প্রচ্ছদ কৃষি, প্রাণী ও পরিবেশ *সিঙ্গাপুরের পা’র্কের আদ’লে বিশ্বমানের হবে জাতীয় চি’ড়িয়াখানা*

*সিঙ্গাপুরের পা’র্কের আদ’লে বিশ্বমানের হবে জাতীয় চি’ড়িয়াখানা*

57
*সিঙ্গাপুরের পার্কের আদলে বিশ্বমানের হবে জাতীয় চিড়িয়াখানা*

*এবার বিশ্বমানের রূপ পাচ্ছে জাতীয় চিড়ি’য়াখানা। কয়েক মাস আগে মহাপরি’কল্পনাটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষ’দের নি’র্বাহী কমি’টিতে (এক’নেক) পা’স হয়েছে। সিঙ্গাপুরের ‘জু’রং বা’র্ড’ পা’র্কের আ’দলে ঢে’লে সাজানো হবে সরকারি এই চিড়িয়া’খানাটি। এ ছাড়া সেখানে সুলভ মূল্যে বিক্রি হচ্ছে বাংলাদেশ পর্য’টন করপোরেশ’নের নানা খাবার। খোলা হয়েছে পর্য’টনের হো’টেল। সংশ্লিষ্টরা জানান, চিড়িয়া’খানা নিয়ে মানুষের উৎসা’হের কমতি নেই। সৃষ্টির রূপ খোঁ’জতেই প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষ চিড়ি’খানায় ভি’ড় জমায়।*

*এই চিড়িয়া’খানাটি আয়তনে বিশ্বের চতুর্থ। এবার দেশি-বিদেশি পর্য’টকদের রাতযাপনের ব্যবস্থাসহ থাকবে আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধা। বাড়ানো হবে সার্বিক নিরা’পত্তা। বর্তমানে চিড়িয়া’খানায় পাখিসহ বিভিন্ন ধরনের দুই হাজারের বেশি প্রাণী রয়েছে। নতুন করে অ’বকাঠামোর উন্ন’য়ন, প্রাণী ও পাখি সংগ্রহে কর্ম’পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে প্রা’ণিসম্পদ অধি’দফতর। চলতি অর্থবছরে দ’রপত্র আহ্বান করায় বিশ্বমানের রূপ দেওয়ার কর্ম’যজ্ঞ শুরু হয়েছে। এ ছাড়া গবে’ষণার কাজে লাগবে এমন ধরনের কিছু উপকরণ থাকছে এতে। শিগগিরই আসছে সিংহ, ভল্লুক, ক্যাঙ্গারু ও উটপাখি।*

*জানতে চাইলে চিড়িয়া’খানার কিউরে’টর ডা. এস এম নজরুল ইসলাম বলেন, মহাপরিক’ল্পনার মধ্যে রয়েছে ক্যা’বল কা’র, লে’জার শো, পানির নিচে ফি’শ অ্যাকো’রিয়াম, ডল’ফিন শো, নাই’ট সা’ফারি ট্যু’র, লে’ক সাফা’রি, ফরে’স্ট ল’জ, ওয়া’চ টাও’য়ার, সুসজ্জিত ফুলের বাগান ও প্রজাপতি পার্ক। পাশাপাশি আগত দর্শকদের জন্য রে’স্ট হা’উস ও উন্নতমানের রেস্টু’রেন্ট নি’র্মাণের পরি’কল্পনা রয়েছে। এ ছাড়া দর’পত্রের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ও দেশীয় বাজার থেকে দেড় শতাধিক প্রাণী ও পাখি সংগ্রহ করা হবে। ইতিমধ্যে আন্ত’র্জাতিক বাজার থেকে শিম্পাঞ্জি, আফ্রিকার সিংহ, সাদা সিংহ, চিতাবাঘ, চিত্রা হায়েনা, সাদা পে’লিকান পাখি ও কেশো’য়ারী পাখি সংগ্রহের প্রক্রি’য়া চূড়ান্ত হয়েছে। জু জাদু’ঘরের ওপরের সভাক’ক্ষটি জাপানের আর্থিক সহ’যোগিতায় আধুনিকায়ন করা হয়েছে।*

*তিনি আরও বলেন, এখানে বিশ্বের অন্যান্য চিড়িয়া’খানার চেয়ে প্রাণীর সংখ্যাও অনেক বেশি। কিন্তু ওয়া’র্ল্ড জু অ্যা’সোসিয়েশনের সদস্য না হওয়ায় নতুন প্রাণীর সংযো’জন, প্র’শিক্ষিত চিকি’ৎসক ও বিশে’ষজ্ঞ নিয়ো’গ এবং অন্যান্য সু’যোগ-সু’বিধা নি’শ্চিত করা যাচ্ছে না। মহাপরি’কল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে জাতীয় চিড়িয়া’খানাকে বিশ্বের এক নম্বর আকর্ষ’ণীয় চিড়িয়া’খানা হিসেবে গড়ে তোলতে কাজ চলছে। এ ছাড়া জা’তীয় চিড়িয়া’খানার বর্তমান অবকাঠা’মো পরিবর্তন করে দর্শ’কদের জন্য একমু’খী সড়ক তৈরির কাজ শুরু হয়েছে।*

*এ ছাড়া চিড়ি’য়াখানার পশু-পাখির খাঁ’চা সম্পূর্ণভাবে বন্য আবহে তৈরি করতে একজন জাপানি জু-আর্কি’টেকচার ও জু-কন’সালটেন্টের সহায়তা নেওয়া হচ্ছে। চলিত পদ্ধ’তির প্রাণী খাঁ’চাকে ব’দলে আধা প্রাকৃতিক, প্রাণীবান্ধব ও তিন স্তরের নিরা’পত্তা বলয়’বিশিষ্ট খাঁ’চা তৈরি করা হবে। দর্শ’নার্থীদের জন্য চিড়িয়া’খানার সা’র্বিক পরি’বেশ উন্নত করা হয়েছে।*