প্রচ্ছদ রাজনীতি *ঢাকা মহানগর আ’লীগের নে’তৃত্বে উত্তরে মায়া, দক্ষিণে কামরুল?*

*ঢাকা মহানগর আ’লীগের নে’তৃত্বে উত্তরে মায়া, দক্ষিণে কামরুল?*

1006
*ঢাকা মহানগর আ'লীগের নেতৃত্বে উত্তরে মায়া, দক্ষিণে কামরুল?*

*আগামী ৩০ নভেম্বর ঢাকা উত্তর এবং দক্ষিণে মহানগর আওয়ামী লীগের কা’উন্সিল অধি’বেশন শুরু হচ্ছে। ২০ এবং ২১ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের কাউ’ন্সিলকে সামনে রেখে এই মহানগরের কাউ’ন্সিলের দিকে দৃ’ষ্টি সকলের। আওয়ামী লীগের দায়ি’ত্বশীল সূ’ত্রগুলো বলছে যে, গত দুই বছরে আওয়ামী লীগের মহনগরের কার্যক্র’ম বলতে কিছু ছিল না। শুধুমাত্র দলীয় এবং আনুষ্ঠানিক কর্ম’সূচি পাল’ন ছাড়া ঢাকা মহানগরের দুটি ক’মিটি ছিল অস্তি’ত্ববিহীন এবং কর্মহীন।*

*এই দুই ক’মিটির বিরু’দ্ধে কমি’টিবাণিজ্য, টেন্ডা’রবাণিজ্যসহ বিভিন্ন অ’পকর্মের অভি’যোগ রয়েছে। আওয়ামী লীগের নে’তারাই মনে করছেন যে এই দুই ক’মিটির একাধিক নেতা দু’র্নীতি এবং দু’র্বত্তায়নের মাধ্যমে ফু’লেফেঁপে উঠেছেন। সামনের দিনগুলোতে বিশেষ করে আওয়ামী লীগ যখন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশ’তবার্ষিকী উৎযা’পন করবে, তখন ঢাকা মহান’গরীর কমি’টি দুটোকে শক্তি’শালী করা অত্যন্ত গুরু’ত্বপূর্ণ। এমন দুজন নে’তার সন্ধা’ন শেখ হাসিনা করছেন, যাদের সাংগঠনিক দ’ক্ষতা রয়েছে। এবং নে’তাকর্মীদের কাছে যাদের গ্রহ’ণযোগ্যতা রয়েছে। সেই বিবেচনা থেকেই নতুন কমি’টির চিন্তাভাবনা চলেছে বলে জানা গেছে।*
*সংশ্লি’ষ্ট সূ’ত্রগুলো বলছে যে, ঢাকার দুই ক’মিটিতে একাধিক নে’তা মহানগরীর দা’য়িত্ব নিতে আগ্রহী। তবে এমন দুজন নে’তাকে খোঁ’জা হচ্ছে যারা কেবল সৎ এবং বিত’র্কমুক্তই নন, তারা যেন সাংগঠনিকভাবে দ’ক্ষ হন এবং মৃ’তপ্রায় ঢাকা মহানগরীকে চা’ঙা করতে পারেন।*

*এই বিবেচনায় হঠাৎ করে আলো’চনায় এসেছে মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়ার নাম। মায়া অবিভক্ত ঢাকা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তার সাংগঠনিক দ’ক্ষতা প্রশ্নাতীত। তাকে নিয়ে অনেক বি’তর্ক রয়েছে, তার বিরুদ্ধে একটি দুর্নী’তি মা’মলা বিচারাধীন রয়েছে। এছাড়াও তিনি দুর্যো’গ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী থাকাকালীন তার বি’রুদ্ধে বেশকিছু অভি’যোগ রয়েছে। গত নির্বাচনে তিনি মনোনয়ন পাননি। কিন্তু নে’তৃত্বহীন ঢাকা উত্তরে শেষপর্যন্ত যোগ্য ও ভালো প্রার্থী পাওয়া না গেলে মায়া ম’ন্দের ভালো হিসেবে বিবেচিত হতে পারেন। তাকে নিয়ে আলো’চনা শুরু হয়েছে এর মধ্যেই। মায়াও দীর্ঘদিন পর রাজনৈতিক কর্ম’কাণ্ডে এখন নিজেকে যু’ক্ত করছেন।*

*আওয়ামী লীগের একজন নে’তা বলছেন, মায়াকে নিয়ে অনেক বি’তর্ক রয়েছে। বিশেষ করে মায়ার পরিবারের সদস্যদের বিরু’দ্ধেও নানারকম অভি’যোগ রয়েছে। কিন্তু মায়ার সাংগ’ঠনিক দক্ষ’তা নিয়ে কোনো দ্বি’ধা নেই। আর তাই মায়ার নামটি আলো’চনায় এসেছে।*
*ঢাকা দক্ষিণে মহানগরের অবস্থা আরও শোচ’নীয়। ঢাকা দক্ষিণের মেয়রের সঙ্গে ঢাকা দক্ষিণ কমি’টির বিরো’ধ বেশ পুরনো। ঢাকা দক্ষিণের ক’মিটির সভাপতি ছিলেন নি’স্ক্রিয়, সাধারণ সম্পাদকের বি’রুদ্ধে বিস্তর অভি’যোগ আওয়ামী লীগে উঠেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছেও এ ধরনের অভি’যোগ গেছে। এই বি’বেচনায় বর্তমান কমি’টির কেউই সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক থাকছেন না মোটামুটি নিশ্চিত।*

*নতুন হিসেবে ঢাকা উত্তরের চেয়ে দক্ষিণের পার্থক্য হলো ঢাকা দক্ষিণ মহানগরীতে অন্ত’কলহ, দলীয় কোন্দ’ল তী’ব্র। এই অবস্থায় এমন একজনকে সভাপতির দা’য়িত্ব দেওয়ার চিন্তাভাবনা চলছে যাকে নিয়ে কোনো বিত’র্ক হবে না এবং যিনি দলের কোন্দ’ল এবং অন্ত’কলহগুলো থামাতে পারবেন। সেই বিবেচনা থেকে ঢাকা দক্ষিণে অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলামের নাম সামনে এসেছে। তিনি ২০০৮-০৯ মেয়াদে আ’ইন প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। পরবর্তীতের প’দোন্নতি পেয়ে তিনি খাদ্যমন্ত্রী হন। এবার তিনি মন্ত্রি’সভা থেকে বা’দ পড়েছেন। যেহেতু তিনি দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা মহানগরের সঙ্গে দীর্ঘদিন যু’ক্ত, সাবেক মন্ত্রী ছিলেন- সেজন্য তার নাম আলো’চনা এসেছে। তবে তাকে নিয়েও বিত’র্ক রয়েছে বলে তার বিরু’দ্ধপক্ষরা বলতো। তবে কোন্দ’লে আক্রা’ন্ত ঢাকা দক্ষিণে শেষপর্যন্ত সমঝো’তার নিদ’র্শন হিসেবে অ্যাড’ভোকেট কামরুলের নাম আলে’চনায় এসেছে।*

*আওয়ামী লীগের একজন দায়িত্বশীল নে’তা বলেছেন যে, ঢাকা মহানগরের উত্তর দক্ষিণে কাউ’ন্সিলের আগে অনেক কিছুই ঘট’বে, অনেক নামই আসবে। তবে শেষপর্যন্ত চূড়া’ন্ত সিদ্ধা’ন্ত নেবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ঐ নে’তা এটাও বলেন যে এবারের কা’উন্সিলে সবচেয়ে বড় লক্ষ্য হলো ঢাকা মহা’নগরীকে শক্তি’শালী করা এবং এই শক্তি’শালী সংগঠন যেন আগামী সি’টি নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমি’কা পা’লন করতে পারে তা নিশ্চিত করা।*