প্রচ্ছদ প্রবাস *সৌ’দি ফেরত তরুণী বললেন, ‘জ্ব’লন্ত সি’গারেট দিয়ে বুক পু’ড়িয়ে দিয়েছে’*

*সৌ’দি ফেরত তরুণী বললেন, ‘জ্ব’লন্ত সি’গারেট দিয়ে বুক পু’ড়িয়ে দিয়েছে’*

250
*সৌদি ফেরত তরুণী বললেন, 'জ্বলন্ত সিগারেট দিয়ে বুক পুড়িয়ে দিয়েছে'*

*সৌ’দি আ’রবে গৃহকর্মী হিসেবে কাজে গিয়ে যৌ’ন নির্যা’তনের শি’কার হয়ে দেশে ফেরা মৌলভীবাজারের এক তরুণী সরকারের কাছে বিচার চেয়েছেন। ২০ বছর বয়সী ওই তরুণীর বাড়ি কমলগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী ৯ নম্বর ইসলামপুর ইউনিয়নে। গত ২৬ নভেম্বর সৌ’দি আ’রব থেকে দেশে ফেরার দুই দিন পর শ্রীমঙ্গলের ‘মুক্তি মেডিকেয়ার’ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে। কিন্তু অর্থের অভাবে চিকিৎসা অসমাপ্ত রেখেই রবিবার তাকে বাড়ি নিয়ে যাওয়া হয়। খবর বিডিনিউজের।*

*ওই হাসপাতালের প্রধান সেবিকা দীপ্তি দত্ত বলেন, ‘মেয়েটার যৌ’নাঙ্গসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় পো’ড়া ও আঘা’তের চি’হ্ন রয়েছে। ক্ষ’তগুলো সারতে সময় লাগবে।’ মু’ক্তি মেডি’কেয়ারে চিকিৎসাধীন ওই তরুণীর সঙ্গে রবিবার বিকালে কথা বলার সময় তিনি সৌ’দি আ’রবে নির্যা’তনের শি’কার হওয়ার ভয়’ঙ্কর বিবরণ দেন।*

*তার ভাষ্য অনুযায়ী, বিয়ের সাত মাসের মাথায় স্থানীয় আদম ব্যাপারি মোস্তফা কামালের প্রলো’ভনে চলতি বছরের ২৮ এপ্রিল সৌ’দি আ’রবে পাড়ি জমান তিনি। তখন তাকে গৃহকর্মীর কাজ দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু দাম্মামে পৌঁছানোর পর এক পর্যায়ে তিনি জানতে পারেন, ৪ লাখ টাকায় তাকে যৌন’কর্মী হিসেবে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। যৌন’কর্মে রাজি না হলে তার ওপর চালানো হতো নি’র্যাতন। একটি অফিসে রেখে প্রতিদিন কয়েকজন পালাক্রমে তাকে ধর্ষ’ণ করত।*
*তিনি বলেন, ‘জ্ব’লন্ত সিগা’রেট দিয়ে আমার বুক, স্পর্শকাতর জায়গা ওরা পু’ড়িয়ে দিয়েছে। তার দিয়ে বেঁ’ধে পিটি’য়ে হাত-পা ও ঊরুতে জখম করে দিয়েছে। দলবেঁধে চার-পাঁচ জন মিলে ধর্ষ’ণ করত, তখন জ্ঞা’ন হারিয়ে ফেলতাম।’*

*জানা গেছে, অসুস্থ হয়ে পড়ায় একসময় সৌ’দি পুলিশ তাকে উ’দ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। সে সময় গোপনে তিনি আ’হত হওয়ার ছবি দেশে পাঠান। শেষ পর্যন্ত কমলগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের শরণাপন্ন হন ওই তরুণীর স্বামী। প্রশাসনের তৎপরতায় ছয় মাস ২৬ দিন পর দেশে ফেরেন তার স্ত্রী।*

*এখনো অনেক বি’পদগ্রস্ত নারী সৌ’দি আর’বে রয়ে গেছেন জানিয়ে তাদের উ’দ্ধারের জন্য সরকারের কাছে আকুতি জানান ওই তরুণী। সেই সঙ্গে ওই চক্রের হো’তাদের শা’স্তি দাবি করেন। মেয়েটির মা জানান, সরকারের সহায়তায় গত ২৬ নভেম্বর দেশে ফিরিয়ে আনা হয় তার মেয়েকে। বাড়ি ফেরার পর নি’র্যাতনের বর্ণনা দিতে গিয়ে মূ’র্ছা যান ওই তরুণী। তখন তাকে শ্রীমঙ্গল মু’ক্তি মেডি’কেয়ারে ভর্তি করা হয়। তিনি বলেন, ‘আমার ভালো মেয়ে বিদেশ থেকে এসেছে আধ’মরা হয়ে। টাকা রোজগারের আশায় গেল, একটি টাকাও ওকে দেওয়া হয়নি।’*