প্রচ্ছদ বাংলাদেশ জেলা *নি’হত শী’র্ষ ই’য়াবা ব্যবসায়ীর সাথে আ’লীগ নে’তার স’ম্পর্ক কি?*

*নি’হত শী’র্ষ ই’য়াবা ব্যবসায়ীর সাথে আ’লীগ নে’তার স’ম্পর্ক কি?*

3329
*নিহত শীর্ষ ইয়াবা ব্যবসায়ীর সাথে আ'লীগ নেতার সম্পর্ক কি?*

*নিজস্ব প্রতি’বেদক: র‌্যা’বের ব’ন্দুকযুদ্ধে নিহ’ত চট্টগ্রামের শী’র্ষ ই’য়াবা ব্যবসায়ী জাফর এর ক্রয়কৃত আ’লিশান ফ্ল্যা’টের প্রধান স্বা’ক্ষী ছিলেন কর্ণফু’লীর কম্পি’উটার ফারুক।*
*অনু’সন্ধানে এমন চাঞ্চ’ল্যকর ত’থ্য বেরিয়ে আসার খবর জানা যায়। ৪ বছর আগে চট্টগ্রামের পতে’ঙ্গা স’ড়কে ফ্ল্যা’ট ক্রয়’কারী সেই মা’দক কার’বারী র‌্যা’বের হাতে নি’হত হন।*

*নি’ভর্রযোগ্য সূ’ত্র ও ত্রিপ’ক্ষীয় চুক্তি’পত্র অনুযা’য়ী জানা যায়, চট্টগ্রাম জেলার আনোয়ারা-গহিরা-পতেঙ্গা এলাকার শী’র্ষ ই’য়াবা ব্যবসায়ী ছিলেন মোহাম্মদ জাফর। বন্দু’কযুদ্ধে নি’হত হওয়ার পুর্বে নগরীর হি’লটন ফেরা’রী টাওয়া’রে তিনি দুটি বিলা’সবহুল ফ্ল্যা’ট কেনেন। ৭ম তলা বিশিষ্ট এ ভ’বনের নিচতলায় ডি-১ এবং দ্বিতীয় তলা’য় সি-১ নামে দুটি (১০৮৫ বর্র্গ’ফুট বিশিষ্ট) এপা’র্টমেন্ট ক্র’য় করেন। ক্রয়ের চু’ক্তিতে একটি ফ্ল্যা’টের মূল্য দেখানো হয় ৩০ (ত্রিশ) ল’ক্ষ টাকা। দুটির একত্রিত ফ্ল্যা’টের মূল্য দাঁড়ায় ৬০ ল’ক্ষ টাকা।*

*হিল’টন প্রপা’র্টিজ লি’মিটেড ডেভে’লপার কর্তৃক নি’র্মিত ভব’নটির অবস্থান নগরীর আগ্রা’বাদের শান্তিবাগ আ’বাসিক এলাকায়। চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ লা’ইনের পিছনে শ্যা’মলী আ’বাসিক সং’লগ্ন ফে’রারী টাও’য়ার নামে ভব’নটি ঐ এলাকায় বেশ পরিচিত।*’
*এ নিয়ে ভূমির প্রধান মালিক মো. গিয়াস উদ্দিন মিলন, ডে’ভেলপার হিল’টন প্রপা’র্টিজ লি’মিটেডের পক্ষে পরিচালক আশীষ রায় চৌধুরী ও ফ্ল্যা’ট ক্রেতা (নিহ’ত মা’দক কারবারি) জাফরের সাথে একটি চুক্তি সম্পা’দিত হয়।*
*দেখা যায়, ওই চু’ক্তির প্রধান স্বা’ক্ষী ছিলেন কর্ণ’ফুলী উপজে’লার শাহমীরপুর এলাকার মৃ’ত আহমেদ হোসাইন চৌধুরীর পুত্র ফারুক চৌধুরী ও দেওয়ানহাটের এস এম শওকতুল আলম।*

*কিন্তু অবা’ক করা বিষয় হলো, কর্ণফুলী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরি’ষদের বর্তমান চেয়া’রম্যান ফারুক চৌধুরী প্রকাশ কম্পি’উটার ফারুক কি করে একজন শী’র্ষ ইয়া’বা ব্যবসায়ীর সম্পদ ক্রয়ের প্রধান স্বা’ক্ষী ছিলেন?*
*র‌্যা’বের সাথে বন্দু’কযুদ্ধে নি’হত চট্টগ্রামের শীর্ষ এই ই’য়াবা ব্যবসায়ী মোহাম্মদ জাফরের সাথেই বা তার কী সম্প’র্ক ছিলো! এ নিয়ে সরকারের একটি বিশেষ গো’য়েন্দা বা’হিনী মাঠে নেমেছে।*
*পুরো ঘ’টনা প্রবা’হটি নি’হত ইয়া’বা ব্যবসায়ী বেঁঁ’চে থাকাকালীন ঘট’লেও এতদিন জানাজানি হয়নি। কেউ কেউ আবার সে সময় জানলেও ভ’য়ে মুখ খু’লেনি। এতে আরো অভি’যোগ রয়েছে, নি’হত ঐ মা’দক ব্যব’সায়ির টাকায় কেনা রে’ভ-ফো’র ও ক্লু’জার নামক দুটি বিলা’সবহুল গা’ড়ি এখনো ঢাকায় রয়েছে।*

*সূ’ত্রে জানা যায়, সম্প্রতি আগ্রাবাদ ফে’রারী টা’ওয়ারের ডি-১ ফ্ল্যা’টটি তড়িঘড়ি করে ২০ লক্ষ টাকায় (কেনা ৩০ লক্ষ) চাঁদপুরের সোহেল নামে একজনকে বে’চে দেন। আর সি-১ ফ্ল্যা’ট এখনো ব’ন্ধ/তা’লা লাগা অ’বস্থায় রয়েছে। আনোয়ারার সর্দা’র ইউসুফ নামে এক ব্যক্তি এসব সম্প’দ দেখাশোনা করেন। সম্প্রতি অনু’সন্ধানে এসব ত’থ্য বেরিয়ে আসে।*
*অভি’যোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ফারুক চৌধুরী প্রকাশ কম্পি’উটার ফারুক বলেন, ‘আমরা যেহেতু রাজনীতি করি নানা লোকজন তো আমার কাছে আসে। এই ছেলেটাকে আমি কখনো দেখিও নাই চোখে। তাকে নিয়ে আসছিলো আমার এলাকার একটা ছেলে। সে তখন ফি’রিঙ্গাবাজারে কি একটা করত। এলাকায়ও দেখছি।’*

*ফারুক চৌধুরী বলেন, ‘এরপরে ৯৫০ স্ক’য়ার ফি’টের একটা ফ্ল্যা’ট সে আমার আপন ভাইরা ভাই শওকত। তাদের রি’য়েল এস্টে’ট কোম্পা’নির কি একটা নাম ছিলো, এখন মনে পড়ছে না। আমি তখন জুবিলী রো’ডে আমার দোকানে বসি। ওই ছেলে বলল যে, সে ভাড়া ঘরে থাকে। আমি বললাম এক কাজ কর তুমি, ১৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা দিয়ে একটা ফ্ল্যা’ট বু’ক করছিলো। এছাড়া আমি আর তার সম্প’র্কে কোন কিছুই আমার জানা নাই, এটা অনেক পুরনো কথা, আমার নির্বাচনের আগে। এই দ’লিল নিয়ে, ওই যে আগ্রা’বাদ যে দ’লিল করলাম ৯৫০ স্ক’য়ার ফি’ট ফ্ল্যা’টের। খবর পেয়েছি, ওটার ক’পি অনেক জায়গায় পাঠিয়েছে।’*

*ও ছেলে যে তালি’কাভুক্ত ইয়া’বা ব্যবসায়ী সেটা জানতেন কিনা- জানতে চাইলে ফারুক চৌধুরী কোন সদু’ত্তর দেননি।*
*তথ্যসূ’ত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২৫ জুলাই (শনিবার) রাতে ই’য়াবা ব্যবসায়ী জাফর র‌্যা’বের সাথে বন্দু’কযুদ্ধে নি’হত হন। পতে’ঙ্গা সমুদ্র সৈকত স’ড়কে এ ঘট’না ঘ’টে। ঘটনা’স্থল থেকে ১০ হাজার পি’স ইয়া’বা ও দুটি বিদেশি অ’স্ত্র উদ্ধা’র করেছে বলে সে সময় র‌্যা’ব-৭ প্রে’স বি’জ্ঞপ্তিতে জানায়।*

*নি’হত জাফর (৩২) এর বাড়ী আনোয়ারা উপজেলার বদলপুরা গ্রামে। সে কালামিয়া বাড়ির নুর মোহাম্মদ এর ছেলে। যিনি মা’দক কার’বারের সাথে জ’ড়িত ছিলেন। আনোয়ারা-কর্ণফুলী-গহিরা ও পতে’ঙ্গায় নামে বে’নামে বহু সম্পত্তি রয়েছে। কা’বিননামা মূলে তার চার স্ত্রী রয়েছে। তার বড় সন্তান পানিতে পড়ে মা’রা যান।*
*উল্লেখ্য, বিগত ২০১৫ সালের ১৩ মে র‌্যা’ব-৭ কর্তৃক চট্টগ্রাম বহির্নোঙ্গর থেকে উদ্ধা’রকৃত ৫ লক্ষ পি’স ই’য়াবা ট্যা’বলেট সংক্রা’ন্ত মা’মলার চার্জ’শিটভুক্ত প্রধান পলা’তক আসা’মি ছিলেন নি’হত জাফর।*