প্রচ্ছদ রাজনীতি *ঢাকা মহা’নগর আ’লীগের নতুন নে’তৃত্ব নিয়ে জল্প’না-ক’ল্পনা চলছেই*

*ঢাকা মহা’নগর আ’লীগের নতুন নে’তৃত্ব নিয়ে জল্প’না-ক’ল্পনা চলছেই*

109
*ঢাকা মহানগর আ'লীগের নতুন নেতৃত্ব নিয়ে জল্পনা-কল্পনা চলছেই*

*চলমান শু’দ্ধি অভি’যানের অংশ হিসেবে ঢাকা মহা’নগর আওয়ামী লীগের নে’তৃত্বেও বড় পরি’বর্তন আসতে যাচ্ছে। ঢাকা মহান’গর উত্তর ও দক্ষিণের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে বা’দ পড়তে পারেন বর্তমান ক’মিটির শীর্ষ চার নেতা। তাদের স্থানে অপেক্ষাকৃত পরিচ্ছন্ন ভাব’মূর্তির নতুন চার নে’তা প’দ পেতে যাচ্ছেন বলে সং’শ্লিষ্ট একাধিক সূ’ত্রে জানা গেছে।*

*আওয়ামী লীগের নী’তিনির্ধারণী পর্যা’য়ের একাধিক নে’তা আলাপকালে বলেন, চলতি মাসে আওয়ামী লীগের দুটি সহযোগী ও একটি ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের সম্মে’লন অনুষ্ঠিত হয়। কৃষক লীগ, শ্রমিক লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্মে’লনের মধ্য দিয়ে শীর্ষ দুই নে’তা নির্বাচিত করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে প্রাধান্য পেয়েছেন নতুনরা। বা’দ পড়েছেন পুরনো ও বিত’র্কিতরা। দলটির নে’তারা বলছেন, এটা একটা বড় বার্তা আমাদের দলের বি’তর্কিত নে’তাদের জন্য।*

*৩০ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া মহা’নগর আওয়ামী লীগের সম্মে’লনেও এর প্রতিফলন দেখা যাবে। মহা’নগরে যেসব নে’তা প’দ পেয়েও সক্রিয় ছিলেন না সংগঠনে তারা বা’দ পড়বেন। যাদের নামে কমি’টি বাণিজ্য এবং দখল’বাজির অভি’যোগ রয়েছে, তারাও বা’দ পড়বেন মহানগর আওয়ামী লীগের শীর্ষ নে’তৃত্ব থেকে। ইতোমধ্যে আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মহান’গর আওয়ামী লীগের বিষয়ে একটি গাইড’লাইন দিয়েছেন দলটির দুই সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক ও সাবে’ক মন্ত্রী লে. ক’র্নেল (অব) মুহম্মদ ফারুক খানকে। প্রধানমন্ত্রীর নি’র্দেশক্রমে তারা সম্ভাব্য শীর্ষনে’তাদের বিষয়ে ত’থ্য সংগ্রহ করছেন।*

*এ বিষয়ে জানতে চাইলে ফারুক খান বলেন, দলের অন্যান্য ইউ’নিটের মতো ঢাকা মহা’নগর আওয়ামী লীগেও প্রবীণ ও নবীনের সম’ন্বয়ে কমি’টি গঠিত হবে। শীর্ষনে’তা নির্বাচনের ক্ষেত্রে পরিচ্ছন্ন ভাব’মূর্তি, নে’তাকর্মীদের কাছে গ্রহণযোগ্যতা, বিত’র্কমুক্ত রাজনৈতিক ক্যারি’য়ার, দলের জন্য অবদান- এসব বিষয় গুরুত্ব পাবে।*
*আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নে’তাদের মতে, ঢাকা মহা’নগর আওয়ামী লীগ উত্তর ও দক্ষিণের শীর্ষ চার প’দেই নতুন মুখ আসতে যাচ্ছে।*

*এ ক্ষেত্রে উত্তরের সভাপতি এবং তথ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমি’টির সভাপতি একেএম রহমতউল্লাহ এবং দক্ষিণের সভাপতি আবুল হাসনাত বা’দ পড়তে পারেন বয়সের কারণে। তারা সংগঠনে তেমন একটা সময় দিতে পারছেন না বয়স বেশি হওয়ায়- বলে মনে করেন আওয়ামী লীগের নীতি’নির্ধারকরা। অন্যদিকে ম’হানগর উত্তর ও দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান এবং শাহে আলম মুরাদ বা’দ পড়তে পারেন বি’তর্কের কারণে। তবে একেএম রহমতউল্লাহ, আবুল হাসনাত, সাদেক খান এবং শাহে আলম মুরাদ প্রত্যেকেই চাচ্ছেন স্বপ’দে ব’হাল থাকতে। এ জন্য তারা নিজ নিজ বল’য়ের নে’তাদের সঙ্গে যোগাযোগও শুরু করেছেন। দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনার আনুকূ’ল্য লা’ভে স’ক্ষম হলে শেষমুহূর্তে টিকে যেতে পারে চারজনের মধ্যে দু-একজনের প’দ।*

*সং’শ্লিষ্ট একাধিক সূ’ত্রে জানা গেছে, ঢাকা মহা’নগরের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক প’দে বেশ কয়েকজনের নাম প্রধানমন্ত্রীর কাছে জমা পড়েছে। এর মধ্যে ঢাকা মহা’নগর দক্ষিণে সভাপতি পদে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কা’র্যনির্বাহী কমি’টির সদস্য কাজী নজিবুল্লাহ হিরু, ঢাকা মহা’নগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও ঢাকা সি’টি কর’পোরেশন দক্ষিণের (ডিএ’সসিসি) ৩৮ নম্ব’র ওয়া’র্ড কাউন্সি’লর আবু আহমেদ মান্নাফি, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের কার্য’নির্বাহী ক’মিটির স’দস্য ও ঢাকা দক্ষিণ সি’টি করপো’রেশনের মেয়র সাঈদ খোকন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আখতার হোসেন, বিজ্ঞা’ন ও প্রযু’ক্তি সম্পাদক এবং ডিএস’সিসির ২৭ নম্বর ওয়া’র্ড কাউ’ন্সিলর ওমর বিন আজিজ ওরফে তামিম আজিজ প্রমুখ। তবে সভাপতি পদে আবুল হাসনা’তকে আবারও বহা’ল রাখার পক্ষেও একটা মত রয়েছে মহান’গর আওয়ামী লীগে। আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের সদস্য সচিব ও রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকার সং’সদ সদ’স্য ব্যা’রিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপসকেও মহান’গর আওয়ামী লীগের শীর্ষপদে দেখতে চান অনেকে। তবে আইনজীবী পরিষদ, না মহানগর আওয়ামী লীগ- কোনটাতে বেশি আগ্রহী ফজলে নূর তাপস তা জানা যায়নি।*

*অপরদিকে ঢাকা মহা’নগর উত্তর আওয়ামী লীগে সভাপতি প’দে আলোচনায় রয়েছেন বর্তমান ক’মিটির সহসভাপতি শেখ বজলুর রহমান ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাদের খান। সাধারণ সম্পাদক প’দে আলোচনায় রয়েছেন বর্তমান কমিটির দুই যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এসএ মান্নান কচি ও হাবিব হাসান। বয়সে অপেক্ষাকৃত তরুণ হলেও আলোচনায় রয়েছেন মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের উপপ্র’চার সম্পাদক আজিজুল হক রানা।
আওয়ামী লীগের এক দায়িত্বশীল নে’তা জানিয়েছেন, ঢাকা সি’টি ক’রপোরেশন উত্তর ও দক্ষিণের ও’য়ার্ড কাউন্সিল’রদের মহানগর আওয়ামী লীগের শীর্ষপ’দে বসানো হবে কিনা, তা নিয়ে দ্বিমত রয়েছে দলে। এ ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্ত’ই চূড়া’ন্ত বলে গ’ণ্য হবে।*