প্রচ্ছদ প্রবাস *এবার সৌ’দিতে আরো এক কি’শোরীকে আ’টকে রে’খে নি’র্যাতন*

*এবার সৌ’দিতে আরো এক কি’শোরীকে আ’টকে রে’খে নি’র্যাতন*

249
*এবার সৌদিতে আরো এক কিশোরীকে আটকে রেখে নির্যাতন*

*সংসারে স্বচ্ছতা ফে’রাতে ও বাবা-মা, ভাই-বোনের মুখে হাসি ফোঁটাতে দা’লালের মাধ্যমে সৌ’দি আ’রবে গিয়েছিল কি’শোরী ফারহানা। চোখে ছিল বড় হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু আ’রব দেশে পৌঁছাতেই ক্ষুদ্র থেকে ক্ষুদ্রতর হতে থাকে তা। একটা সময় চোখের ঘুম হা’রাম হয়, ভে’ঙেও যায় কিশো’রীর সেই স্বপ্ন।*
*কারণ, তাকে আট’কে রেখে শা’রীরিক ও মানসিক’ভাবে নির্যা’তন করা হচ্ছে। দেশে ফি’রতে চাইলেও নিয়ো’গকর্তা তা হতে দিচ্ছেন না। সৌ’দি থেকে দা’লালের কাছে পাঠানো ফারহানার একটি ছ’বিতে তাকে নির্যা’তনের অভি’যোগ স্পষ্ট। শনিবার ছ’বিটি আমাদের হাতে এসে পৌঁছেছে।*

*মেয়েকে ফিরে পেতে দেশে আ’হাজারি করছেন মা রাজিয়া। সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর পৌর এলাকায়। ফাহানার মা রাজিয়া গত শুক্রবার বিকেলে এ ঘট’নায় জগন্নাথপুর থা’নায় একটি লিখিত অভি’যোগ দায়ের করেছেন।*
*ঘট’না জানার পর প্রথমে থা’নায় গিয়ে বিষয়টি নিয়ে পুলি’শের সঙ্গে কথা হয়। জগন্নাথপুর থা’নার ভারপ্রা’প্ত কর্ম’কর্তা (ও’সি) নব গোপাল দাস জানান, তারা অভি’যোগ পেয়েছেন। যেহেতু বর্হিবিশ্বের ঘ’টনা, ত’দন্ত হবে। সে মোতাবেক কাজ করবেন তারা।*

*পরে ও’সি নব গোপাল দা’য়ের করা অভি’যোগের ক’পি দেখান এই প্রতিনি’ধিকে। অভি’যোগে বলা হয়েছে, জগন্নাথপুর পৌরসভার আওতাধীন বাড়ি জগন্নাথপুর এলাকার বাসিন্দা জগলু মিয়ার কিশোরী মেয়ে ফারহানা বেগমকে (১৫) একই এলাকার স্থানীয় দা’লাল লিলু মিয়ার প্ররোচনায় চলতি বছরের মার্চে সৌ’দি আ’রবে পাঠানো হয়। দেশটির রাজধানী রি’য়াদে রিয়ান সেমি ফাদগাজী আবুপাদা এলাকায় ফারহানাকে আ’টকে রেখে শারী’রিক ও মান’সিকভাবে নির্যা’তন করছে নিয়োগকর্তা।*

*অভিযোগে আরও বলা হয়, ফারহানাকে পরিবারের সঙ্গে যোগযোগ করতে দেওয়া হচ্ছে না। সম্প্রতি ফারহানা সৌদির একটি মো’বাইল না’ম্বার থেকে দেশে ফো’ন করে। রাজিয়া ফো’ন রি’সিভ করলে তার মেয়ে জানায়, লুকিয়ে সে ফো’ন করেছে। খুবই বিপদের মধ্যে বসবাস করতে হচ্ছে তাকে। কোনো ধরণের বেতন ভাতা তাকে দেওয়া হচ্ছে না। ফারহানা বলে, তাকে শীঘ্রই কোনো না কোনো মাধ্যমে দেশে ফেরাতে। কান্নারত অবস্থায় মায়ের সঙ্গে কিছুক্ষণ কথা বলার পর ফো’নটি কেটে যায়।*

*পরে ফারহানাদের বাড়ি গিয়ে তার মা রাজিয়ার সঙ্গে কথা হয় আমাদের এ প্রতিনিধির। রাজিয়া জানান, গত রোববার (২ ডিসেম্বর) তারিফ উল্লার ছেলে লিলুকে (দা’লাল) বিষয়টি জানান তিনি। মেয়েকে দেশে ফিরিয়ে আনার কথা বলেন রাজিয়া। কিন্তু লিলু তার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেন।*
*আহাজারি করে রাজিয়া জানান, লিলু তাকে বলেছেন, ‘তোমরার ফুরিরে বিদেশত পাডাইতে আমরার ২৫ হাজার টাকা খরচা হইসে। এই টেখা না দিলে তারারে ফাইতায় নায়। তারারে বৈদেশত আরও মারিব।’*

*অর্থাৎ, ফারহানাকে সৌ’দি পাঠাতে লিলুর ২৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। এ টাকা তাকে ফে’রত না দিলে ফারহানাকে ফিরে পাওয়া যাবে না। তাকে সৌ’দিতে আরও নির্যা’তন করা হবে। নির্লি’প্ত অবস্থায় সেখান থেকে ফিরে আসেন রাজিয়া।*
*ফারহানার মা বলেন, ‘আমরার ফুরির চিন্তায় চোকত গুম নাই। তারারে ফিরিয়া ফাইতে আমি আমরার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে সাহাইয্য চাই।’*
*অর্থাৎ, মেয়ের চিন্তায় তার চোখে ঘুম নেই। মেয়েকে ফিরে পেতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে তিনি সাহায্য কামনা করছেন রাজিয়া।*