প্রচ্ছদ রাজনীতি *‘তারেককে হ’ঠাতে’ বিএনপি ছা’ড়ার হি’ড়িক পড়েছে*

*‘তারেককে হ’ঠাতে’ বিএনপি ছা’ড়ার হি’ড়িক পড়েছে*

222
*‘তারেককে হঠাতে' বিএনপি ছাড়ার হিড়িক পড়েছে*

*বিএনপির সি’নিয়র নে’তাদের মধ্যে দল ছা’ড়ার হি’ড়িক পড়েছে। গত সপ্তাহে এম মোরশেদ খান ও লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমান পদত্যা’গ করলেন। ইতিমধ্যেই দ’ল ছে’ড়েছেন। আরও বেশ কয়েকজন নে’তা এই লাইনে আছেন বলে জানা গেছে। এরা সবাই মূলত লন্ডনে পলা’তক তারেক জিয়ার নে’তৃত্বের ওপর অ’নাস্থা জ্ঞাপন করেছেন। দীর্ঘদিন ধরেই সি’নিয়র নে’তারা তারেক জিয়ার নে’তৃত্ব থেকে দলকে বের করতে চাইছেন। তারেককে নিজ থেকে নেতৃ’ত্ব ছেড়ে দেওয়ার জন্যেই পরা’মর্শ দিয়েছেন তারা। কিন্তু কোনো তাতে কোনো কাজ না হওয়ায় সি’নিয়র নে’তারা নিজেরাই প’দত্যাগ করছেন।*

*বিএনপির নির্ভরযোগ্য কয়েকটি সূত্র বলছে, দলে তারেক ছা’ড়ো আন্দো’লন শুরু হয়েছে। এর মূল কারণ হলো, দল নিয়ে তারেকের বিভিন্ন হঠ’কারী সি’দ্ধান্ত। তাছাড়া তারেক সিনি’য়র নে’তাদের সঙ্গে বেয়া’দবিও করেন সবসময়। একাধিক নে’তা বলেছেন, তারেক লন্ডন থেকে ফোনে তাদের গা’লাগালও করেছেন।*
*প’দত্যাগী নে’তাদের একজন বলেছেন, তারেক জিয়া দলে থাকলে বিএনপি করার কোনো মানে হয় না। ২০০৭ সালে বিএনপির বিপ’র্যয়ের জন্য যিনি প্রধানত দা’য়ী তার নেতৃত্বে আর যাই হোক বিএনপিকে এগিয়ে নেওয়া যাবে না। তারেকের নেতৃ’ত্বে বিএনপি করা আর আত্ম’হত্যা করা সমান কথা। তিনি নিজেরটা ছাড়া আর কিছুই বোঝেন না। নিজের মায়ের জন্যেই যার কোনো মায়া দরদ নেই, দল এবং দলের নে’তা-কর্মীদের জন্য তার চিন্তা আসবে কেমন করে।*

*জিয়াকে জাতির পিতা না বলায় প’দত্যাগ মাহবুবের*
*বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমানের প’দত্যাগ নিয়ে মুখর রাজনৈতিক মহ’ল। লন্ডনে প’লাতক তারেক জিয়ার সঙ্গে বিরো’ধের কারণেই যে এই প’দত্যাগ সেটা ইতোমধ্যেই সবাই জেনে গেছে। তারেকের সঙ্গে মাহবুবুরের বি’রোধ কেন তা নিয়ে উঠে আসছে নানা তথ্য।*
*বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক নে’তা জানান, তারেক-মাহবুবুর দ্ব’ন্দ্বের অন্যতম কারণ হলো জামাত এবং জিয়াউর রহমানকে জাতির পিতা মানতে অস্বী’কৃতি।*

*মাস দুয়েক আগে লন্ডনে এক সভায় তারেক জিয়াউর রহমানকে বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদী জাতির পিতা আখ্যা দিয়ে এর সমর্থনে নে’তা-কর্মীদের কাছে প্র’স্তাব রাখেন। এ সময় সভায় উপস্থিত নে’তা-কর্মীরা এই প্র’স্তাব কণ্ঠভোটে সমর্থন করেন। পরে বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উঠে এলে এ বিষয়ে দ্বিমত প্রকাশ করে গণমাধ্যমে বক্তব্য দেন মাহবুবুর রহমান। সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি দলের স্থায়ী কমিটির এক বৈঠকে চারজন নে’তা মাহবুবুর রহমানের দ্বিমত করার বিষয়টি উত্থাপন করেন। এ নিয়ে ওই বৈঠকে দীর্ঘক্ষণ আলোচনা হওয়ার পর সি’দ্ধান্ত হয়, মাহবুবুর রহমান যেন তার দ্বিমতের বক্তব্যের বিষয়ে লিখিতভাবে দুঃখ প্রকাশ করেন। দু’দিন পর এ বিষয়ে জানতে স্থায়ী কমিটির এক সদস্য মাহবুবুর রহমানের বাসায় গেলে তিনি তার দ্বিমত পোষণের বক্তব্যে অনড় থাকার কথা জানিয়ে দেন।*
*জিয়াকে জাতির পিতা না মানার কারণে তারেক ফো’নে করে মাহবুবুরকে অ’কথ্য ভাষায় গালা’গাল করেন বলেও জানা গেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপির সিনিয়র নে’তারাও তারেকের ওপর ক্ষু’ব্ধ হন।*

*দুলাভাইয়ের খবর জানেন না ফখরুল*
*বয়সের ভারে ন্যুব্জ বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমান রাজনীতি থেকে অ’বসরে গেছেন। মাস দেড়েক আগে তিনি লিখিতভাবে অব’সরে যাওয়ার ঘো’ষণা দিয়েছিলেন। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রাথমিক সদস্যপদ প্রত্যা’হার করে নিয়েছেন। তবে তার পদ’ত্যাগের কারণ হিসাবে নানা ত’থ্য উঠে এসেছে।*
*মাহবুবুর রহমান পদত্যা’গ পত্র পাঠালেও মির্জা ফখরুল ইসলাম তা জানেন না বলে জানান। স্পষ্টতই কে মিথ্যে বলছেন সে প্রশ্ন উঠেছে গণমাধ্যমে। অনেকে বলছেন, মাহবুবের স্ত্রী বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামের বড় বোন নাগিনা রহমান। দুলাভাইর খবর মির্জা ফখরুল কিভাবে জানেন না? খোদ বিএনপিতেই এনিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।*

*বার্ধক্য’জনিত কারণে সাবেক সেনাপ্রধান লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমান দলের কোনো কর্মসূচিতে নিয়মিত ছিলেন না। দলের নী’তিনির্ধারণী বৈঠকেও তিনি উপস্থিত থাকতে পারছিলেন না। একাদশ সংসদ নির্বাচনের আগেই তিনি রাজনীতি থেকে নিজেকে স’রিয়ে নিয়েছিলেন। সে কারণে তিনি দলের কাছে মনোনয়নও চাননি সে সময়।*
*বিএনপির নীতিনি’র্ধারণী পর্যায়ের একাধিক নে’তা জানান, লন্ডনে এক সভায় ভারপ্রা’প্ত চেয়ারম্যান (তারেক) জিয়াউর রহমানকে বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদী জাতির পিতা আখ্যা দিয়ে এর সমর্থনে নেতা’কর্মীদের কাছে প্র’স্তাব রাখেন। এ সময় সভায় উপস্থিত নেতাকর্মীরা তারেক রহমানের প্র’স্তাব কণ্ঠভোটে সমর্থন করেন। পরে বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উঠে এলে এ বিষয়ে দ্বিমত প্রকাশ করে গণমাধ্যমে বক্তব্য দেন মাহবুবুর রহমান।*

*সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি দলের স্থায়ী কমিটির এক বৈঠকে চারজন নে’তা মাহবুবুর রহমানের দ্বিমত করার বিষয়টি উত্থাপন করেন। এ নিয়ে ওই বৈঠকে দীর্ঘক্ষণ আলো’চনা হওয়ার পর সি’দ্ধান্ত হয়, মাহবুবুর রহমান যেন তার দ্বিমতের বক্তব্যের বিষয়ে লিখিতভাবে দুঃখ প্রকাশ করেন।*
*দু’দিন পর এ বিষয়ে জানতে স্থায়ী কমিটির এক সদস্য মাহবুবুর রহমানের বাসায় গেলে তিনি তার দ্বিমত পোষণের বক্তব্যে অ’নড় থাকার কথা জানিয়ে দেন। এরপরই তিনি পদত্যা’গের সি’দ্ধান্ত নেন।*