প্রচ্ছদ বাংলাদেশ জাতীয় *ভোট দিয়ে যে ক্ষো’ভ জানালেন প্রধানমন্ত্রী*

*ভোট দিয়ে যে ক্ষো’ভ জানালেন প্রধানমন্ত্রী*

143
*ভোট দিয়ে যে ক্ষোভ জানালেন প্রধানমন্ত্রী*

*বাংলাদেশিরা কীভাবে বিদেশি পর্যবেক্ষক হয়, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। ঢাকা সিটি কলেজ কেন্দ্রে ভোট প্রদান শেষে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেন। এ সময় স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিদেশি কূটনীতিকদের অতি উৎসাহ এবং উদ্বেগ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ প্রশ্ন তোলেন প্রধানমন্ত্রী।*

*প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিদেশিরা উদ্বেগ তারা প্রকাশ করতে পারেন। কারণ আমাদের অতীত ইতিহাস তো ভালো না। আস্তে আস্তে আমরা সেই অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটিয়েছি। তাদের বিভিন্ন দূতাবাসে বাংলাদেশি চাকরি করেন। তাদেরকে বিদেশি পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিয়ে তারা সঠিক কাজ করেননি। কারণ তারা কীভাবে বিদেশি পর্যবেক্ষক হয়? তারা তো সেখানে চাকরি করেন।’*

*প্রসঙ্গত, আজ শনিবার সকাল ৮টায় শুরু হয়েছে ঢাকার উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাচন। চলবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। সর্বশেষ ২০১৫ সালের ২৮ এপ্রিল ঢাকার দুই সিটিতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ওই সময় ঢাকা উত্তরে ৩৬টি ও দক্ষিণে ৫৭টি ওয়ার্ড ছিল। এবারের দুই সিটিতে ১৮টি করে মোট ৩৬টি ওয়ার্ড সম্প্রসারণ করা হয়েছে। এতে বেড়েছে ভোটার ও কেন্দ্র সংখ্যাও। এ নির্বাচনে দুই সিটিতে ২ হাজার ৪৬৮টি কেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাচ্ছেন ৫৪ লাখ ৬৩ হাজার ৪৬৭ জন ভোটার।*

*উত্তর-দক্ষিণে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বিজয়ী হবে, আশা প্রধানমন্ত্রীর*
*নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে যোগ্য প্রার্থীকে নির্বাচিত করার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, আমি নৌকা মার্কায় ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপসকে ভোট দিলাম। উত্তরে আমাদের প্রার্থী আতিকুল ইসলাম। আশা করি দুই প্রার্থীই বিজয়ী হবে। আমি ঢাকাবাসীকে বলবো আপনারা নৌকা মার্কায় ভোট দিন। যোগ্য প্রার্থীকে বিজয়ী করুন।*

*শনিবার সকালে ঢাকা সিটি কলেজে ভোট প্রদান করে সাংবাদিকদের কাছে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মেয়র প্রার্থী ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস ও তার সহধর্মিণী উপস্থিত ছিলেন।*
*প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, অত্যন্ত সফলভাবে আমি ইভিএমে ভোট দিয়েছি। নির্বাচন কমিশন পর্যায়ক্রমে সারাদেশে ইভিএমের মাধ্যমে ভোট গ্রহণ করবে। যাতে মানুষের ভোটাধিকার কেউ কেড়ে নিতে না পারে।*