প্রচ্ছদ রাজনীতি *একজন দুর্নী’তির বরপুত্র ও একজন দুর্নী’তিবাজ মে’য়র প্রার্থী*

*একজন দুর্নী’তির বরপুত্র ও একজন দুর্নী’তিবাজ মে’য়র প্রার্থী*

236
*একজন দুর্নীতির বরপুত্র ও একজন দুর্নীতিবাজ মেয়র প্রার্থী*

*তাবিথ আউয়াল বিএনপির রাজনীতিতে ‘নো ব’ডি’। তিনি রাজনীতির সঙ্গে কখনও নিজেকে সম্পৃক্ত করেননি। ছাত্র রাজনীতিও করতেন না। তার একমাত্র পরিচয় তার পিতা আবদুল আউয়াল মিন্টু, যিনি কিনা একজন সুবিধাবাদী রাজনীতিক। তিনি ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ করেছেন। আর ২০০১ সালে বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন।*

*আবদুল আউয়াল মিন্টুও তৃণমূল থেকে উঠে আসা কোনও রাজনীতিবিদ নন। বরং দুর্বৃ’ত্তায়নের মাধ্যমে অর্জিত বিপুল বিত্তকে সংহত করার জন্যই তিনি রাজনীতিকে হা’তিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছেন। সেই আবদুল আউয়াল মিন্টুর সন্তান তাবিথ আউয়াল ঢাকা উত্তরে আওয়ামী লীগের প্রার্থী। তবে তাবিথ আঊয়াল মিন্টুর বড় পরিচয় হলো, তিনি তারেক জিয়ার এ’জেন্ট।*
*গত ১১ বছর ধরে লন্ডনে পলাতক তারেক জিয়ার প্রধান অর্থদাতা হলেন তাবিথ আউয়াল। মাঝে মাঝেই তিনি লন্ডনে যান। সেখানে তিনি তারেকের সঙ্গে দেখা সাক্ষাৎ করেন। লন্ডনে তারেকের বিএ’মডব্লিউ গাড়িটি তাবিথ আউয়াল উপহার হিসেবে তারেককে দিয়েছিলেন।*

*বিএনপির অনেক নে’তাই বলেন যে, তারেকের সাথে আর্থিক লেনদেনের কারণেই বিএনপির রাজনীতিতে প্রভাবশালী হয়ে উঠেছেন তাবিথ আউয়াল। তাবিথ আউয়াল ২০১৫ সালের নির্বাচনেও অংশগ্রহণ করেছিলেন। কিন্তু সেই নির্বাচনে অংশগ্রহণটা ছিলও কাকতালীয়। সে সময় আবদুল আউয়াল মিন্টু প্রার্থী হয়েছিলেন। কিন্তু তার প্রার্থিতা যদি কোনো কারণে বাতিল হয়, এজন্য বিকল্প হিসেবে তাবিথকে রাখা হয়েছিল। পরে আবদুল আউয়াল মিন্টুর প্রার্থিতা বা’তিল হয়ে যায় এবং তাবিথ আউয়াল আসেন। সেখান থেকেই তাবিথের উত্থান। এরপর তিনি তারেকের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলেন। তারেককে নিয়মিত মা’সোহারা দেওয়া, তারেকের অনৈ’তিক কর্মকাণ্ডে অর্থের যোগান দেয়েই তিনি বিএনপির রাজনীতির কেন্দ্রে এসেছেন। সেই পথ ধরেই তিনি ঢাকা উত্তর সি’টি কর্পো’রেশনের মেয়’র প’দে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।*

*তাবিথ আউয়ালের আরেকটি পরিচয় হলো, বাংলাদেশের অর্থ যারা বিদেশে পা’চার করেছেন, তাদের অন্যতম হলেন তাবিথ। পা’নামা পে’পার্স এবং প্যা’রাডাইস পে’পার্স দুটোতেই বাংলাদেশ থেকে যারা বিদেশে অর্থ পাচার করেছে সেখানে তাবিথের নাম আছে। আবদুল আউয়াল মিন্টু, তার স্ত্রী নাসরিন আউয়াল মিন্টু এবং তাবিথ আউয়াল বাহামাসহ বিভিন্ন দেশে অপ্স’হর কো’ম্পানি খুলে বাংলাদেশের অর্থ পা’চার করেছেন। এ নিয়ে তাবিথ আউয়ালকে দুদ’ক জিজ্ঞাসাবাদ করলেও তার বি’রুদ্ধে কোনও আই’নগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় নি। তারেকের এ’জেন্ট এবং বাংলাদেশের অর্থ বিদেশে পাচা’রকারীই যদি মে’য়র হিসেবে নির্বাচিত হন তাহলে সি’টি কর্পোরে’শনের কী হাল হবে তা নিয়ে রাজনীতি বিশ্লেষকদের কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন।*