প্রচ্ছদ স্বাস্থ্য *চী’নের পর করো’নাভাইরাসে সর্বাধিক আ’ক্রান্ত সি’ঙ্গাপুরে*

*চী’নের পর করো’নাভাইরাসে সর্বাধিক আ’ক্রান্ত সি’ঙ্গাপুরে*

62
*চীনের পর করোনাভাইরাসে সর্বাধিক আক্রান্ত সিঙ্গাপুরে*

*করো’নাভাইরাসে চীনের পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আক্রা’ন্তের সংখ্যা এখন সিঙ্গাপুরে। আজ নতুন করে আরও সাতজন আক্রান্ত হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। ফলে সেখানে করো’নাভাইরাস আ’ক্রান্তের মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪০ জনে। খবর চ্যা’নেল নি’উজ এশিয়া’র।*

*দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, নতুন আক্রান্তদের মধ্যে পাঁচজনই আগে আক্রান্তদের সঙ্গে সম্পর্কিত। তবে তারা কেউই সম্প্রতি চীন সফর করেননি। ভাই’রাস আক্রান্তদের মধ্যে দু’জনকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে। বাকি ৩৮ জনের মধ্যে বেশিরভাগেরই অবস্থা স্থিতিশীল। চারজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে, একজনকে অক্সিজেন দেয়া হচ্ছে।*
*বিশ্বের ২৮টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস। এখন পর্যন্ত প্রতিষেধকবিহীন এই ভাইরাসে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩৭ হাজার ছাড়িয়েছে। চীনে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮১৩ জনে।*

*ক’রোনার থাবা এবার কলকাতায়, আ’ক্রান্ত হয়ে হা’সপাতালে বৃদ্ধ*
*মৃত্যু পরোয়ানা নিয়ে এবার কলকাতায় ঢুকে পড়েছে প্রা’ণঘাতী করো’নাভাইরাস। এই ভাইরাসে আ’ক্রান্ত হয়ে কলকাতার মুকুন্দপুরের আরএ’নটেগোর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এক বৃদ্ধ। রেস’পিরেটরি প্যানেল টেস্টে ওই বৃদ্ধের শরীরে পাওয়া গেছে করো’নাভাইরাস!*
*ঘটনা চাউর হতেই চারিদিকে আতঙ্কের ছবি। হাসপাতালে উপস্থিত অন্যান্য রোগীর পরিবারের লোকেরাও আতঙ্কিত। অনেকেই হাসপা’তাল থেকে প্রিয়জনকে ছাড়িয়ে নিয়ে চলে যেতে চাইছেন। এই আশঙ্কায় যদি করোনা ঢুকে পড়ে শরীরে।*

*হাস’পাতাল সূত্রে জানা গেছে, ওই বৃদ্ধের বাড়ি যাদবপুরের পোদ্দার নগর এলাকায়। ফুসফুসের সংক্রমণ ছাড়াও একাধিক অসুখে ভুগছেন তিনি। শেষ খবর অনুযায়ী, তার শারীরিক অবস্থা সঙ্গীন। মৃত্যুর সঙ্গে পা’ঞ্জা লড়ছেন তিনি। বৃদ্ধের শরীরে করো’নাভাইরাসের খবরে আতঙ্ক ছড়িয়েছে যাদবপুরে তাঁর বাড়ির এলাকাতেও।*
*এদিকে, ক্রমশ বাড়তে থাকা আতঙ্ক ঠেকাতে এগিয়ে এসেছে হাস’পাতাল কর্তৃপক্ষ। আরএনটেগোরের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অযথা আত’ঙ্কিত হবেন না। এর সঙ্গে চীনের উহান স্ট্রে’ইন করো’নাভাইরাসের কোনও সম্পর্কই নেই। এইচসিওভি-২২৯ই, এইচসি’ওভিএনএল৬৩ অথবা এইচ’সিওভি এ’ইচকেইউ১ জাতীয় করোনা’ভাইরাস অন্তত সাধারণ। এমনই এক করোনাভাইরাসে আ’ক্রান্ত ওই ব্যক্তি।*

*ওই হাস’পাতালেরই চিকিৎসক বিশিষ্ট মেডি’সিন বিশেষজ্ঞ ডা. অরিন্দম বিশ্বাস জানিয়েছেন, অনেকে ভাবছেন ক’রোনাভাইরাস মানেই চীনের নোভে’ল করো’না ভাই’রাস। তা ঠিক নয়। এই করো’নাভাইরাসের সঙ্গে নভেল করো’নাভাইরাসের কোনও সম্পর্ক নেই। নো’ভেল করো’নাভাইরাস এন’সিওভি২০১৯ শ্রেণির। দুটো সম্পূর্ণ ভিন্ন।*
*তবে যে মৃ’ত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন ওই ব্যক্তি- এ বিষয়ে ডা. বিশ্বাস জানিয়েছেন, ওই ব্যক্তি কি’ডনির অসুখে আক্রা’ন্ত। বার্ধক্যজনিত সমস্যাও রয়েছে তার। এমতাবস্থায় সাধারণ ভাই’রাসকে ঠেকানোর মতো প্রতিরোধ শক্তি তার নেই। একারণেই সাধারণ করো’নাভাইরাস ঠেকাতে পারছেন না বৃদ্ধ।*

*এই করো’নাভাইরাসকে আর পাঁচটা ভাইরাল অসুখের মতোই বলছেন চিকিৎসকরা। ডা. বিশ্বাসের কথায়, ফুসফুসের সংক্রমণ এক ধরনের করোনা ভাইরাসের আক্র’মণেই হয়। ভাইরাল জ্বরেরও কোনও ওষুধ হয় না। কিছু নিয়ম মেনে চলতে হয়। এক্ষেত্রেও তাই। বাতাসে এমন সাধারণ করোনাভাইরাসের জীবাণু ভাসছে। তা ঠেকাতে মাস্ক পড়ার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। আপাতত আর’এনটেগোর হাসপা’তালে চিকিৎসক ডা. প্রতিক দাসের অধীনে ভর্তি রয়েছেন ওই বৃদ্ধ। শেষ পর্যন্ত পাওয়া খবরে আই’টিইউতে রয়েছেন তিনি। সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন*

*করো’নাভাইরাস: আরেকটি হাসপা’তাল তৈরি করল চীন*
*করো’নাভাইরাস আতঙ্কে ভুগছে পুরো বিশ্ব। চীনে ছড়িয়ে পড়া এই প্রাণ’ঘাতী ভাই’রাসে মৃ’তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮১৩ জনে। এখন পর্যন্ত প্রতিষেধকবিহীন এই ভাই’রাসে আ’ক্রান্তের সংখ্যা ৩৪ হাজার ৮০০ জন। এর মধ্যে চীনের হুবেই প্রদেশে ২৭ হাজার আক্রা’ন্ত হয়েছে। তারই জের ধরে এবার করো’নাভাইরাস আক্রা’ন্ত রোগীদের জন্য আরেকটি হাসপাতাল তৈরি করল চীন। মাত্র ১২ দিনের ব্যবধানে দ্বিতীয় হাস’পাতালটি তৈরি করা হয়েছে।*

*ভাই’রাসের কেন্দ্রস্থল উহানের লেই’শেনশান হাসপা’তালটি এখন রোগীদের অপেক্ষায়। মাত্র কয়েকদিনের ব্যবধানে নির্মিত এ হা’সপাতালটিতে মোট ১২টি ওয়ার্ড রয়েছে। আর শয্যা সংখ্যা দেড় হাজার। ক’রোনাআক্রান্ত রোগীদের বিশেষভাবে চিকিৎসা সেবা দিতেই এ হাস’পাতালটি তৈরি করা হয়েছে।*
*এর আগে ১০ দিনের ব্যবধানে গত ২ ফেব্রুয়ারি উহানের মেয়র জহু জিন’ওয়াং হিউ’শেনশান নামের প্রথম হাসপা’তালটি তৈরি করা হয়। এরপর হাসপা’তালটি দেশটির সামরিক বাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়। যা এখন রোগীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছে। হাসপাতালে শয্যা সংখ্যা এক হাজার।*

*করোনাভা’ইরাস: মা-মেয়ের যে আবেগঘন মুহূর্ত দেখে কাঁদছে গোটা বিশ্ব*
*মা না’র্স। করোনা আক্রান্ত’দের চিকিৎসায় নাওয়া-খাওয়া ভুলেছেন তিনি। ছোট্ট মেয়ের দেখভালের সময়ও পাচ্ছেন না। হাস’পাতালের চার দেওয়ালেই দিন কাটছে তাঁর। কিন্তু ছোট্ট শিশু বোঝে না করোনার ভয়াবহতা। তাই তো মাকে ছাড়া এক সেকেন্ডও কাটছে না তার। দূর থেকে হাস’পাতালে মাকে দেখে আসা ছাড়া, আর কোনও উপায় নেই শিশুর। সংক্রমণের আশঙ্কায় তাই দূর থেকে মেয়েকে আলিঙ্গন করছেন মা। আবেগঘন মুহূর্তের ভিডিওই এখন নেটদুনিয়ায় ভা’ইরাল। মা-মেয়ের দূরত্ব চোখে জল এনেছে নেটি’জেনদের।*

*ক’রোনা আ’তঙ্কে কাঁপছে চীন। সংস্পর্শেও মা’রণ ভাই’রাস শরীরে প্রবেশ করার সম্ভাবনা প্রবল। তা সত্ত্বেও দায়িত্ব থেকে পিছু হটার কথা ভাবতেও পারেন না চীনের এক নারী না’র্স। কারণ, চাকরি জীবনের শুরু থেকেই যে তার ব্রত অসুস্থকে সুস্থ করে তোলা। তাই আতঙ্ককে দূরে সরিয়ে করোনা আক্রান্তের সেবায় ব্রতী তিনি। দিনরাতের অধিকাংশ সময় যে কীভাবে কেটে যাচ্ছে, তা বুঝতেই পারছেন না। নাওয়া-খাওয়াও প্রায় ভুলতে বসেছেন। এই পরিস্থিতিতে মেয়ের সঙ্গেও দূরত্ব বেড়েছে তার। করোনা যদি মেয়ের শরীরে বাসা বাঁধে, এই আতঙ্কে সন্তানের কাছে যাচ্ছেন না। হাজারও ব্যস্ততার মাঝে মেয়েকে কাছে না টেনে থাকতে পারতেন না যে মা, তিনি আজ হাসপাতালের চার দেওয়ালে বন্দি।*

*এদিকে, মাকে কাছে না পেয়ে দুঃখে দিন কাটছে খুদে শিশুর। করোনা ভয়াবহতা সম্পর্কে এখনও বোধ তৈরি হয়নি তার। তাই মাকে কাছে না পেয়ে থাকতে পারছে না সে। কয়েক মিনিটের জন্য দূর থেকে মাকে দেখেই দিন কাটছে। মায়ের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার সময় রোজ কিছু না কিছু হাতে করে নিয়েও যায় সে। কোনওদিন পুডিং কিংবা কোনওদিন চকলেট সঙ্গে থাকেই। মেয়ে চলে যাওয়ার পর তার দেওয়া চকলেট বা পুডিং সস্নেহে তুলে নেন নার্স।*

*সম্প্রতি মা-মেয়ের দেখা হওয়ার আবেগঘন মুহূর্তের ভিডি’ও ভাইরা’ল হয়ে যায়। ওই ভি’ডিওতে দেখা যাচ্ছে, অবুঝ সন্তান তার মাকে প্রশ্ন করছে কবে আবার সব আগের মতো হবে? মা জবাবে জানান, “তোমার মা দৈত্যদের সঙ্গে লড়াই করছে। তারা মারা গেলেই আবারও মা ফিরে আসবে। যুদ্ধ জয় করেই তোমার কাছে ফিরে যাব।” একথা বলার পরই অঝোরে কাঁদছেন মা-মেয়ে। দূর থেকে আলিঙ্গনের ভঙ্গিমায় হাত বাড়ান মা। মেয়েও তাকে দেখে তাই করে। এরপর পু’ডিং রেখে হাসপা’তাল থেকে বেরিয়ে যায় মেয়ে। চোখের পানি মুছতে মুছতে খাবারের কৌটা হাতে তুলে হাসপাতালের ভিতরে ঢুকে যান মা।
দূর থেকে আলিঙ্গনের মুহূর্ত মন কেড়েছে নেটি’জেনদের। তাদের একটাই প্রার্থনা, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব করোনাভাইরাস দমন হোক। দূরত্ব ঘুচুক মা-মেয়ের।*