি।*

*আর আওয়ামী লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর আরেকটি পথ রয়েছে, সেটি হচ্ছে শিল্প-বাণিজ্য সম্পাদকের পদ। সেই পদটির জন্য সাবেক মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের নেতা আলহাজ সৈয়দ আবুল হোসেন চেষ্টা করছেন বলে জানা গেছে। এছাড়া একজন শিল্পপতিও এই পদের জন্য আগ্রহী বলে জানা গেছে।*
*তবে আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল সূত্রগুলো বলছে, এই পাঁচটি পদে কাকে নিয়োগ দেয়া হবে, তা শেষ পর্যন্ত চূড়ান্ত করবেন শেখ হাসিনা। তাঁর কাছে ইতিমধ্যে সম্ভাব্য প্রার্থীদের একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা তৈরি করা হয়েছে এবং এই তালিকা থেকেই তিনি শেষ পর্যন্ত মনোনয়ন চূড়ান্ত করবেন বলে আওয়ামী লীগের সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে।*