প্রচ্ছদ বাংলাদেশ জাতীয় *বঙ্গবন্ধুর লা’শ প’ড়ে থা’কলো কেন, এত নে’তা কো’থায় ছিল?: প্রধানমন্ত্রী*

*বঙ্গবন্ধুর লা’শ প’ড়ে থা’কলো কেন, এত নে’তা কো’থায় ছিল?: প্রধানমন্ত্রী*

40
*বঙ্গবন্ধুর লাশ পড়ে থাকলো কেন, এত নেতা কোথায় ছিল?: প্রধানমন্ত্রী*

*১৯৭৫ সালের ১৫ আগ’স্টে সপরিবারে বঙ্গবন্ধুকে হ’ত্যার সময় দলের নে’তা-কর্মীদের ভূমিকা প্রসঙ্গে প্রধানমমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘এত বড় একটা ঘ’টনা, বাংলাদেশের কি কোনো লোক জানতে পারলো না? কেউ কোনো পদ’ক্ষেপ নিল না। ওই লা’শ পড়ে থাকলো ৩২ নম্বরে! কেন? সেই উত্তর আমি এখনো পাইনি। এত বড় সংগঠন, এত নে’তা কোথায় ছিল? মাঝেমধ্যে আমার এটা জানতে ইচ্ছে করে।’*

*মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্ত’র্জাতিক সম্মে’লন কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ আয়োজিত বিজয় দিবসের আ’লোচনা সভায় তিনি একথা বলেন।*
*এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কেউ সা’হসে ভর দিয়ে এগিয়ে আসতে পারলো না। বাংলার সাধারণ মানুষ তো বঙ্গবন্ধু মুজিবের সঙ্গে ছিল। হয়তো এই ব্যর্থতার খে’সারত দিতে হয়েছে এই জাতিকে।’*

*শেখ হাসিনা বলেন, ‘তাকে (বঙ্গবন্ধু) আমরা পেয়েছিলাম দেশটা গড়ে তোলার জন্য। কিন্তু ষড়য’ন্ত্রকারীরা তখনো পাকিপ্রেমে মুগ্ধ, আর সেই সঙ্গে আমাদের দেশেও কিছু আছে তারা স্বাধীনতা পেয়ে এমনই বি’ভোর হয়ে গেলো যে, কেউ আর জাতির পিতাকে ওভাবে রক্ষা করবে, তার সেবাটা নেবে, সেই চিন্তা করতে পারেনি বলে ১৫ আগস্ট অমানিশার অন্ধকার আমাদের জীবনে আসে। আমরা দুটো বোন বিদেশে ছিলাম। ছয় বছর রিফি’উজি আকারে থাকতে হয়েছিল।’*

*তিনি বলেন, ‘আমাদের দু’র্ভাগ্য, বঙ্গবন্ধু যখন যু’দ্ধবিধ্বস্ত দেশকে গড়ে তুলছিলেন, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে ঠিক সেই মুহূর্তে তাকে নির্ম’মভাবে হ’ত্যা করা হলো। শুধু তাকে একা নয়, আমাদের পরিবারের সব সদস্যসহ আত্মীয়, পরিবার-পরিজন। একইসঙ্গে আমার মেজো ফুফু, সেজো ফুফু, ছোট ফুফুর বাড়ি সব বাড়িতেই তারা হা’না দিয়েছে।’*

*বঙ্গবন্ধু নি’হত হওয়ার পর দেশের অবস্থার কথা তুলে ধরে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘জাতির পিতাকে হ’ত্যার পর বারবার ক্যু’ হয়েছে, ১৮-১৯টা ক্যু’ হয়েছে এদেশে। অত্যা’চার-নির্যা’তন চলেছে আমাদের নে’তাকর্মীদের ওপর। সে সময় যদি কেউ সা’হস করে দাঁড়াতো তাহলে তো এত অ’ত্যাচার হতো না। বারবার ক্যু’ হতো না। একটা দেশকে সম্পূর্ণ ধ্বং’সের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।’*

*‘শুধু তাই নয়, যে আদর্শ নিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন, যে বাংলাদেশ হবে উন্নত সমৃদ্ধ, সে বাংলাদেশ ধীরে ধীরে ধ্বং’সের দিকে চলে গিয়েছিল। যু’দ্ধাপরাধীদের বিচার জাতির পিতা শুরু করেছিলেন, বিচারের হাত থেকে রেহাই দিয়ে তাদের বসানো হয়েছিল ক্ষ’মতায়।’*

*শেখ হাসিনা বলেন, ‘ওই আ’লবদর, রা’জাকার বা’হিনী প্রধান, স্বাধী’নতাবিরোধী, তারাই প্রধানমন্ত্রী-মন্ত্রিত্ব পেয়েছিল। বাংলাদেশের অসাম্প্রদায়িক চেতনা ভু’লুণ্ঠিত হয়েছিল। বাংলাদেশের অর্থনীতির চাকা ব’ন্ধ হয়ে গিয়েছিল। বাংলাদেশকে একটা ব্যর্থ রাষ্ট্র করার প্রচেষ্টা একুশ বছর ধরে চলেছিল।’*
*অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগ নে’তা আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, মতিয়া চৌধুরী, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, জাহাঙ্গীর কবির নানক। স্বাগত বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।*