প্রচ্ছদ প্রবাস *লন্ডন স্ট’ক এ’ক্সচেঞ্জে চালু হয়েছে ‘বাংলা টাকা ব’ন্ড’*

*লন্ডন স্ট’ক এ’ক্সচেঞ্জে চালু হয়েছে ‘বাংলা টাকা ব’ন্ড’*

28
*লন্ডন স্ট'ক এ'ক্সচেঞ্জে চালু হয়েছে ‘বাংলা টাকা ব'ন্ড’*

*অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, আজকে বাংলাদেশের জন্য একটি ঐতিহাসিক দিন। বাংলা ব’ন্ড চালু বিশ্ব অর্থনীতিতে বাংলাদেশের একটি বড় পদ’ক্ষেপ। এই ব’ন্ড চালুর মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রবাসী বিনিয়োগ আরো সহজতর হবে।*
*আজ সোমবার লন্ডন স্ট’ক মার্কে’টে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলা টাকা ব’ন্ডকে লি’স্টিং করার অনুষ্ঠা’ন উদ্বোধ’নকালে তিনি এসব কথা বলেন।*

*এসময় মন্ত্রী উল্লেখ করেন, বাংলা ব’ন্ড চালুর পেছনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রয়েছে বিশা’ল অব’দান। এমনকি বাংলা ব’ন্ড নামকরণটিও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেয়া বলেও জানান তিনি।*
*উদ্বো’ধনী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, আ’ইএফসির এশিয়া এবং প্যা’সিফিক অঞ্চলের ভাইস প্রেসিডেন্ট নেনা স্টেল’কোভিক, ব্রিটেনস্থ বাংলাদেশ হাইক’মিশনার সাঈদা মুনা তাসনীম, আইএ’ফসি ডিরে’ক্টরবৃন্দ।*

*লন্ডন সময় সকাল সাড়ে নয়টায় লন্ডন স্ট’ক এক্স’চেঞ্জ সেমি’নার রু’মে এক সংবাদ সম্মে’লন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মে’লনে অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিনিয়োগে উৎসাহ দেয়ার জন্য লন্ডন স্ট’ক এক্সচে’ঞ্জে চালু হয়েছে ‘বাংলা টাকা ব’ন্ড’। এটি হবে একটি টাকা ব’ন্ড। এই বন্ডে’র আকার হবে ১০০ কোটি ড’লার। কিন্তু প্রাথমিকভাবে বাজার থেকে তোলা হবে ১ কোটি মার্কিন ড’লার বা ৮৪ কোটি টাকা। প্রবাসীরা ড’লারে এই ব’ন্ড কিনলেও প্রথমবারের মতো তা টাকায় রূপান্তর করে দেশের বিভিন্ন অবকাঠামোগত প্র’কল্পে বিনিয়োগ করা হবে। বিশ্বব্যাং’কের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ইন্টার’ন্যাশনাল ফাইন্যা’ন্স কর’পোরেশন (আই’এফসি) হবে এই ব’ন্ডের ই’স্যু ম্যানে’জার।*

*এসময় মন্ত্রী আরো বলেন, এই প্রথম বাংলাদেশের টাকা কোনো আন্তর্জাতিক ফাইন্যা’ন্সিয়াল মার্কে’টের সঙ্গে সং’যুক্ত হতে যাচ্ছে। টাকা লন্ডন স্ট’ক মার্কে’টে লেনদেন হবে। যে কেউ এই ব’ন্ড কিনতে পারবে। ডলা’র দিয়ে এই ব’ন্ড কিনতে হবে। সেই ডলার টাকায় ক’নভার্ট হয়ে তা বিনি’য়োগ করা হবে। আই’এফসি বাংলাদেশে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে বিনি’য়োগ করেছে। এই ১ বিলিয়ন ডলার ‘টাকা ব’ন্ড’ ছাড়ার মাধ্যমে তাদের বিনিয়োগ আরো বাড়বে।*

*সূত্র জানায়, প্রাথমিকভাবে এই ব’ন্ডের সময়সীমা হতে পারে ৩ বছর মেয়াদি। পরে তা বাড়িয়ে ৫ বছর এবং সর্ব্বোচ্চ ১০ বছর করা হতে পারে। ভারতের ক্ষেত্রে দেখা গেছে রুপি ব’ন্ড প্রথম ৩ বছর মেয়াদি ছাড়া হয়েছিল। পরে তার সময়সীমা বাড়িয়ে ৫ বছর করা হয়। এখন তা ১০ বছর পর্যন্ত হয়েছে। প্রবাসী ভারতীয়রা এই ব’ন্ডে বি’পুল হারে বিনিয়োগও করেছে।*

*জানা গেছে, ২০১১ সাল থেকে এ ধরনের ব’ন্ড ছাড়ার উদ্যোগ নেয়া হয়। পরে ২০১৫ সালে বিশ্বব্যাং’ক-আই’এমএফ’র বার্ষিক সভায় তৎকালীন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সাথে আইএ’ফসি’র নে’তৃবৃন্দের এক বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে এই ব’ন্ড ছাড়ার প্রস্তাব দিলে তখনই প্রাথমিক সম্মতি দিয়েছিল বাংলাদেশ সরকার।*

*এরপর আইএফ’সি বাংলাদেশ সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পাঠা’য় এবং তা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে অর্থমন্ত্রণালয় একই বছর (২০১৫) ৪ অক্টোবর এক চিঠিতে ‘টাকা ব’ন্ড’ ছাড়ার অনুমোদনের বিষয়টি জানায়। প্রবাসীদের জন্য ‘ড’লার ব’ন্ড’ থাকলেও বাংলাদেশে এই প্রথমবারের মতো ‘টাকা ব’ন্ড’ ছাড়া হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে এই ব’ন্ডের মাধ্যমে যে অর্থ উত্তোলন করা হবে তা আইএফসি অর্থায়নের পরিচালিত বিভিন্ন অব’কাঠামোগত প্রক’ল্পে বিনি’য়োগ করা হবে।*