প্রচ্ছদ বাংলাদেশ জাতীয় *বি’তর্কিত ও অভি’যুক্ত সাড়ে সাতশো বা’দ পড়ছে দল থেকে*

*বি’তর্কিত ও অভি’যুক্ত সাড়ে সাতশো বা’দ পড়ছে দল থেকে*

227
*বিতর্কিত ও অভিযুক্ত সাড়ে সাতশো বাদ পড়ছে দল থেকে*

*আগামী জা’নুয়ারি থেকে নতুন করে শুরু হচ্ছে শু’দ্ধি অ’ভিযান। শু’দ্ধি অভিযা’নের প্রথম পর্বে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সহ’যোগী ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে আই’নের আ’ওতায় আনা হয়েছে। তারপরই হঠাৎ করে থমকে যায় শু’দ্ধি অভি’যান।*

*আওয়ামী লীগের দা’য়িত্বশীল সূ’ত্রগুলো বলছে, দলের গুরুত্বপূর্ণ প’দে থাকা অবস্থায় যখন কারো বিরু’দ্ধে আ’ইনি ব্য’বস্থা গ্রহণ করা হয় তখন তার দা’য় দা’য়িত্ব দলের উপর বর্তায় এবং দল ক্ষ’তিগ্রস্ত হয়। কিন্তু দল যদি আগে থেকে তার বি’রুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে তাকে দল থেকে বা’দ দেয়। তাহলে তার বিরু’দ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ায় দলের ভাবমূ’র্তি উজ্জল হয়। এমন একটি ধারণা পো’ষণ করছে আওয়ামী লীগের নীতি নির্ধারক মহ’ল। আর এ ধারণ থেকেই শু’দ্ধি অভি’যানের অবয়ব রূ’প পা’ল্টে যাচ্ছে।*

*আওয়ামী লীগের দা’য়িত্বশীল সূত্রগুলো বলছে, সারা দেশে আওয়ামী লীগের যে বিভিন্ন পর্যায়ের নে’তা-কর্মী, যাদের বিরু’দ্ধে দূর্নী’তি, টেন্ডা’রবাজী, সন্ত্রা’স, চাঁ’দাবাজীসহ নানা ধরণের অভি’যোগ রয়েছে তাদের তালি’কা তৈরি করা হয়েছে। এদেরকে আগামী কাউন্সি’লের মাধ্যমে দল থেকে উ’ৎপাটিত করা হবে। দল থেকে সরে যাওয়ার পরই তাদের বিরু’দ্ধে আ’ইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।*

*এতে আওয়ামী লীগ, যে কোনো দূর্নী’তিবাজ, চাঁদা’বাজী, সন্ত্রা’সী এবং অ’নৈতিক কর্ম’কাণ্ডের সঙ্গে জড়ি’তদের আশ্র’য় প্রশ’য় দেয় না তা প্রমাণিত হবে। শু’দ্ধি অভি’যানের পর আওয়ামী লীগের অনেকের মধ্যেই কথা উঠেছে যে তারা আওয়ামী লীগের বিভিন্ন প’দে ছিল। কিন্তু তাদের বিরু’দ্ধে আগে ব্যব’স্থা নেওয়া হলো না কেন।*

*বিশেষ করে যুবলীগের দক্ষিণের সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট, সাংগঠনিক সম্পাদক আরমান, যুবলীগের সমাজ কল্যাণ সম্পা’দক জিকে শামীম। এরকম অনেকের বিরু’দ্ধে কথা উঠেছে যে, প’দে থাকা অবস্থায় তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হলো কেনো। তাদের বি’রুদ্ধে যখন অভি’যোগ এসেছে তখন সঙ্গে সঙ্গে কোনো তাদের বি’রুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলো না। এই ব্য’র্থতার কারণেই যুবলীগের চেয়ার’ম্যান ওমর ফারুক চৌধরীকে দা’য়িত্ব থেকে অ’ব্যহতি দেওয়া হয়েছিল।*

*একারণে তাই আওয়ামী লীগ মনে করছে, বিরো’ধী দলের জন্য সমা’লোচনার খোঁরাক হচ্ছে আওয়ামী লীগের নে’তা দূর্নী’তিবাজ কিংবা আওয়ামী লীগের নে’তা ক্যা’সিনো বাণিজ্যের সাথে জড়িত ইত্যাদি। একারণেই আওয়ামী লীগ তাঁর শু’দ্ধি অভি’যান আগে ঘরের ভেতরে শুরু করবে, যারা অভি’যুক্ত, যাদের বি’রুদ্ধে এ ধরণের কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে- তাদেরকে আগে দল থেকে বের করা হবে।*

*আওয়ামী লীগের আগামী ২০ এবং ২১ শে ডিসেম্বর যে কা’উন্সিল অধি’বেশন অনুষ্ঠিত হচ্ছে, সেই কাউন্সি’ল অধি’বেশন মূলত দলের অভ্যন্তরীণ শু’দ্ধি অভি’যান বলে আওয়ামী লীগ ঘোষ’ণা করেছে। দলের মধ্যে যারা সুবি’ধাবাদী, অনুপ্রবে’শকারী এবং দলের নাম ভা’ঙিয়ে যারা দলের ক্ষ’তি করছে- তাদেরকে এবার কাউন্সি’লের মাধ্যমে চিহ্নি’ত করা হচ্ছে এবং তাদের বি’রুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। কাজেই ডিসেম্বরের ২০, ২১ তারিখে কাউন্সি’ল অধিবে’শন শেষ হয়ে গেলে যারা দলের কেন্দ্রীয় নে’তৃত্ব থেকে শুরু করে তৃণমূলের নেতৃ’ত্বে থাকবে না এবং বিভিন্ন অঙ্গসহযোগী সংগঠনে জায়গা পাবে না তখন তাদের বিরু’দ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে আওয়ামী লীগের দিকে কেউ আঙুল তুলে বলতে পারবে না, আওয়ামী লীগের অমুক নে’তা ক্যাসি’নো বাণিজ্য করেছে, আওয়ামী লীগের অমুক নে’তা টেন্ডা’র বাণিজ্য করেছে।*

*এরপরেই নতুন আওয়ামী লীগের শু’দ্ধি অভি’যান শুরু হবে। আওয়ামী লীগের দা’য়িত্বশীল সুত্র’গুলো বলছে, দু’র্নীতিবাজ, ক্যাসি’নো বাণিজ্য, মাদ’ক ব্যবসা, সন্ত্রা’স-চাঁদা’বাজিসহ বিভিন্ন অপ’রাধে অভি’যুক্ত অন্তত প্রায় সাড়ে সাতশ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নে’তা-কর্মীর নামের তা’লিকা আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার কাছে রয়েছে। এরা যেন কোন পর্যায়ের কোন কমিটিতে না থাকতে পারে, সে ব্যপারে আওয়ামী লীগ সভাপতি সুস্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন। এই নির্দেশনার প্রেক্ষিতে এবারের কাউ’ন্সিলে স্থানীয় পর্যায় থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় কাউ’ন্সিলে কঠোর নজ’রদারি রাখা হয়েছে। যেন কোন দুর্নী’তিবাজ, সন্ত্রা’সী, চাঁ’দাবাজ কমিটি’তে না ঢুক’তে পারে। কাউ’ন্সিল অধিবেশন শেষ হলেই সাঁ’ড়াশি শু’দ্ধি অভি’যান শুরু হবে এবং এই চি’হ্নিত সাড়ে সাতশ জনকে আই’নের আও’তায় আনা প্রক্রি’য়া শুরু হবে।*