প্রচ্ছদ খেলা ক্রিকেট *বি’সিবির দ্বৈত নীতি: সাকিবের বেলায় ক’ঠোরতা, লোকমানের বেলায় মাফ*

*বি’সিবির দ্বৈত নীতি: সাকিবের বেলায় ক’ঠোরতা, লোকমানের বেলায় মাফ*

79
*বিসিবির দ্বৈত নীতি: সাকিবের বেলায় কঠোরতা, লোকমানের বেলায় মাফ*

*ম্যাচ পাতানোর প্রস্তাব পাওয়ার বিষয়টি গোপনের দায়ে এক বছরের জন্য সব ধরনের ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ রয়েছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। ইতোমধ্যে সাকিবের নিষেধাজ্ঞার দুই মাস পার হয়ে গেছে। এই দুই মাস বিসিবি থেকে তিনি কোনো বেতন পাননি; যার অর্থ দাঁড়ায় কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে সাকিব বাদ পড়েছেন।*

*সাকিব আল হাসান যখন নিষিদ্ধ হন, ওই সময় তার কেন্দ্রীয় চুক্তিতে থাকা না থাকার বিষয়ে তাড়াহুড়া করে কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি বোর্ড। আইসিসির দেয়া শাস্তির ব্যাখ্যাতেও এমন কোনো স্পষ্ট নির্দেশনা ছিল না। কোনো আইনে লেখা না থাকলেও নিষিদ্ধ ক্রিকেটার কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে বাদ পড়বেন; এটাই প্রচলিত প্রথা। ২০১৯ সালের চুক্তি শেষ হওয়ার আগেই সাকিব আল হাসান বাদ পড়েছেন। ২০২০ সালের নতুন কেন্দ্রীয় চুক্তির তালিকায় সাকিব যে থাকছেন না, সেটা নিশ্চিত।*

*অথচ যে বিসিবি আইনের প্রয়োগে কঠিন অবস্থানে সেই বিসিবির পরিচালক লোকমান হোসেন ভূঁইয়া মাদকসহ কয়েকটি মামলায় জেলে থাকলেও আইনের দোহাই এবং আইসিসির ভয় দেখিয়ে এখনও বিসিবি পরিচালকের পদে বহাল তবিয়তে আছেন। তাই স্বাভাবিকভাবেই এখন প্রশ্ন উঠেছে, বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের বন্ধু বলেই লোকমানের ক্ষেত্রে আইনের উল্টো প্রয়োগ চলছে?*

*আইন সবার জন্য সমান- এই তত্ত্বকে বুড়ো আঙুল দেখিয়েছেন লোকমান হোসেন ভুইয়া। বাসায় মাদক রাখার অপরাধে জেলে গেছেন। ৪১ কোটি টাকা পাচারের অপরাধে তার বিরুদ্ধে হয়েছে মানি লন্ডারিং মামলা। সেই ব্যক্তি এখনো বহাল তবিয়তে বোর্ডের পরিচালক। প্রায় ৩ মাস পেরিয়ে গেলেও গঠণতন্ত্রের দোহাই দিয়ে এখনো লোকমানা আগের জায়গাতেই আছেন।*

*ফ্যাসিলিটি বিভাগের চেয়ারম্যান থেকে লোকমান হোসেনকে সরিয়ে দেয়ার কোন আনুষ্ঠানিক বার্তাও দেয়নি বোর্ড। পূর্বাচলে ক্রিকেট স্টেডিয়ামের ৫ সদস্যের কমিটিতে তিনি আছেন কি না, সেটাও পরিষ্কার নয়। তাই তো ক্রিকেট মহলে প্রশ্ন, আইন আর নৈতিকতা বিষয়ে কঠোর বিসিবি কি সবক্ষেত্রে কঠোর হতে পারছে?*