প্রচ্ছদ বাংলাদেশ জাতীয় *শিবির ক্যা’ডার থেকে ছাত্রলীগ নে’তা রিয়াদের নানা অ’পকর্ম*

*শিবির ক্যা’ডার থেকে ছাত্রলীগ নে’তা রিয়াদের নানা অ’পকর্ম*

82
*শিবির ক্যাডার থেকে ছাত্রলীগ নেতা রিয়াদের নানা অপকর্ম*

*নির্বাচনের দিন রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় দুই সাংবাদিকের মোবাইল ছি’নিয়ে নিয়ে তাদের আট’ক রাখাসহ ভ’য়ভীতি প্রদর্শনকারী ছাত্রলীগ নেতা শহিদুল ইসলাম খান রিয়াদের অপরাধ অপকর্মের নানা কা’হিনী বেরিয়ে আসতে শুরু করেছে। শিবির ক্যা’ডার হিসেবে একদা শিবিরের মেসগুলো দেখভালের দায়িত্ব পালনকারী রিয়াদ ক্ষমতাসীন দলের এমপিপুত্রের হাত ধরে ছাত্রলীগে পুনর্বাসিত হয়েই বিশাল দাপুটে হয়ে উঠে।*

*অবৈধ অ’স্ত্র ব্যবসা প‌রিচালনার মাধ্যমে মাত্র পাঁচ বছরে অর্থ‌বিত্তে প্রতাপশালী হয়ে ওঠা রিয়াদরাই এখন স্থানীয় রাজনী‌তির নেপথ্য নিয়ন্ত্র’ক। ভারতীয় ক্ষুদে অ’স্ত্র চোরাচা’লানের মাধ্যমে আমদা‌নি করে তা কি‌স্তিতে বাজারজাত ক‌রছে রিয়াদের সি‌’ন্ডি‌কেট। এ রমরমা বা‌ণিজ্য বহাল রাখ‌তে সে ওয়ারী জোনের দুই এ‌সি, চার ও‌সিসহ অন্তত ১০ পু‌লিশ কর্মকর্তা‌কে মাসোহারা দেয়, আজ্ঞাবহ রাখে। তার অস্ত্র ব্যবসার আদ্যোপান্ত জেনে ২০১৭ সাল থেকেই ডি‌বি পিছু লাগে। কিন্তু রাজনৈ‌তিক প্রভাব ব্যবহার করে অদ্যাবধি বহাল ত‌বিয়তে রয়েছে রিয়াদ।*

*গেন্ডারিয়া থানা ছাত্রলীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম খান ওরফে রিয়াদের বিরু’দ্ধে অ’স্ত্র ব্যবসার অভি’যোগে পুলিশের বাদী হওয়া একটি মাম’লারও সন্ধান পাওয়া গেছে মতিঝিল থানা থেকে। ২০১৭ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি পিস্ত’ল, গু’লিসহ কমলাপুর বাজার রোডে দুই যুবককে আ’টকের সূত্র ধরে রিয়াদের অ’স্ত্র ব্যবসায় জড়িত থাকার তথ্য পায় পুলিশ। পরদিন আটক দুই যুবকসহ রিয়াদকেও আসামি করে মতিঝিল থানায় মাম’লাটি রুজু হয়।*
*মাম’লা সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে ২১ ফেব্রুয়ারি কমলাপুর বাজার রোডের আনার বেকারির পশ্চিম পাশে অ’স্ত্র কেনা-বেচা হবে। সে অনুযায়ী দুপুর ১২টার দিকে পুলিশ ওই এলাকায় গেলে দুই যুবক পালানোর চেষ্টা করতেই পুলিশ তাদের আ’টক করে।*

*আটক দুজন হলেন নাহিদুল ইসলাম (৩০) ও নাজমুল হোসেন ওরফে নোমান (২৯)। তাদের তল্লা’শি করে নাহিদুল ইসলামের হাতে থাকা খাকি রঙের একটি শপিং ব্যাগে একটি বিদেশি পি’স্তল, একটি ম্যা’গাজিন ও দুটি গু’লি পাওয়া যায়। পরে তাদের দেওয়া তথ্য অনুসারে নোমানের মতিঝিলের কবি জসীমউদ্দীন রোডের ভাড়া বাসায় অভি’যান চালিয়ে আরও দুটি বিদেশি পি’স্তল, ম্যাগা’জিন ও গু’লি উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নোমান পুলিশকে জানান, স্থানীয় বড় ভাই কামরুল ইসলাম (২৯) ও রিয়াদ (২৮) বিক্রির জন্য তার কাছে অস্ত্র ও গুলিগুলো রাখতে বলেছিলেন।*

*২২ ফেব্রুয়ারি নাহিদুল, নোমান, কামরুল ও রিয়াদকে আ’সামি করে অ’স্ত্র আ’ইনে মাম’লা হয়। মাম’লার এজাহারে প্রথম তিন আ’সামির পূর্ণাঙ্গ নাম-ঠিকানা দেওয়া হলেও রিয়াদের পূর্ণাঙ্গ নাম ও ঠিকানা দেওয়া হয়নি। তবে রিয়াদের নামের সঙ্গে তার মোবাইল নম্বর দেওয়া ছিল। এই মোবাইল নম্বর ধরে খোঁজ নিয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে রিয়াদের পুরো নাম শহিদুল ইসলাম খান। তিনি গেন্ডারিয়া থানা ছাত্রলীগের সভাপতি। অপর আসামি কামরুল ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সাবেক সহ সম্পাদক বলে জানিয়েছিলেন মা’মলার তদন্ত কর্মকর্তা মতিঝিল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুল ইসলাম আকন্দ।*
*তিনি আরও বলেন, গ্রেফতারের পর নাহিদুল ও নোমানকে তিনদিন করে রি’মান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। দু’জনই ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবা’নবন্দি দিয়েছেন। জবানবন্দিতে দু’জন বলেছেন, অ’স্ত্র ও গু’লিগুলো তারা কামরুল ও রিয়াদের কাছ থেকে পেয়েছেন।*