প্রচ্ছদ স্বাস্থ্য *৪ কো’টির মে’শিন সাড়ে ১২ কো’টিতে কিনে ভাগা’ড়ে গেলো*

*৪ কো’টির মে’শিন সাড়ে ১২ কো’টিতে কিনে ভাগা’ড়ে গেলো*

88
*৪ কোটির মেশিন সাড়ে ১২ কোটিতে কিনে ভাগাড়ে গেলো*

*একটি এম’আরআই (মেগ’নেটিক রিজ’নেন্স ই’মেজিং) মে’শিনের বাজারমূল্য দুই কো’টি ৮০ লা’খ টাকা। কিন্তু চট্টগ্রাম জেনা’রেল হাস’পাতাল সেটির ক্রয় মূল্য দেখিয়েছে ৯ কো’টি ৯৫ লা’খ ৫০ হাজার টাকা। চারটি ইকো’কার্ডিওগ্রাফি মে’শিনের বাজার মূল্য এক কো’টি আট লা’খ ৮০ হাজার টাকা। কিন্তু সেগুলো ব্যয় দেখানো হয়েছে দুই কো’টি ৬০ লা’খ টাকা। ২০১৪ সালের ২৯ মে থেকে ২০১৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে চট্টগ্রাম জেনা’রেল হাস’পাতালের জন্য এসব চিকিৎসা উপকরণ ক্রয় করা হয়েছিল। অথচ বাজারমূল্য থেকে অতিরিক্ত মূল্যে কেনা ক্র’য় করা এসব যন্ত্র’পাতি এখন ন’ষ্ট।*

*জেনা’রেল হাসপা’তাল সূ’ত্রে জানা যায়, এমআ’রআই মে’শিনটি গত প্রায় দেড় মাস ধরে ন’ষ্ট হয়ে পড়ে আছে। এ মে’শিন দিয়ে প্রতিদিন চার থেকে পাঁচটি এম’আরআই করা যেত। পক্ষান্তরে গত একমাস ধরে ন’ষ্ট ইকো’কার্ডিওগ্রাফি মে’শিন। এ মে’শিন দিয়ে দৈনিক ৮ জন রোগীর পরীক্ষা করা যেত। শরীরের শরীরের সূক্ষা’তিসূক্ষ রো’গ নির্ণয়ে অতি জরু’রি এমআ’রআই মেশি’ন এবং হৃদ’রোগীদের জরু’রি রোগ নির্ণয় করা হয় ইকোকা’র্ডিগ্রাফি মে’শিনটি দিয়ে।*

*চট্টগ্রাম জেনা’রেল হাস’পাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. অসীম কুমার নাথ বলেন, ‘এমআর’আই মেশি’নটির একটি অংশ ন’ষ্ট হওয়ায় সেটি এখন কাজ করছে না। তবে এটি মেরামতে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।*
*অন্যদিকে, ইকো’কার্ডিওগ্রাফি মেশি’নটির ফি’ল্ম খুব ঝাপসা আসতেছে। তাই এটি দিয়ে আশানুরূপ ফল পাওয়া যাচ্ছে না। এ ব্যাপারে আমরা সরবরা’হকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। কিন্তু ইতোমধ্যে এটির ওয়া’রেন্টি চলে যায়। আর মেরামতও ব্যয়বহুল। এ ব্যাপারে আমরা স্বা’স্থ্য অধিদ’প্তরে যোগাযোগ করেছি।’*

*অভিযোগ আছে, এটি নামে জে’নারেল হাসপা’তাল হলেও রোগীরা পায় না প্রয়োজনীয় সেবা। সাধারণ কোনো রোগ নিয়েও হাসপা’তালের জরুরি বিভাগে গেলে চমে’ক হাসপা’তালে রে’ফার করে দেওয়া হয়। কোনো অপা’রেশন বা সার্জা’রির জন্য অপেক্ষা করতে হয় মাসের পর মাস। রোগ নির্ণয়ের বিভিন্ন আধুনিক মে’শিন থাকলেও এসব দীর্ঘদিন ধরেই ন’ষ্ট পড়ে থাকে। ভাল থাকলেও দায়িত্ব’শীলদের অবহেলার কারণে রো’গীরা সেবা পায় না।*
*প্রসঙ্গত, চট্টগ্রাম জেনা’রেল হাসপা’তালের জন্য অতিরিক্ত মূল্যে চিকি’ৎসা উপক’রণ ক্রয় করে মোট ৯ কো’টি ১৫ লাখ ৩০ হাজার ৪২৫ টাকা আত্ম’সাতের অভি’যোগে সাবেক তত্ত্বাব’ধায়ক ডা. সরফরাজ খান চৌধুরীসহ সাতজনকে আ’সামি মা’মলা করেছে দুর্নী’তি দম’ন কমি’শন (দুদ’ক)। গত সোমবার দুদ’কের প্রধান কার্যাল’য়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ সিরাজুল হক বাদী হয়ে চট্টগ্রাম সম’ন্বিত জেলা কা’র্যালয়-১ এ মা’মলাটি (নম্বর ৪৬) দা’য়ের করেন।*

*মাম’লার অন্য আসা’মিরা হলেন হাস’পাতালের সি’নিয়র কন’সালট্যান্ট (মেডি’সিন) ডা. মো. আব্দুর রব, জুনি’য়র কনসা’লট্যান্ট (অর্থো’পেডিক সা’র্জারি) ডা. মো. মইন উদ্দিন মজুমদার, সিনিয়’র কনসাল’ট্যান্ট (সার্জা’রি) ডা. বিজন কুুমার নাথ, যন্ত্র’পাতি সরবরা’হকারী প্রতিষ্ঠান বেঙ্গ’ল সায়েন্টি’ফিক অ্যা’ন্ড সার্জি’ক্যাল কোম্পা’নির স্বত্ত্বাধি’কারী মো. জাহের উদ্দিন সরকার, মেসার্স আহম্মদ এন্টা’রপ্রাইজের স্বত্ত্বা’ধিকারী মুন্সী ফারুক হোসেন ও এএ’সএলের ব্যব’স্থাপনা পরিচালক ও সি’ইও আফতাব আহমেদ। আসা’মিদের বি’রুদ্ধে দণ্ড’বিধি ৪০৯/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নী’তি প্রতি’রোধ আ’ইনের ৫(২) ধা’রায় অ’ভিযোগ আনা হয়েছে বলে দুদ’ক সূ’ত্রে জানা যায়।*