প্রচ্ছদ অর্থ-বাণিজ্য *ভারত আম’দানি করছে এক লাখ ২০ হাজার ট’ন পেঁয়াজ*

*ভারত আম’দানি করছে এক লাখ ২০ হাজার ট’ন পেঁয়াজ*

89
*ভারত আমদানি করছে এক লাখ ২০ হাজার টন পেঁয়াজ*

*বাজারের সং’কট কমানো এবং সরবরাহ বাড়িয়ে দাম স্থিতি’শীল করতে এক লাখ ২০ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানির সিদ্ধা’ন্ত নিয়েছে ভারত। বুধবার ভারতের মন্ত্রিসভা এই পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেয়।*
*অসময়ে বৃষ্টির কারণে ভারতে চলতি মৌসুমে পেঁয়াজ উত্পাদন ২৬ শ’তাংশ কম হয়েছে। এই অবস্থায় ভারতজুড়ে খুচরা বাজারে পেঁয়াজের কেজি ৬০ রুপির নীচে নামছে না। পরি’স্থিতি সামা’ল দিতে এই উদ্যো’গ নিয়েছে।*

*একইসাথে বেসর’কারী আম’দানি উত্সাহিত করতে আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত ফি’উমিগেশন বা বিষ’মুক্ত রিপো’র্ট প্রাপ্তির প্রক্রিয়া শিথিল করেছে ভারত। এরফলে দ্রুত পেঁয়াজ আম’দানি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।*
*‘দি টা’ইমস অ’ফ ইন্ডি’য়া’র গতকালের প্রতি’বেদনে বলা হয়েছে, সরবরাহ বাড়াতে ভারতের সরকারী প্রতিষ্ঠান ‘এমএ’মটিসি’র মাধ্যমে ইতোমধ্যে ৪ হাজার টন পেঁয়াজ আম’দানির ঋণপত্র খোলা হয়েছে। বাকি পেঁয়াজ এনে দেশজুড়ে সরবরাহ করা হবে। ফলে আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে বাজার নিয়ন্ত্র’ণে চলে আসবে মনে করছে ভারত সরকার।*

*ভারতের ফাই’নান্সিয়াল এক্সে’প্রেসের ১৯ নভেম্বরের প্রতিবে’দনে বলা হয়েছে, অসময়ে বন্যার কারণে খ’রিফ (অক্টোবর-ডিসেম্বর) ও লে’ট খ’রিফ (জানুয়ারি-মার্চ) মৌসুমে পেঁয়াজ উত্পা’দন ২৬ শতাংশ কম হবে বলে ধারণা করছে ভারতের কৃষি বিভাগ। এখন যে পেঁয়াজ বাজারে আসছে সেটি হচ্ছে রবি মৌসুমে (মার্চ-জুন) উত্পাদিত। অসময়ে বৃষ্টি-বন্যার কারণে খরিফ মৌসুমের পেঁয়াজ উত্পাদন দেরি হয়েছে; কৃষকরা একবার পেঁয়াজ রোপনের পর ক্ষতি’গ্রস্ত হওয়ায় আবারও রোপন করছেন।*

*খরি’ফ মৌসুমে ফল’ন আসতে দেরি হওয়ায় লে’ট খরি’ফ আবাদও দেরি হবে। একইসাথে উৎপাদনও ব্যাহত হবে। এই অবস্থায় খরি’ফ ও লে’ট খ’রিফ মৌসুমে পেঁয়াজ উৎপাদন ৫২ লাখ ট’নে নামবে। গত বছর এই উৎপাদন ছিল প্রায় ৭০ লাখ ট’ন।*
*এই অবস্থায় আগামী ফেব্রুয়ারির আগে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদা’নি করার সম্ভাবনা নেই। এজন্য বাংলাদেশের চাহিদা মি’টাতে এখনই সি’দ্ধান্ত নেয়া উচিত বলে মনে করছেন পেঁয়াজ আমদা’নির সাথে জ’ড়িত ব্যবসায়ীরা।*