প্রচ্ছদ স্পটলাইট *ইসরায়েলের কাছে ন’তজানু হয়ে কোরআনকে বি’কৃত করলো সৌদি*

*ইসরায়েলের কাছে ন’তজানু হয়ে কোরআনকে বি’কৃত করলো সৌদি*

216
*ইসরায়েলের কাছে নতজানু হয়ে কোরআনকে বিকৃত করলো সৌদি*

*সৌদি আরবের বিরু’দ্ধে কোরআনের ভুল অনুবাদ ছাপানোর অ’ভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি মদিনায় অবস্থিত সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান কিং ফাহাদ ক’মপ্লেক্স হিব্রু ভাষায় কোরআন অনুবাদ করার পর এ অভি’যোগ ওঠে।*
*মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক ব্রি’টিশ পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা মি’ডল ই’স্ট মনি’টরের এক সংবাদে বলা হয়, হিব্রু ভাষায় অনুবাদ হওয়া কোরআনে তিন শতাধিক জায়গায় ‘ভুল’ রয়েছে। এ ছাড়া বেশ কয়েক জায়গায় কোরআনের অনেক অর্থ ‘চেপে যাওয়া হয়েছে’ বলেও প্রতিবেদনটিতে দাবি করা হয়েছে।*

*মি’ডল ই’স্ট মনি’টর আরও দা’বি করছে, ফিলিস্তিনে ইসরায়েলকে দ’খলদারিত্বের বৈধতা প্রদানের জন্যই সৌদি আরব এমন অনুবাদ করেছে। এ অনুবাদে ইসরায়েল কোরআনের সমর্থন পাবে। শুধু তাই নয়, পবিত্র কোরআনের এ অনুবাদে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (স.)’র নাম উল্লেখ করা থেকে বিরত থাকা হয়েছে।*

*অনুবাদটিতে পবিত্র মেরাজের তথ্যও বি’কৃতি করা হয়েছে। মেরাজে হযরত মুহাম্মদ (স.) মক্কা থেকে আল-আ’কসা ম’সজিদে যান যে বিষয়টিকে উহ্য রাখা হয়েছে। পবিত্র কোরআনের এ অনুবাদে আল-আ’কসা মসজিদকে ইহুদিদের গির্জা বলে উল্লেখ করা হয়েছে।*
*উল্লেখ্য, ইসলাম ধর্মের তৃতীয় পবিত্রতম মসজিদ আ’ল আ’কসা মুসলিমদের কাছে আল হা’রাম আল শরিফ এবং বাই’তুল মু’কাদ্দাস নামেও পরিচিত। এটি ইহুদিদের কাছে টে’ম্পল মা’উন্ট হিসেবে পরিচিতি।*

*ছিলেন যুবতী, একটি মাছ খেতেই রাতারাতি হয়ে গেলেন বৃদ্ধা!*
*কথায় বলে মাছে ভাতে বাঙালি, মাছ না খেলে বাঙালির খাদ্য পর্ব যেন ঠিক সম্পূর্ণ হয় না! প্রায় প্রতিটি বাঙালি বাড়িতেই প্রতিদিন মাছ রান্না হয়, আয়েস করে খাওয়াও হয়, ওঠে তৃপ্তির ঢেঁকুর… কিন্তু একবার ভাবুন তো, মাছ খেয়ে যদি বয়সটা একলাফে অনেকটা বেড়ে যায়?*
*নিশ্চয়ই ভাবছেন, এ কী গাঁজাখুরি কথা? কিন্তু বাস্তবে যে ঠিক এমনটাই ঘটেছে! মাছ খেয়ে কয়েকদিনের মধ্যেই এক তরুণী হয়ে গেলেন বৃদ্ধা। তরতাজা ফুটফুটে তরুণীর শুধুমাত্র মাছ খাওয়ার কারণে আজ বৃদ্ধার মত চেহারা… মুখভর্তি ভাঁজ, ঝুলে পড়া চামড়া… ২৩ বছরের ওই তরুণীকে দেখলে মনে হবে যেন ৭৩ বছর বয়সী বৃদ্ধা।*

*অবিশ্বাস্য, ভ’য়াবহ ঘট’নাটি ঘ’টেছে ভিয়েতনামে। প্রতিদিনের মতোই মধ্যাহ্নভোজনে মাছ খান গৃহবধূ থি ফুয়ং। এরপরই বিপত্তি! ওই তরুণীর শরীরে শুরু হয় অ্যালার্জিক রিঅ্যাকশন। অ্যালার্জির জেরে প্রায় রাতারাতি তরুণী থেকে বৃদ্ধায় পরিণত হন থি ফু’য়ং।*
*ঘটনার সূত্রপাত হয় ২০০৮ সালে। বুড়িয়ে যেতে থাকেন ওই তরুণী। দীর্ঘ ১২ বছরেও মেলেনি সমাধান। বরং পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। অবশেষে, ভিয়েতনামের মেকং ডেলটা অঞ্চলের বেন ট্রি এলাকার বাসিন্দা থি ফুয়ং ও তার পেশায় মিস্ত্রি স্বামী থান টুয়েন সাহায্য চেয়ে পুরো ঘটনাটি মিডিয়ার সাহায্যে প্রকাশ্যে আনেন।*

*চিকিৎসকদের মত, থি ফু’য়ং-এর পরিস্থিতিকে ডাক্তারি ভাষায় বলে লা’ইপোডিসট্রফি। এটি এমন একটি অসুখ যেখানে ত্বকের নীচে পুরু ফ্যাটি টিস্যুর স্তর তৈরি হয়। এই সিনড্রোমের চিকিৎসা এখনও পর্যন্ত নেই বললেই চলে। এই অসুখে আক্রান্ত ব্যক্তিদের চামড়া ঝুলে পড়ে, গোটা শরীর বুড়িয়ে যায়। মারাত্মক বিরল এই অসুখ। গবেষণা বলছে, গোটা বিশ্বে মাত্র ২ হাজার মানুষ এই অসুখে আ’ক্রান্ত।*
*২০০৬ সালে নিজের বিয়ের ছবি দেখে এখনও ভেঙে পড়েন থি ফু’য়ং। জানান, মাছ খাওয়ার পর প্রথমে গোটা শরীর চুলকাতে শুরু করে।*
*তিনি জানান, হাসপাতালে যাওয়ার টাকা ছিল না, তাই স্থানীয় একটি ওষুধের দোকান থেকেই অ্যা’লার্জির ওষুধ কিনে খান। টানা একমাস ওষুধ খেয়েও কোনও ফল মেলেনি… ততদিনে বৃদ্ধার চেহারার আকার নিয়েছে থি ফুয়ং-এর গোটা শরীর। সূত্র: ডে’ইলি মেই’ল।*