প্রচ্ছদ অর্থ-বাণিজ্য *৯৬ লাখে ক্রয় ছয় লাখ টাকার মে’শিন সোহরা’ওয়ার্দী হাস’পাতালে*

*৯৬ লাখে ক্রয় ছয় লাখ টাকার মে’শিন সোহরা’ওয়ার্দী হাস’পাতালে*

69
*৯৬ লাখে ক্রয় ছয় লাখ টাকার মেশিন সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে*

*রাজধানীর শ’হীদ সোহ’রাওয়ার্দী মেডি’কেল কলে’জ হাসপাতা’লের কেনাকাটায় শুধু অনিয়ম আর অনিয়ম। একটি ও’টি লাই’টের সরকার নির্ধারিত মূল্য প্রায় ৬ লাখ টাকা হলেও তা কেনা হয়েছে ৯৬ লাখ টাকায়। অর্থাৎ ১৬ গুণ দামে কেনা হয়েছে এটি। এভাবে বিভিন্ন চিকি’ৎসাসামগ্রী কে’নায় হাতি’য়ে নেয়া হয়েছে বিপু’ল অ’ঙ্কের অর্থ। আর এসব অনিয়’মের প্রায় সবই করা হয়েছে হাস’পাতালের পরিচা’লক ডা. উত্তম কুমার বড়ুয়ার নে’তৃত্বে। এজন্য তিনি গড়ে তুলেছেন একটি সিন্ডি’কেট ও সন্ত্রা’সী বা’হিনী। দুর্নী’তির অভি’যোগে বিভাগীয় মাম’লায় তার সাজা হলেও তিনি বহাল তবিয়’তেই আছেন। শুধু তাই নয়, চিকিৎসক হিসেবে দুটি ‘ডক্ট’রস কো’ড’ ব্যবহারের প্রমাণও আছে তার বিরু’দ্ধে। এসব অনি’য়মের প্রমাণ আছে। যদিও তিনি এর সবই অস্বীকার করেছেন।*

*অনু’সন্ধান ও হাতে আসা বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণে দেখা গেছে, ২০১৮ সালের ৬ সেপ্টেম্বর অপা’রেশন থি’য়েটারের জন্য ২টি ও’টি লা’ইট কেনা হয় ৭৯ লাখ ৮৫ হাজার টাকা দরে। অথচ সরকারি ‘প্রা’ইস গাইড’লাইনে’ ১টি ও’টি লা’ইটের সর্বোচ্চ দাম উল্লেখ করা ১০ লাখ ৬৬ হাজার ৪০০ টাকা। অর্থাৎ দুটি ও’টি লাই’ট কিনে হাতি’য়ে নেয়া হয়েছে এক কোটি চল্লিশ লাখ টাকা। একই বছর যন্ত্র’পাতিসহ একটি কো’বলেশন মে’শিন কে’না হয়েছে ৯৬ লাখ টাকায়, আরেকটি ২৫ লাখ ৬৪ হাজার টাকায়। কিন্তু সরকারি প্রা’ইস গা’ইডের (সিঅ্যা’ন্ডএফ-এফও’বিসহ) দাম ধরা আছে ৬ লাখ ৩৯ হাজার ৩০০ টাকা। অর্থাৎ এ দুটি মে’শিন কিনে হাতিয়ে নেয়া হয়েছে এক কোটি ১০ লাখ টাকা।*

*ভেন্টি’লেটরসহ অ্যানে’সথেসিয়া মে’শিন কেনা হয়েছে ৫৮ লাখ ৬২ হাজার ৫০০ টাকায়। গাইড’লাইনে যার সর্বোচ্চ ক্রয়সীমা ৭ লাখ ৭৮ হাজার ৬০০ টাকা। গাই’ডলাইন অনুযায়ী, সিপি’আর মেশি’নের দাম সর্বোচ্চ ৬ লাখ ৩৯ হাজার ৩০০ টাকা হলেও তিনটি সি’পিআর মে’শিন কে’না হয়েছে ৬৯ লাখ ৮৫ হাজার, ৭১ লাখ ১০ হাজার ও ৪২ লাখ ১০ হাজার টাকায়। অর্থাৎ এ তিনটি য’ন্ত্র কে’নায় খ’রচ হওয়ার কথা ১৮-২০ লাখ টাকা। অথচ ব্যয় করা হয়েছে পৌনে দুই কোটি টাকার বেশি।*

*হাসপা’তাল সংশ্লি’ষ্টরা জানান, ডা. উত্তম কুমার বড়ুয়া ২০১৩ সালে হাসপা’তালের সহ’কারী পরি’চালক এবং ২০১৫ সালে পরি’চালক হন। কিন্তু তার আগেই ২০১২ সালে বিএম’এর নেতৃ’ত্বে আসার পর থেকেই তিনি হাসপা’তালের সবকিছু এককভাবে নিয়’ন্ত্রণ শুরু করেন। এজন্য তিনি গড়ে তোলেন একটি শক্তিশালী সিন্ডি’কেট। হাসপা’তালের সহকারী পরি’চালকও আছেন এ চ’ক্রে। চলতি বছরের ১৬ জানুয়ারি অ্যা’কাউন্ট্যান্ট নাসিরকে দুর্নী’তির দায়ে স্বা’স্থ্য অধিদ’ফতর বর’খাস্ত করলেও ওই সিন্ডি’কেটের কল্যাণে তিনি নিয়মিত অফিস করছেন। লুট’পাটের সুবিধার্থে তৃতীয় শ্রে’ণির কর্মচারী এক ওয়া’র্ড মাস্টা’রকে দেয়া হয়েছে লোকাল ওয়া’র্ডের ম্যানে’জার মেইন’টেন্যান্সের দায়িত্ব। এই চক্র’টির ভয়ে গত ৬-৭ বছর এখানে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বি’তামূলক টে’ন্ডার হয় না।*

*২০১২ সালে চ’ক্রটির উত্থানের পর ওই বছরই কিড’নি চিকিৎ’সায় ব্যবহৃত লিথো’প্রিপসি মে’শিন প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকায় কেনা হয়, যা এক বছর না যেতেই প’রিত্যক্ত হয়। একই বছর অনিয়মের মাধ্যমে দ্বিগুণেরও বেশি দামে সাড়ে সাত কোটি টাকায় একটি অক্সি’জেন প্ল্যা’ন্ট স্থাপন করা হয়, যা ৬ মাস না যেতেই বিকল হয়ে পড়ে। পরবর্তী সময়ে আবার ৭০ লাখ টাকায় ঠিক করা হলেও এখন পরি’ত্যক্ত। ফলে প্রতি মাসে অক্সি’জেন সিলি’ন্ডারের পেছনে বিপুল অ’ঙ্কের অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে।*

*লা’শ রাখার অব’কাঠামো নির্মা’ণ না করেই কেনা হয়েছে ডি’প ফ্রি’জ। লে’সিক মে’শিনের বাজারমূল্য আড়াই কোটি টাকা হলেও কেনা হয় সাড়ে চার কোটি টাকায়। প্রায় ২ কোটি টাকা মূল্যের এন্ডো’সকপি মে’শিন অব্যবহৃত অবস্থায় ফেলে রাখা হয়েছে। প্রায় ৩ কোটি টাকা মূল্যের ইএ’নটি লে’জার মে’শিন পড়ে আছে পরিত্য’ক্ত অবস্থায়। সবই ওই সিন্ডি’কেটের কাণ্ড।*

*শুধু এসবই নয়, হাস’পাতালের জন্য লিথো’ট্রিপসি মে’শিন, আ’ইসিইউ, এনআ’ইসিইউ ও পিআই’সিইউর জন্য অতি উচ্চমূল্যে নিম্নমানের মে’শিন কেনা হয়েছে। যেগুলো প্রায় সবই অকে’জো অবস্থায় পড়ে আছে। অনেক টাকা ব্যয় করা হলেও এখনও চালু হয়নি হাসপা’তালটির এনআ’ইসিইউ ও পিআইসি’ইউ ইউ’নিট। অনেক দামে নিুমানের অপ’থালমোলজি বিভাগের লে’সিক মে’শিন, নাক, কান ও গলা বিভাগের লে’জার মে’শিন, আর্র্থো’স্কোপিক মে’শিন, অপা’রেশন থিয়ে’টারের লাই’ট, প্যাথ’লজি মে’শিন, সার্জি’ক্যাল যন্ত্র’পাতি ক্রয় করা হলেও প্রতিটিই এখন ব্যবহার অনুপযোগী।*

*এসব অনিয়মের বিরু’দ্ধে কেউ কথা বললেই তাকে বদলিসহ নানাভাবে হয়রানি করে ওই সিন্ডি’কেট। অনিয়মের বিরু’দ্ধে কথা বলায় হাসপা’তালের এক প্রকৌশ’লীকে এক কাপড়ে হাসপা’তাল থেকে বের করে দেয়ার ঘট’নাও ঘটে’ছে। এসব অপ’কর্ম সুচারু’রূপে করতে পরিচা’লকের রয়েছে সন্ত্রা’সী বা’হিনী। যারা দিনে হাসপা’তালে ঘোরা’ফেরা করে, আর রাতে পরিচা’লকের কোয়া’র্টারে অবস্থান করে।*

*হাসপা’তালের এসব অনি’য়মের সবই হয় পরিচা’লকের নে’তৃত্বে। ২০১৬ সালে একটি এম’আরআই মে’শিন কেনায় সুস্প’ষ্টভাবে দুর্নী’তির প্রমাণ পায় স্বা’স্থ্য ও পরি’বার কল্যা’ণ মন্ত্র’ণালয়। এর পরিপ্রে’ক্ষিতে হাসপা’তালের ভার’প্রাপ্ত পরিচা’লক ডা. উত্তম কুমার বড়ুয়ার বিরু’দ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খ’লা ও আ’পিল) বিধিমা’লায় ‘অস’দাচরণ ও দুর্নী’তি’ বিভাগীয় মা’মলা হয়। মাম’লায় সাজা হিসেবে তার বার্ষি’ক বেতন বৃদ্ধি এক বছরের জন্য স্থগি’ত করা হয়। কিন্তু পরিচা’লকের দুর্নী’তি থামানো সম্ভব হয়নি।*

*স্বা’স্থ্য অধিদ’ফতর ও শ’হীদ সোহরা’ওয়ার্দী মেডি’কেল কলেজ হাসপা’তালের একাধিক অধ্যাপক জানান, ১৯৯৭ সালে সম্পূর্ণ অস্থায়ী ভিত্তিতে ৩শ’ শয্যা’বিশিষ্ট এ হাস’পাতালে মেডি’কেল অফি’সার প’দে যোগদান করেন উত্তম কুমার বড়ুয়া। তার নথি পর্যা’লোচনায় দেখা যায়, তিনি বিভিন্ন সময় দুটি ‘ডক্ট’রস কো’ড’ (পরিচিতি নম্ব’র) ব্যবহার করেছেন। অথচ একজন ডাক্তা’রের একটি ন’ম্বর থাকার কথা। তার প্রকৃত কো’ড ১০৭২৭১ হলেও চাকরির বিভিন্ন জায়গায় ১০১০৬০৯ কো’ড নম্ব’র ব্যবহার করেছেন।*

*তিনি বিসি’এস ক্যাডার না হয়েও নিজেকে ২১তম বি’সিএস ক্যা’ডার দেখিয়ে চিকিৎ’সকদের ফাউন্ডে’শন ট্রেনিং তা’লিকায় নাম অন্তর্ভু’ক্ত করে প্রশিক্ষ’ণ নিয়েছেন। যেখানে তার ১০৭২৭১ কো’ডটি ব্যবহৃত হয়েছে। আবার স্বা’স্থ্য মন্ত্রণা’লয়ের এইচ’আরআইএস বায়োডা’টায় ১০১০৬০৯ কো’ডটি ব্যবহার করেছেন তিনি। তাছাড়া তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মে’ডিকেল বিশ্ব’বিদ্যালয়ে ডেপু’টেশনে না থাকলেও তার জীব’নবৃত্তান্তে তা উল্লেখ করে অ’নৈতিক সু’বিধা নিয়েছেন। এসব কাগজপত্র রয়েছে।*

*এসব দুর্নী’তির মাধ্যমে বিপু’ল সম্পদ গড়ে তুলেছেন ডা. উত্তম কুমার বড়ুয়া। অনুস’ন্ধানে দেখা গেছে, চলতি বছরের ২৯ জুলাই চট্টগ্রাম সদর রে’জিস্ট্রি অফি’সে দুই কোটি টাকা মূল্যে চট্টগ্রাম বৌদ্ধ মন্দিরসংলগ্ন একটি ভবন জমিসহ রেজি’স্ট্রি করেছেন। যদিও প্রকৃতপক্ষে জমির মূল্য বাবদ তিনি পরিশোধ করেছেন সাড়ে তিন কোটি টাকা। এর আগে ৭ জানুয়ারি তার ভাই দিলীপ কুমার বড়ুয়ার নামে চট্টগ্রাম বৌদ্ধ মন্দিরসংলগ্ন একটি জমিসহ বাড়ি ক্রয়ের বায়না ৫ কোটি টাকা মূল্য দেখানো হয়েছে। যদিও প্রকৃতপক্ষে পরি’শোধ করা হয়েছে ১২ কোটি টাকা। জমি কেনার এসব কাগজপত্র আমাদের সংগ্রহে রয়েছে।*

*এ ছাড়া ঢাকার ইন্দিরা রোডে দুই হাজার বর্গফু’টের ফ্ল্যা’ট, ধানমণ্ডি ২৮-এ তিন হাজার বর্গফু’টের ফ্ল্যা’ট, শ্যামলী স্ক’য়ারে দোকানসহ নামে-বেনামে বিপুল অর্থসম্পদ রয়েছে উত্তম কুমার বড়ুয়ার। দেশের বাইরে মালয়েশিয়ায়ও তিনি ফ্ল্যা’ট কিনেছেন এবং সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে ফ্ল্যা’ট কেনার জন্য অগ্রিম টাকা দিয়েছেন।*
*কোনো প্রাই’ভেট প্র্যাক’টিস না করে শুধু সরকারি চাকরি থেকে কিভাবে এত সম্পদ গড়লেন- সে বিষয়ে দু’র্নীতি দম’ন কমি’শনে (দুদ’ক) তার বিরু’দ্ধে অভি’যোগ করা হয়েছে।*

*চলতি বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি সোহরা’ওয়ার্দী মে’ডিকেল ক’লেজ হাস’পাতালে অগ্নিকাণ্ডের যে খবর গণমাধ্যমে প্রচারিত হয়, তাও সাজানো ছিল বলে প্রমাণ পেয়েছেন প্রকৌ’শলীরা। প্রকৌ’শলীরা নিখুঁতভাবে পরীক্ষা করে দেখেছেন, এ আগুনের শুরু বি’দ্যুৎ লাই’ন বা সিস্টে’মের কোনো ক্রটির কারণে নয়। এর পেছনেও পরিচাল’কের কার’সাজি দেখছেন সং’শ্লিষ্টরা।*

*একাধিক চিকি’ৎসক যারা ময়মনসিংহ মে’ডিকেল ক’লেজে পড়াশোনা করেছেন তারা অভিযোগ করেছেন, ডা. উত্তম কুমার বড়ুয়া ১৯৮৪-৮৫ শিক্ষা’বর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেননি। কারণ তার এসএ’সসি ও এইচএ’সসির প্রাপ্ত নম্বর ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের উপযুক্ত ছিল না। তবে মেডি’কেল কলে’জগুলোতে প্রথম ধাপের ভর্তি শেষ হওয়ার পর যখন মা’ইগ্রেশন প্রক্রি’য়া শুরু হয় তখন জালি’য়াতি করে সিলেট মে’ডিকেল কলেজ থেকে ময়মনসিংহ মেডিকে’ল কলে’জে মাইগ্রে’শনপ্রাপ্ত শিক্ষা’র্থীদের তা’লিকায় তার নাম ঢুকি’য়ে দেন।*

*সিলেট মে’ডিকেল কলে’জের কেরানি মনির আহমেদের সহা’য়তায় শিক্ষা’র্থীদের তা’লিকার একদম শেষে ও অ’ধ্যক্ষের স্বাক্ষ’রের উপরের খালি স্থানে তার নাম বসিয়ে দেয়া হয়। এভাবেই চরম অনিয়’মের মাধ্যমে ময়মনসিংহ মেডি’কেলে ভর্তি হন উত্তম কুমার বড়ুয়া।*
*এসব অভি’যোগ প্রসঙ্গে জানতে শুক্রবার রাতে ডা. উত্তম কুমার বড়ুয়াকে ফো’ন করা হলে তিনি শনিবার হাস’পাতালে গিয়ে দেখা করতে বলেন। শনিবার দুপুরে হাস’পাতালে গেলে তিনি বলেন, এআ’রআই মেশি’নের মাম’লা নিষ্প’ত্তি হয়ে গেছে, শা’স্তির সময়ও পেরিয়ে গেছে।*

*২০১৮ সালের কেনা’কাটা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ও’পেন টে’ন্ডারে এসব কেনা’কাটা হয়েছে। প্রা’ইস গাইডলা’ইনের চেয়ে অনেক বেশি দামে কেনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যন্ত্র’পাতি ক্র’য়ে সর’কারের প্রাই’স গা’ইডলাইন বলে কিছু নেই। তবে পরে বলেন, গাই’ডলাইন যেটা রয়েছে সেটা ভারি যন্ত্র’পাতির ক্ষেত্রে প্রযো’জ্য নয়।*
*সিন্ডি’কেটের অভি’যোগ ভিত্তি’হীন উল্লেখ করে ডা. উত্তম কুমার বড়ুয়া বলেন, আমি কোনো সিন্ডি’কেট করিনি। আর অভি’যুক্ত কর্মচা’রী নাসির অভিযোগ থেকে বেক’সুর খালা’স পেয়েছে। লা’শ রাখার ফ্রি’জ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমানে ফ্রি’জ এবং লা’শঘর সবই আছে। দুটি ‘ডক্টর’স কো’ড’ ব্যবহার প্রসঙ্গে বলেন, সবারই দুটি করে কো’ড থাকে। তার বিপুল সম্পদের বিষয়ে তিনি বলেন, আমার সব সম্পদই বৈধ।*