প্রচ্ছদ স্বাস্থ্য *প্রা’ণঘাতী করো’নাভাইরাসের টি’কা শিগগিরই আসছে*

*প্রা’ণঘাতী করো’নাভাইরাসের টি’কা শিগগিরই আসছে*

30
*প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের টিকা শিগগিরই আসছে*

*প্রা’ণঘাতী নো’ভেল ক’রোনা ভাই’রাসের ‘(2019-nCoV)’ টি’কা উদ্ভাবনে কাজ করছেন রাশিয়া ও চীনের বিজ্ঞানীরা। এরইমধ্যে চীন ক’রোনা ভাই’রাসের জেনোম রাশিয়ার বিজ্ঞানীদের কাছে হস্তান্তর করেছে। তারা আশা প্রকাশ করছেন, শিগগিরই ভাই’রাসটির প্রতিষেধক উদ্ভাবন করা সম্ভব হবে।*
*বুধবার (২৯ জানুয়ারি) রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় বা’র্তা সংস্থা তা’সের এক প্রতিবে’দনে জানানো হয়, প্রাণঘাতী নো’ভেল করোনা ভা’ইরাসের টি’কা উদ্ভাবনের জন্য রাশিয়ার নো’ভোসিবির্স্কের ভাইরো’লোজি ও বায়ো’টেকনোলোজি বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ভেক্ট’র ইনস্টি’টিউটের বিজ্ঞানীরা কাজ করছেন।*

*প্রতিবে’দনটিতে জানানো হয়, এরইমধ্যে তারা পরীক্ষামূলকভাবে দু’টি টিকার প্রোটো’টাইপ উদ্ভাবন করেছেন।*
প্রতিষ্ঠানের পরিচালক রিনাত মাক’সুইতভ জানান, আগামী জুনে টি’কাগুলোর প্রোটো’টাইপ প্রথমবারের মতো পরীক্ষা করা হবে। তিনি জানান, ভে’ক্টর ইনস্টি’টিউট এরইমধ্যে নো’ভেল করো’না ভা’ইরাসের দুটি প্রকারভেদ আবিষ্কার করেছে।*
*এদিকে রাশিয়ার কাছে ভাইরা’সটির জে’নোম হস্তান্তর করেছে চীন। এ বিষয়ে জানিয়েছে চীনের গুয়াং’জুতে অবস্থিত রাশিয়ার কন’স্যুলেট জেনা’রেল কার্যালয়।*

*বুধবার গুয়াং’জুর রু’শ কনস্যুলে’ট এক বিবৃতিতে জানায়, চীনা কর্তৃপক্ষ রাশিয়ার কাছে ক’রোনা ভা’ইরাসের জে’নোম হস্তান্তর করেছে। এটা মানবদেহে ভাই’রাসটির উপস্থিতির বিষয়ে পরীক্ষার পদ্ধতিকে আরও সহজ করতে রুশ বিজ্ঞানীদের চেষ্টাকে সাহায্য করবে।*
*২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের হুবেই প্রদেশের রাজধানী উহানের একটি সি’-ফুড মার্কেট থেকে ভাইরা’সটি ছড়িয়েছে বলে ধারণা করা হয়। চীনে এ ভা’ইরাসে আক্রা’ন্ত হয়ে এ পর্যন্ত অন্তত ১৭০ জনের মৃত্যু হয়েছে।*

*ইতোমধ্যেই চীনের বিভিন্ন প্রদেশের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, থাইল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, মালয়েশিয়া, নেপাল, ফ্রান্স ও কানাডা পর্যন্ত ছড়িয়েছে এ ভাই’রাসটি।*
*ক’রোনা ভাই’রাসের পরিস্থিতিকে বিশ্ব জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি হিসেবে বিবেচনা করছে না বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। ২২ ও ২৩ জানুয়ারি জে’নেভায় সংস্থা’টির বিশেষ কমিটির বৈঠকের পর সংস্থাটি এ সিদ্ধান্তের কথা জানায়। তবে নোভে’ল করো’না ভাইরা’সের প্রাদুর্ভাবকে চীনের জন্য জরুরি অবস্থা সৃষ্টির কথা স্বীকার করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।*