প্রচ্ছদ Uncategorized *জামায়াতী সাংবাদিককে দেয়া প্রধানমন্ত্রীর অনুদানের চে’ক বা’তিল*

*জামায়াতী সাংবাদিককে দেয়া প্রধানমন্ত্রীর অনুদানের চে’ক বা’তিল*

165
*জামায়াতী সাংবাদিককে দেয়া প্রধানমন্ত্রীর অনুদানের চেক বাতিল*

*নিজেকে অস’হায়, দুঃ’স্থ সাংবাদিক, আওয়ামী লীগার, প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মিয়া মোহাম্মদ জয়নুল আবেদিন বীর বিক্র’ম পিএ’সসি’র ভাগিনা পরিচয় দিয়ে দৈনিক ইন’কিলাব পত্রিকার বান্দরবান প্রতিনিধি চট্টগ্রামের লোহাগড়ার চরম্বা ইউপির সাবেক জামায়াত সম’র্থিত চেয়ারম্যান সাদাত উল্লাহকে দেয়া প্রধানমন্ত্রীর কল্যাণ ট্রা’স্টের অনুদানের ২ লাখ টাকার বাতি’ল করা হয়েছে।*

*সংশ্লি’ষ্ট সূ’ত্রে জানা গেছে, সাদাত উল্লাহর নামে দেয়া ট্রা’স্টের অনু’দানের চে’ক বাতি’লের উদ্যোগ নিয়েছে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রা’স্ট। চে’ক বিতরণ শেষে সর্বপ্রথম বিষয়টি কল্যাণ ট্রা’স্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাফর ওয়াজেদসহ কর্তাব্যক্তিদের নজরে আনেন চট্টগ্রামের বিএফ’ইউজে-র যুগ্ম মহা’সচিব মহসীন কাজী। পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে অন’লাইন মাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সমা’লোচনা শুরু হয়, এর প্রেক্ষিতে চেক বাতি’লের সিদ্ধা’ন্ত নেওয়া হয়।*

*কল্যাণ ট্রাস্টে’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাফর ওয়াজেদ জানান, ইতোমধ্যে তার চে’কের অনুকূলে বরাদ্দ ফা’ন্ড বাতি’লের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ওই ব্যক্তি ব্যাং’ক থেকে উক্ত চেকের টাকা তুলতে পারবে না।*
*তিনি আরও জানান, তার দায়িত্ব নেয়ার আগে এ বিত’র্কিত ব্যক্তির নামে অনুদান দেয়ার সিদ্ধা’ন্ত হয়। তার (ওই ব্যক্তি) বিষয়ে অনুষ্ঠান শেষে বিএফ’ইউজে-র যুগ্ম মহাসচিব মহসীন কাজীর কাছ থেকে শোনার পর বি’স্মিত হয়েছি। অফিস খোলার পর এ নিয়ে দাফ’তরিক ত’দন্ত হবে। তিনি জানান, বান্দরবানের জেলা প্রশাসক দাউদুল ইসলাম কিভাবে একজন দা’গী ও চি’হ্নিত ব্যক্তির জন্য সুপা’রিশ করলো তাও খতি’য়ে দেখা হচ্ছে।*

*এক সময় বান্দরবানে অধ্যাপক পরিচয় দিয়ে দা’পিয়ে বেড়াতেন তিনি। জামায়াত ঘর’নার দৈনিক ইনকিলাব ও কর্ণফুলী পত্রিকার বান্দরবান প্রতিনিধি পরিচয় দিয়ে বান্দরবান প্রেসক্লা’বের সামনে করতেন পত্রিকার এজেন্টের ব্যবসা। আর এর আড়ালে বিএনপি-জামায়াত সরকারের সময়ে জামায়েত শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয় থেকে আওয়ামী লীগ কর্মীদের উপর হা’মলার জন্য সাতকানিয়া ও লোহাগাড়া থেকে শিবির ক্যাডা’রদের নিয়ে এসে নে’তৃত্ব দিতেন। আর সেই সাদাত উল্লাহ খোদ গণভবনে প্রবেশ করে প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে অনুদান গ্রহণ এবং এর আগে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হয়ে বিদেশ ভ্রমণের কারণে বান্দরবান আওয়ামী লীগে তোল’পাড় শুরু হয়।*

*একসময় তিনি বান্দরবানে বসবাস করতেন, সেই সুবাদে জামায়াত ঘরনার দৈনিক কর্ণফুলি ও দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকায় কাজ করতেন, থাকতেন শহরের ফা’য়ার সা’র্ভিস এলাকায়। এরপর সাদাত উল্লাহ ২০১২ সালের ৩ মে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চরম্বা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। জামায়াতের প্রত্যক্ষ সমর্থনে তিনি সেবার নির্বাচিত হন। চরম্বা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মাস্টার শফিকুর রহমান সাদাত উল্লাহকে জামায়াতে ইসলামীর একজন ডো’নার (অনুদানদাতা) হিসেবে নিশ্চিত করেছেন। ২০১১ সালে সাংবাদিক কোটায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বিদেশ সফ’র করে তিনি আলোচনায় আসেন।*

*আরো জানা গেছে, বান্দরবানে সরকারের কোন মন্ত্রী সফরে আসলে সাদাত ঠেলে’টুলে মন্ত্রীদের পাশে দাঁড়িয়ে যেতেন, আর কাউকে দিয়ে সুকৌশলে ছবি তুলে রাখতেন। পরে বিভিন্ন জায়গায় এই ছবি প্রদর্শন করে আওয়ামী লীগার সেজে এই ধরণের ফায়দা লু’টতেন। বিষয়টি বান্দরবানে সাংবাদিকদের অজানা নয়।*
*এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে জামাত-শিবিরের দায়ি’ত্বশীল কোন প’দে ছিলেন না বলে দাবি করে সাদাত উল্লাহ সাংবাদিকদের বলেন, ফেস’বুকে দেয়া স্ট্যাটা’সগুলো মিথ্যা। তিনি এই অনুদানের জন্য প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মিয়া মোহাম্মদ জয়নুল আবেদিন বীর বিক্রম পিএ’সসিকে মামা সম্বোধন করে ধন্যবাদ জানান এবং ২০১১ সালে সাংবাদিক কো’টায় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদেশ সফরের সুযোগ করে দেন বলে জানান।*

*এদিকে জামায়াত শিবির ক্যা’ডার চরম্বা ইউনিয়ন জামায়াত থেকে নির্বাচিত সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সাদাত উল্লাহ’র গণভবনে প্রবেশ ও দুঃ’স্থ সাংবাদিক হিসাবে অনুদা’নের অর্থ প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে গ্রহণের ঘট’নায় বিস্ম’য় ও উ’দ্বেগ প্রকাশ করে এই ঘটনার জোর তদ’ন্তের দা’বি জানিয়ে বিবৃতি প্রদান করেন বান্দরবান জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সাদেক হোসেন চৌধুরী।*