প্রচ্ছদ অর্থ-বাণিজ্য *রিজার্ভ চুরির টাকা ফেরত পাওয়া অনিশ্চিত*

*রিজার্ভ চুরির টাকা ফেরত পাওয়া অনিশ্চিত*

12
*রিজার্ভ চুরির টাকা ফেরত পাওয়া অনিশ্চিত*

*রিজার্ভ চুরির ৪ বছরেও উদ্ধার হয়নি সোয়া পাঁচশো কোটি টাকা। কবে নাগাদ ফেরত আসবে সে ধারণাও নেই বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তাদের। বিশ্লেষকেরা বলছেন, যে প্রক্রিয়া চলছে তাতে ফেরত পাওয়া প্রায় অসম্ভব।*
*বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে হ্যাকাররা প্রায় ৮শ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার পর ২৮০ কোটি টাকা ফেরত পাওয়া যায়। বাকি প্রায় সোয়া পাঁচশো কোটি টাকা ঘটনার ৪ বছরেও উদ্ধার হয়নি। যে প্রক্রিয়াতে চুরি যাওয়া টাকা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে সেই প্রক্রিয়ায় ফেরত পাওয়া সম্ভবই না বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।*

*২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি অর্থ চুরি হওয়ার পর গত বছরের ৩১ জানুয়ারি মামলা করে বাংলাদেশ ব্যাংক।*
*পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট- পিআরআইয়ের নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর গণমাধ্যমকে বলেন, যাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে তারা যদি পরবর্তী সময়ে এ ধরনের চুরিতে জড়ান তবেই কেবল আদালত মামলাটি আমলে নেবে, অন্যথায় নয়। যদি সে সমস্ত অপরাধী আর এমন অপরাধে না জড়ায় তবে শুধু ১০ বছর না কোনওদিনও চুরি যাওয়া রিজার্ভ ফেরত পাওয়া সম্ভব নয়।*

*বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা যে আশার বাণী শোনাচ্ছেন সেটা এক প্রকার ফাঁকা বুলি বলেও জানান তিনি। বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বারবার বলছে , চুরি যাওয়া অর্থ ফেরত পাওয়া যাবে। তবে কবে নাগাদ ফেরত আসবে সে ধারণা নেই বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তাদেরও।*
*জানা গেছে, মামলাটি সেখানে চলবে কি না সেটাই এখনও চূড়ান্ত হয়নি। অথচ বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তার আশা করছেন, মামলায় জয়ী হলে চুরি যাওয়া টাকা ফেরত পাওয়া যাবে।*

*বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর আবু হেনা মামলার রায়ের মাধ্যমে অর্থ ফেরত পাবার কথা বললেও তিনি আবার সন্দেহ প্রকাশ করে বলেন, মামলাটি চলবে কি না সেটার অপেক্ষায়ই আছি আমরা।*
*এ ধরনের ঘটনা যে ভবিষ্যতে ঘটবে না তার কোনও নিশ্চয়তা নেই। ব্যাংকের কর্মকর্তাদের অদক্ষতা এবং অবহেলায় এরকম ঘটনা আবারো ঘটতে পারে। সে কারণে প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও দক্ষতা বাড়াবার কোনও বিকল্প নেই বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।*