প্রচ্ছদ ইতিহাস-ঐতিহ্য *প্রথম দফায় ১১ হাজার রাজা’কারের তালি’কা প্রকাশ*

*প্রথম দফায় ১১ হাজার রাজা’কারের তালি’কা প্রকাশ*

221
*প্রথম দফায় ১১ হাজার রাজাকারের তালিকা প্রকাশ*

*অবশেষে সমাপ্তি ঘ’টতে যাচ্ছে বাংলাদেশের মানুষের সুদীর্ঘ প্রতীক্ষার। আজ (রোববার, ১৫ ডিসেম্বর) মহান বিজয় দিবসকে সামনে রেখে এক ঐতিহাসিক মাইল’ফলহ প্রতিষ্ঠা করোতে যাচ্ছে সরকার। আজ থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিরো’ধি রাজাকা’রদের তা’লিকা প্রকাশ শুরু হচ্ছে।*
*প্রাথমিক পর্যায়ের ত’থ্য মতে, এই তালি’কার প্রথম দফায় শুধুমাত্র রাজধানীতেই রাজা’কারের সংখ্যা ১১ হাজারের মতো। এদিকে রাজাকারদের তা’লিকার পাশাপাশি বীর মুক্তিযোদ্ধাদের একটি তা’লিকাও প্রকাশ করা হবে বলে জানান মুক্তি’যুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ. ক. ম মোজাম্মেল হক।*

*নতুন প্রজন্মকে জানাতেই স্বাধীনতার বিরো’ধিতাকারী রাজা’কারদের নাম প্রকাশের এমন উদ্যোগ সরকার নিয়েছে।*
*রোববার সকালে সচিবালয় সং’লগ্ন সরকারি পরিবহন পুল ভবনের ৬ তলায় অবস্থিত মুক্তি’যুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সম্মে’লন ক’ক্ষে সংবাদ সম্মেল’ন আয়োজনের মাধ্যমে রাজাকারদের এই তালি’কাগুলো ঘো’ষণা করা হবে বলে জানান মন্ত্রী।*
*এর আগে ১৪ ডিসেম্বর মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বিভিন্ন গ’ণমাধ্যমে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞ’প্তিতে জানানো হয়, ওই সংবাদ সম্মে’লনে মন্ত্রী একই সঙ্গে বীর মুক্তি’যোদ্ধাদের তালি’কাও (প্রথম পর্ব) প্রকাশ করা হবে।*

*প্রথম দফায় তা’লিকায় ঠাঁই পাওয়া এই ১১ হাজার রাজা’কারের নাম প্রকাশের পর দেশের মহ’কুমা, জেলা, থানা পর্যায়ে রাজা’কারের তা’লিকা করা হবে। এমনটাই জানিয়েছেন মুক্তি’যুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী।*
*তিনি আরো জানান, বিভিন্ন জেলার সরকারী নথি’পত্র ঘে’টে সে সময় যারা রাজাকা’রের ভা’তা তুলেছেন এবং অন্যান্য সুবি’ধা ভো’গ করেছেন। শুধু মাত্র তাদের দালি’লীক তথ্য’ প্রমাণের ভিত্তিতে জেলা, থানা এবং মাঠ পর্যায়ে অনুস’ন্ধানের মাধ্যমে রাজা’কারদের তালিকা প্রণয়ন করা হবে।*

*এর প্রেক্ষিতে মুক্তি’যুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সি’নিয়র ত’থ্য কর্মকর্তা সূফি আব্দুল্লাহ হিল মারুফ বলেন, আজ রোববার যে তালি’কা মুক্তিযু’দ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী প্রকাশ করবেন তা নতুন কিছু নয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও মুক্তিযু’দ্ধবিষয়ক মন্ত্রণা’লয়ের উদ্যোগে অতীতের সংগ্রহ করা একাত্তরের রাজা’কার বা’হিনীর সদস্য হিসেবে যারা ভা’তা নিয়েছে বা যাদের নামে অ’স্ত্র এসেছে, তাদের নাম-পরিচয়, ভূমি’কাসহ যেসব তথ্য স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশের গোয়ে’ন্দা সং’স্থার কাছে ছিল সেই তথ্য ধরে করা তা’লিকাই যা’চাই-বা’ছাই করে আবার প্রকাশ করবেন। এরপর পর্যায়ক্রমে অন্য ঘা’তক বাহি’নীর সদস্যদের তা’লিকাও প্রকাশ করা হবে বলে মন্ত্রীর দফতর সূ’ত্রে জানা গেছে।*

*একই প্রসঙ্গে মন্ত্রী আ. ক. ম. মোজাম্মেল হক জানান, এটি নতুন কোনও তা’লিকা নয়। বিভিন্ন সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী রাজা’কারদের তা’লিকা আগে থেকেই রয়েছে। রাজা’কার হিসেবে যারা যারা ভা’তা নিয়েছে, রাজা’কার হিসেবে যাদের নামে অ’স্ত্র এসেছে, স্থানীয় প্রশাসনের কাছেও অনেক নাম রয়েছে, যারা রা’জাকার হিসেবে ১৯৭১ সালে পাকিস্তান বাহিনীকে সাহায্য সহযো’গিতা করেছে, সেসব নাম যোগা’ড় করেই এই তা’লিকা আগে থেকেই ছিল। সেই তা’লিকা ধরেই প্রথম পর্ব প্রকাশ করা হবে। পর্যায়ক্রমে রাজা’কারদের আরও তালি’কা প্রকাশ করা হবে বলে জানান তিনি।*

*সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মুক্তি’যুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী মোজাম্মেল হক বলেন, রাজা’কারদের তালি’কা প্রনয়ন শেষে সারাদেশের স্ব স্ব এলাকায় মুক্তি’যুদ্ধের সময় যারা নির্যা’তিত হয়েছেন। যারা ভু’ক্তভোগী রয়েছেন, তাদের দিয়ে সংশ্লিষ্ট রাজা’কারদের বি’রুদ্ধে মা’মলা করানো হবে। এরপরই রাজা’কারদের আ’ইনের আও’তায় এনে বিচা’রিক আদাল’তে দাঁড় করানো হবে এবং তাদের শা’স্তি নিশ্চিত করা হবে।*
*তিনি বলেন, নতুন প্রজন্মকে জানাতেই স্বাধীনতার বিরো’ধিতাকারী রাজা’কারদের নাম প্রকাশের এমন উদ্যোগ সরকার নিয়েছে। এসময় মুক্তি’যোদ্ধাদের যে তা’লিকা আগে থেকেই রয়েছে তার একটি অংশও তুলে ধরবেন বলে জানান তিনি।*