প্রচ্ছদ প্রবাস *বাঁচার আকুতি জানিয়ে সৌদিতে নি’র্যাতিত আরেক নারীকর্মীর ভি’ডিও বার্তা*

*বাঁচার আকুতি জানিয়ে সৌদিতে নি’র্যাতিত আরেক নারীকর্মীর ভি’ডিও বার্তা*

54
*বাঁচার আকুতি জানিয়ে সৌদিতে নির্যাতিত আরেক নারীকর্মীর ভিডিও বার্তা*

*সৌদি আরবে নি’র্যাতনের হাত থেকে বাঁচার আ’কুতি জানিয়ে হুসনা আক্তার (২৪) নামে আরও এক নারীকর্মী ভি’ডিও বা’র্তা পাঠিয়েছেন দেশবাসীর কাছে। ইতোমধ্যে ওই নারীর বাঁচা’র আ’কুতির ভি’ডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। হুসনা আক্তার হবিগঞ্জের আজমিরিগঞ্জ উপজেলার আনন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা।*

*ভি’ডিও বার্তায় হুসনা আক্তার বলেন, ‘আমি মোছা. হুসনা আক্তার। আমার দা’লালে ভালা কথা কইয়া-কামের কথা কইয়া আমারে পাঠাইছে সৌদি। নিজরাল (নাজরান) এলাকায় আমি কাজ করি। আমি আইসা দেখি ভালা না। আমার সাথে ভালা ব্যবহার করে না ওরা। ওরা আমার উপর অত্যা’চার করে। আমি বাক্কা দিন (১০/১২ দিন) হইছে আছি। এখন এরার অত্যা’চার আমি স’হ্য করতে পারি না দেইক্কা কইছি আমি যাইমু গা। এই কথা বলায় ওরা আরও বেশি অ’ত্যাচার করে। আমি এ’জেন্সির অফিসে ফোন দিছি। অফিসের এরা আমার সাথে খারাপ ব্যবহার করে।’*

*তিনি আরও বলেন, ‘আমি আর পারতাছি না। তোমরা যেভাবে পারো আমারে তোমরা বাঁচাও। এরা আমারে বাংলাদেশ পাঠাইতো চায় না। এরা আমারে ইতা করতাছে। অনেক অত্যা’চার করতাছে। আমারে ভালা কামের (কাজের) কথা কইয়া পাঠাইছে দালালে। আমারে ইতা করতাছে ওরা। আমি আর পারতাছি না স’হ্য করতাম। তোমরা যেভাবে পারো আমারে নেও।’*
*জানা যায়, হবিগঞ্জের আজমিরিগঞ্জ উপজেলার আনন্দপুর গ্রামের হুসনা আক্তার আর্থিক সচ্ছলতার জন্য গৃহকর্মীর কাজ নিয়ে ১৭ দিন আগে একটি এজে’ন্সির মাধ্যমে সৌদি আরব যান। সেখানে গৃহকর্তার নি’র্যাতন সহ্য করতে না পেরে প্রথমে স্বামী শফিউল্লাকে ভি’ডিও বা’র্তা পাঠান।*

*হুসনার স্বামী ওই এ’জেন্সিতে গিয়ে এসব কথা জানালে এজে’ন্সির সংশ্লিষ্টরা তার কাছে এক লাখ টাকা দাবি করেন এবং হুসনা সম্পর্কে আপ’ত্তিকর মন্তব্য করেন। আর্থিকভাবে অসচ্ছল শফিউল্লা কোনো উপায় না পেয়ে স্ত্রীকে বাঁচানোর জন্য ওই ভি’ডিও তার এক ভাইয়ের মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পো’স্ট করান।*
*এ বিষয়ে হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান গণমাধ্যমকে জানান, নির্যা’তনের শি’কার নারীর নাম ঠিকানা ও সৌদিতে কোন জায়গায় আছেন সেটা আমাকে জানাতে হবে। তখন আমি মন্ত্রণালয়ে কথা বলে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করবো।*